ঢাজা ০৪:২০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

ইতিহাস গড়া হলো না আইসল্যান্ডের

  • অনলাইন ডেক্স
  • সপ্রকাশিত হয়েছে: ১২:০৭:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১
  • ৫৬৭ শেয়ার

নারী সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন নিয়ে ইতিহাস গড়া হলো না আইসল্যান্ডের। সর্বশেষ ফল অনুযায়ী প্রথমে ধারণা করা হয়েছিল, সংসদের ৫২ শতাংশ আসনে জয়ী হয়েছেন নারী প্রার্থীরা। এর মধ্য দিয়ে বিশ্বের ৬ষ্ঠ এবং ইউরোপের প্রথম দেশ হিসেবে নারী সংখ্যাগরিষ্ঠ সংসদ পেতে যাচ্ছে দেশটি। তবে পুনরায় ভোট গণনার পর দেখা গেছে, ৪৭.৬ শতাংশ আসনে জয়ী হয়েছেন নারী প্রার্থীরা। খবর প্রকাশ করেছে বিবিসি ও বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৩০টি বা ৪৭.৬ শতাংশ আসনে জয়ী হয়েছেন নারী প্রার্থীরা। কিন্তু পূর্বের গণনায় বলা হয়েছিল, ৩৩টি বা ৫২ শতাংশ আসনে তারা জয়ী হয়েছেন। অর্থাৎ অল্পের জন্য ইতিহাস গড়া হলো না দেশটির। তবে আইসল্যান্ড এখন ইউরোপের মধ্যে সর্বোচ্চ শতাংশ নারী সাংসদ নিয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে।

এর আগে ২০১৭ সালের নির্বাচনে ২৪টি আসনে জয় পেয়েছিল নারীরা। এবার আরও ৬টি আসন বেড়ে ৩০টি হলো। এর আগে সর্বোচ্চ নারী সাংসদ পেয়েছিল সুইডেন। সেখানে নারীরা ৪৭ শতাংশ আসন দখল করেছে।

সর্বোচ্চ ৬১.৩ শতাংশ নারী সাংসদ আফ্রিকার দেশ রুয়ান্ডায়। এর পরই রয়েছে যথাক্রমে কিউবায় ৫৩.৪ শতাংশ ও নিকারাগুয়ায় ৫০.৬ শতাংশ।

আইসল্যান্ডের সংসদে আইনগতভাবে নারী প্রতিনিধি নির্বাচনের কোনো কোটা কিংবা সংরক্ষিত আসন নেই। তবে অধিকাংশ রাজনৈতিক দলেই নির্দিষ্টসংখ্যক নারী প্রার্থী দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। লিঙ্গসমতা সূচকেও দেশটি এগিয়ে রয়েছে। লিঙ্গসমতা নিয়ে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) সূচকে টানা ১২ বছরের মতো শীর্ষ স্থান দখল ধরে রেখেছে আইসল্যান্ড।

 

 

জনপ্রিয় সংবাদ

নতুন করে নেহার ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট ঘিরে আলোচনা

ইতিহাস গড়া হলো না আইসল্যান্ডের

সপ্রকাশিত হয়েছে: ১২:০৭:৪২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১

নারী সংখ্যাগরিষ্ঠ আসন নিয়ে ইতিহাস গড়া হলো না আইসল্যান্ডের। সর্বশেষ ফল অনুযায়ী প্রথমে ধারণা করা হয়েছিল, সংসদের ৫২ শতাংশ আসনে জয়ী হয়েছেন নারী প্রার্থীরা। এর মধ্য দিয়ে বিশ্বের ৬ষ্ঠ এবং ইউরোপের প্রথম দেশ হিসেবে নারী সংখ্যাগরিষ্ঠ সংসদ পেতে যাচ্ছে দেশটি। তবে পুনরায় ভোট গণনার পর দেখা গেছে, ৪৭.৬ শতাংশ আসনে জয়ী হয়েছেন নারী প্রার্থীরা। খবর প্রকাশ করেছে বিবিসি ও বার্তা সংস্থা রয়টার্স।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ৩০টি বা ৪৭.৬ শতাংশ আসনে জয়ী হয়েছেন নারী প্রার্থীরা। কিন্তু পূর্বের গণনায় বলা হয়েছিল, ৩৩টি বা ৫২ শতাংশ আসনে তারা জয়ী হয়েছেন। অর্থাৎ অল্পের জন্য ইতিহাস গড়া হলো না দেশটির। তবে আইসল্যান্ড এখন ইউরোপের মধ্যে সর্বোচ্চ শতাংশ নারী সাংসদ নিয়ে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে।

এর আগে ২০১৭ সালের নির্বাচনে ২৪টি আসনে জয় পেয়েছিল নারীরা। এবার আরও ৬টি আসন বেড়ে ৩০টি হলো। এর আগে সর্বোচ্চ নারী সাংসদ পেয়েছিল সুইডেন। সেখানে নারীরা ৪৭ শতাংশ আসন দখল করেছে।

সর্বোচ্চ ৬১.৩ শতাংশ নারী সাংসদ আফ্রিকার দেশ রুয়ান্ডায়। এর পরই রয়েছে যথাক্রমে কিউবায় ৫৩.৪ শতাংশ ও নিকারাগুয়ায় ৫০.৬ শতাংশ।

আইসল্যান্ডের সংসদে আইনগতভাবে নারী প্রতিনিধি নির্বাচনের কোনো কোটা কিংবা সংরক্ষিত আসন নেই। তবে অধিকাংশ রাজনৈতিক দলেই নির্দিষ্টসংখ্যক নারী প্রার্থী দেওয়ার নিয়ম রয়েছে। লিঙ্গসমতা সূচকেও দেশটি এগিয়ে রয়েছে। লিঙ্গসমতা নিয়ে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের (ডব্লিউইএফ) সূচকে টানা ১২ বছরের মতো শীর্ষ স্থান দখল ধরে রেখেছে আইসল্যান্ড।