ঢাজা ১১:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নির্বাচন কমিশন গঠনে আইন চায় জাপা

  • অনলাইন ডেক্স
  • সপ্রকাশিত হয়েছে: ০২:৩৪:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১
  • ৫২৮ শেয়ার

জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান জিএম কাদের বলেছেন, স্বাধীনতার ৫০ বছর পরেও নির্বাচন কমিশন গঠনে আইন নেই, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। সংবিধানে সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে, নির্বাচন কমিশন গঠনে আইন প্রণয়ন করতে হবে। আমরা চাই, সংবিধানের আলোকে আইনের মাধ্যমেই নির্বাচন কমিশন গঠন হবে, যারা দেশের মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করবে। এতে নির্বাচন কমিশন গঠনে স্থায়ী সমাধান হবে। মঙ্গলবার একটি বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।

বিরোধী দলীয় উপনেতা জিএম কাদের বলেন, প্রতি পাঁচ বছর পর রাষ্ট্রপতি সার্চ কমিটি গঠনের মাধ্যমে প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ অন্যগ কমিশনারদের নিয়োগ দেন। এতে নানা সমালোচনার সৃষ্টি হয়। আবার দলীয় দৃষ্টিকোণ থেকে কমিশনার নিয়োগ হলে মানুষের ভোটাধিকার লঙ্ঘিত হয়। তাই সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী রাজনৈতিক দল ও এ বিষয়ে সিভিল সোসাইটির বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে অলোচনা সাপেক্ষে গ্রহণযোগ্য একটি আইন প্রণয়ন জরুরি হয়ে পড়েছে। আবার সংবিধানের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন গঠনে আইন প্রণয়ন করার বাধ্যবাধকতাও আছে।

বিবৃতিতে জিএম কাদের বলেন, আমরা আশা করি, আইনের মাধ্যমে সৎ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কমিশন গঠন সম্ভব হবে, যারা নির্বাচনকে অবাধ, নিরপেক্ষ এবং উৎসবমুখর করতে পারবে। এতে করে নির্বাচন কমিশন দেশের মানুষকে নির্বাচনের প্রতি আগ্রহী করে তুলতে সক্ষম হবে। প্রতিনিধি নির্বাচনে দেশের মানুষ নিজেদের ভুমিকা আরও জোড়ালো করতে পারবে। তখনই গণতন্ত্রের প্রকৃত স্বাদ পেতে শুরু করবে দেশের মানুষ।

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ, ২০২৬ জারি করা হয়েছে

নির্বাচন কমিশন গঠনে আইন চায় জাপা

সপ্রকাশিত হয়েছে: ০২:৩৪:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২১

জাতীয় পার্টির (জাপা) চেয়ারম্যান জিএম কাদের বলেছেন, স্বাধীনতার ৫০ বছর পরেও নির্বাচন কমিশন গঠনে আইন নেই, যা অত্যন্ত দুঃখজনক। সংবিধানে সুস্পষ্ট নির্দেশনা রয়েছে, নির্বাচন কমিশন গঠনে আইন প্রণয়ন করতে হবে। আমরা চাই, সংবিধানের আলোকে আইনের মাধ্যমেই নির্বাচন কমিশন গঠন হবে, যারা দেশের মানুষের ভোটাধিকার নিশ্চিত করবে। এতে নির্বাচন কমিশন গঠনে স্থায়ী সমাধান হবে। মঙ্গলবার একটি বিবৃতিতে তিনি এ কথা বলেন।

বিরোধী দলীয় উপনেতা জিএম কাদের বলেন, প্রতি পাঁচ বছর পর রাষ্ট্রপতি সার্চ কমিটি গঠনের মাধ্যমে প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ অন্যগ কমিশনারদের নিয়োগ দেন। এতে নানা সমালোচনার সৃষ্টি হয়। আবার দলীয় দৃষ্টিকোণ থেকে কমিশনার নিয়োগ হলে মানুষের ভোটাধিকার লঙ্ঘিত হয়। তাই সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী রাজনৈতিক দল ও এ বিষয়ে সিভিল সোসাইটির বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে অলোচনা সাপেক্ষে গ্রহণযোগ্য একটি আইন প্রণয়ন জরুরি হয়ে পড়েছে। আবার সংবিধানের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন গঠনে আইন প্রণয়ন করার বাধ্যবাধকতাও আছে।

বিবৃতিতে জিএম কাদের বলেন, আমরা আশা করি, আইনের মাধ্যমে সৎ ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন কমিশন গঠন সম্ভব হবে, যারা নির্বাচনকে অবাধ, নিরপেক্ষ এবং উৎসবমুখর করতে পারবে। এতে করে নির্বাচন কমিশন দেশের মানুষকে নির্বাচনের প্রতি আগ্রহী করে তুলতে সক্ষম হবে। প্রতিনিধি নির্বাচনে দেশের মানুষ নিজেদের ভুমিকা আরও জোড়ালো করতে পারবে। তখনই গণতন্ত্রের প্রকৃত স্বাদ পেতে শুরু করবে দেশের মানুষ।