ঢাজা ০৭:৩৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বাজিতপুরে আদিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষের জের: নিহত ১

  • অনলাইন ডেস্ক
  • সপ্রকাশিত হয়েছে: ০৫:৪২:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ নভেম্বর ২০২১
  • ৫৭০ শেয়ার

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার কৈলাগ ইউনিয়নের পূর্ব কৈলাগ ও রাহেলা গ্রাম বাসিদের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন একজন। উভয়পক্ষের আহত হয়েছে অন্তত শতাধিক। নিহত হলেন পূর্ব কৈলাগ গ্রামের মৃত আব্দর রহিমের ছেলে মোঃ শফিক মিয়া (৪৫)।

গুরুতর আহত তিনজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক। গুরুতর আহতরা হলেন, সেকান্দর আলীর ছেলে মস্তু মিয়া (৪৫), ছেনু মিয়ার ছেলে ছালমান মিয়া (২৬), ও ইমরান মিয়া (২৫) কে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনার খবর পাওয়ার পর বাজিতপুর থানার ওসি মাজহারুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে কুলিয়ারচর, কটিয়াদী ও কিশোরগঞ্জ থেকে একদল দাঙ্গা পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন। এই ঘটনাটি ঘটে কৈলাগ ইউনিয়নের পূর্ব কৈলাগ ও রাহেলা গ্রামের মাঝামাঝি স্থানে দুই দফা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এলাকাবাসী ও থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পূর্ব কৈলাগ গ্রামের সাবেক মেম্বার আলমগীর হোসেন ও রাহেলা গ্রামের রঙ্গু মিয়া গংদের মাঝে পূর্বের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গত বৃহস্পতিবার রাতে ও শুক্রবার সকালে দুই বার এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় দুই গ্রামের মধ্যে অন্তত অর্ধ শত বাড়ী ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে বলে এলাকাবাসীর সূত্রে জানা গেছে। পুলিশ এখনো ও পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। বাজিতপুর থানার ওসি মাজহারুল ইসলাম ঘটনা সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এখন এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে ও আইনশৃঙ্খলা শান্তি রয়েছে বলে উল্লেখ করেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রাম নগরে ৩৩০ দুষ্কৃতকারীর প্রবেশ ও অবস্থান নিষিদ্ধ ঘোষণা

বাজিতপুরে আদিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষের জের: নিহত ১

সপ্রকাশিত হয়েছে: ০৫:৪২:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ নভেম্বর ২০২১

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলার কৈলাগ ইউনিয়নের পূর্ব কৈলাগ ও রাহেলা গ্রাম বাসিদের মধ্যে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নিহত হয়েছেন একজন। উভয়পক্ষের আহত হয়েছে অন্তত শতাধিক। নিহত হলেন পূর্ব কৈলাগ গ্রামের মৃত আব্দর রহিমের ছেলে মোঃ শফিক মিয়া (৪৫)।

গুরুতর আহত তিনজনকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠিয়েছে জহুরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসক। গুরুতর আহতরা হলেন, সেকান্দর আলীর ছেলে মস্তু মিয়া (৪৫), ছেনু মিয়ার ছেলে ছালমান মিয়া (২৬), ও ইমরান মিয়া (২৫) কে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এই ঘটনার খবর পাওয়ার পর বাজিতপুর থানার ওসি মাজহারুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে কুলিয়ারচর, কটিয়াদী ও কিশোরগঞ্জ থেকে একদল দাঙ্গা পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে আনেন। এই ঘটনাটি ঘটে কৈলাগ ইউনিয়নের পূর্ব কৈলাগ ও রাহেলা গ্রামের মাঝামাঝি স্থানে দুই দফা সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এলাকাবাসী ও থানা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, পূর্ব কৈলাগ গ্রামের সাবেক মেম্বার আলমগীর হোসেন ও রাহেলা গ্রামের রঙ্গু মিয়া গংদের মাঝে পূর্বের আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে গত বৃহস্পতিবার রাতে ও শুক্রবার সকালে দুই বার এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ সময় দুই গ্রামের মধ্যে অন্তত অর্ধ শত বাড়ী ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনা ঘটেছে বলে এলাকাবাসীর সূত্রে জানা গেছে। পুলিশ এখনো ও পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি। বাজিতপুর থানার ওসি মাজহারুল ইসলাম ঘটনা সত্যতা স্বীকার করে বলেন, এখন এলাকায় পুলিশ মোতায়েন রয়েছে ও আইনশৃঙ্খলা শান্তি রয়েছে বলে উল্লেখ করেন।