ঢাজা ০৫:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

চাচা-ভাতিজার, ধান পাহারা দেওয়ার সময় বজ্রপাতে মৃত্যু

  • অনলাইন ডেস্ক
  • সপ্রকাশিত হয়েছে: ০১:৫৭:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ অক্টোবর ২০২১
  • ৬০৯ শেয়ার

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার পার্শ্ববর্তী লামা উপজেলার ফাইতং ইউনিয়নের বাঙ্গালী পাড়া এলাকায় টং ঘরে বসে ধানক্ষেত পাহারারত চাচা-ভাতিজা বজ্রপাতে নিহত হয়েছেন। সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত দুইজন হলেন- চকরিয়া উপজেলার লক্ষ্যারচর ইউনিয়নের উত্তর লক্ষ্যারচর ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব পাড়ার ইসহাক আহমদের ছেলে এনামুল হক (৫২) ও তার ভাতিজা নবী হোসেনের ছেলে শহীদুল ইসলাম (১৫)।
তারা দীর্ঘদিন ধরে লামার ফাইতং এলাকায় চাষাবাদ করে আসছিল। তারা রাতে বাস করত হাতি থেকে রক্ষা পেতে গাছের উপর তৈরি করা দ্বিতল বিশিষ্ট টং ঘরে। ঘটনার সময় তাদের পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা লক্ষ্যার চরের বাড়িতে থাকলেও চাচা-ভাতিজা টং ঘরের উপর বসে ধান পাহারা দিচ্ছিল। ওই সময় রাত সাড়ে ১২টার দিকে আকস্মিক বজ্রপাত হলে টং ঘরে এসে পড়ে। দুটি টংঘর সহ চাচা-ভাতিজা পুড়ে মারা যায়।

লক্ষ্যারচর ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নম্বর ওয়র্ডের ইউপি সদস্য জিয়াবুল করিম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

উল্লেখ্য, বজ্রপাত নিহত শহীদুল ইসলামের পিতা নবী হোসেন ৭ বছর আগে একই এলাকায় ধানক্ষেত পাহারা দিতে গিয়ে বন্যহাতির আক্রমণে মারা যান। ওই ঘটনার পর থেকে লম্বা গাছের উপরে টং ঘর তৈরি করে ক্ষেত-খামার পাহারা দিয়ে আসছিল তার পরিবারের লোকজন।

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ, ২০২৬ জারি করা হয়েছে

চাচা-ভাতিজার, ধান পাহারা দেওয়ার সময় বজ্রপাতে মৃত্যু

সপ্রকাশিত হয়েছে: ০১:৫৭:৩৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ অক্টোবর ২০২১

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার পার্শ্ববর্তী লামা উপজেলার ফাইতং ইউনিয়নের বাঙ্গালী পাড়া এলাকায় টং ঘরে বসে ধানক্ষেত পাহারারত চাচা-ভাতিজা বজ্রপাতে নিহত হয়েছেন। সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত দুইজন হলেন- চকরিয়া উপজেলার লক্ষ্যারচর ইউনিয়নের উত্তর লক্ষ্যারচর ৯ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব পাড়ার ইসহাক আহমদের ছেলে এনামুল হক (৫২) ও তার ভাতিজা নবী হোসেনের ছেলে শহীদুল ইসলাম (১৫)।
তারা দীর্ঘদিন ধরে লামার ফাইতং এলাকায় চাষাবাদ করে আসছিল। তারা রাতে বাস করত হাতি থেকে রক্ষা পেতে গাছের উপর তৈরি করা দ্বিতল বিশিষ্ট টং ঘরে। ঘটনার সময় তাদের পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা লক্ষ্যার চরের বাড়িতে থাকলেও চাচা-ভাতিজা টং ঘরের উপর বসে ধান পাহারা দিচ্ছিল। ওই সময় রাত সাড়ে ১২টার দিকে আকস্মিক বজ্রপাত হলে টং ঘরে এসে পড়ে। দুটি টংঘর সহ চাচা-ভাতিজা পুড়ে মারা যায়।

লক্ষ্যারচর ইউনিয়ন পরিষদের ৯ নম্বর ওয়র্ডের ইউপি সদস্য জিয়াবুল করিম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

উল্লেখ্য, বজ্রপাত নিহত শহীদুল ইসলামের পিতা নবী হোসেন ৭ বছর আগে একই এলাকায় ধানক্ষেত পাহারা দিতে গিয়ে বন্যহাতির আক্রমণে মারা যান। ওই ঘটনার পর থেকে লম্বা গাছের উপরে টং ঘর তৈরি করে ক্ষেত-খামার পাহারা দিয়ে আসছিল তার পরিবারের লোকজন।