ঢাজা ০৫:২৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মস্তিস্ক দান করলেন স্টিভ থম্পসন

  • অনলাইন ডেক্স
  • সপ্রকাশিত হয়েছে: ০২:১১:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১
  • ৫৮৮ শেয়ার

ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপজয়ী রাগবি খেলোয়াড় স্টিভ থম্পসন স্মৃতিভ্রম বা ডিমেনশিয়া রোগে ভুগছেন। রাগবি খেলোয়াড়দের নাকি এই ধরনের রোগে ভোগার সম্ভাবনা খুবই বেশি দেখা যায়। থম্পসন তার মস্তিষ্কটি দান করেছেন ‘দি কানকাশন লিগাসি প্রজেক্ট’ এর ‘ব্রেন ব্যাঙ্কে’।

জেফ অ্যাশলে ফাউন্ডেশনের একটি সহযোগী এই প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয় প্রাক্তন রাগবি খেলোয়াড় জেফ অ্যাশলের নামে। যিনি ২০০২ সালে ডিমেনশিয়া বা স্মৃতিভ্রম রোগে ভুগে মারা যান।

জানা গেছে,‘দি কানকাশন লিগাসি’ প্রজেক্ট নামের সংগঠনটি থম্পসনের মস্তিষ্ক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবে। তার মৃত্যুর পর মস্তিষ্কটি এই সংগঠনের কাছে দিয়ে দেওয়া হবে।এরপর গবেষণাগারে পরীক্ষা করে দেখা হবে খেলোয়াড়দের মধ্যে এই রোগের প্রভাব কতোটা।

গুলোর মধ্যে একটি, যেখানে দুই দলের খেলোয়াড়রা একে অপরের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি ধস্তাধস্তি করেন। যার ফলে তারা প্রায়ই মাথায় আঘাত পান।

থম্পসন ২০০২ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত ইংল্যান্ডের রাগবি দলের হয়ে খেলেছেন। ২০০৩ সালে ব্রিটিশ দলের হয়ে বিশ্বকাপ জেতেন তিনি। কিন্তু গত বছরই জানান, তিনি ২০০৩ সালে যে বিশ্ব জয় করেছিলেন তার কিছুই মনে করতে পারছেন না। থম্পসন এক সাক্ষাৎকারে জানান-পরবর্তী প্রজন্মের রাগবি খেলোয়াড়রা যেন তার মত এমন অবস্থায় না পরেন এবং রাগবিকে আরও নিরাপদ এ্ক খেলার রূপ দিতে তিনি নিজের মস্তিষ্ক দান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ, ২০২৬ জারি করা হয়েছে

মস্তিস্ক দান করলেন স্টিভ থম্পসন

সপ্রকাশিত হয়েছে: ০২:১১:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২১

ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপজয়ী রাগবি খেলোয়াড় স্টিভ থম্পসন স্মৃতিভ্রম বা ডিমেনশিয়া রোগে ভুগছেন। রাগবি খেলোয়াড়দের নাকি এই ধরনের রোগে ভোগার সম্ভাবনা খুবই বেশি দেখা যায়। থম্পসন তার মস্তিষ্কটি দান করেছেন ‘দি কানকাশন লিগাসি প্রজেক্ট’ এর ‘ব্রেন ব্যাঙ্কে’।

জেফ অ্যাশলে ফাউন্ডেশনের একটি সহযোগী এই প্রতিষ্ঠানটি প্রতিষ্ঠিত হয় প্রাক্তন রাগবি খেলোয়াড় জেফ অ্যাশলের নামে। যিনি ২০০২ সালে ডিমেনশিয়া বা স্মৃতিভ্রম রোগে ভুগে মারা যান।

জানা গেছে,‘দি কানকাশন লিগাসি’ প্রজেক্ট নামের সংগঠনটি থম্পসনের মস্তিষ্ক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করবে। তার মৃত্যুর পর মস্তিষ্কটি এই সংগঠনের কাছে দিয়ে দেওয়া হবে।এরপর গবেষণাগারে পরীক্ষা করে দেখা হবে খেলোয়াড়দের মধ্যে এই রোগের প্রভাব কতোটা।

গুলোর মধ্যে একটি, যেখানে দুই দলের খেলোয়াড়রা একে অপরের সঙ্গে সবচেয়ে বেশি ধস্তাধস্তি করেন। যার ফলে তারা প্রায়ই মাথায় আঘাত পান।

থম্পসন ২০০২ সাল থেকে ২০১১ সাল পর্যন্ত ইংল্যান্ডের রাগবি দলের হয়ে খেলেছেন। ২০০৩ সালে ব্রিটিশ দলের হয়ে বিশ্বকাপ জেতেন তিনি। কিন্তু গত বছরই জানান, তিনি ২০০৩ সালে যে বিশ্ব জয় করেছিলেন তার কিছুই মনে করতে পারছেন না। থম্পসন এক সাক্ষাৎকারে জানান-পরবর্তী প্রজন্মের রাগবি খেলোয়াড়রা যেন তার মত এমন অবস্থায় না পরেন এবং রাগবিকে আরও নিরাপদ এ্ক খেলার রূপ দিতে তিনি নিজের মস্তিষ্ক দান করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।