ঢাজা ০৪:৪০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে হয়ে গেলো দেশের সবচেয়ে বড় বই পড়ার উৎসব।

আবদুর রহমান খান ইকবাল, বাজিতপুর প্রতিনিধি

এক সঙ্গে পাঁচ হাজার শিক্ষার্থী পড়লো মুক্তিযুদ্ধের প্রবন্ধ। বাজিতপুর উপজেলা প্রশাসন উদ্দেগে এক সাথে বই পড়া উদ্দেগ নিলেন প্রশাসন। আয়োজকরা বলছেন বই পড়া বাড়াতে এমন আয়োজন। মুখে হাসি আর হাতে বই শিক্ষাথীরা।

আবশেষে বই পড়া গুণজন সেটি এক সাথে সুর মিলেয়ে বই পড়া এভাবে বই পড়া উৎসাহিত হলে বই পড়া বাড়বে সরা বাংলাদেশে। উপকৃতি হবে দেশ ও জাতি এরা আগামী কালের দেশের ভবিষৎ। বাংলাদেশের সবচাইতে বই পড়া ইতিহাস গড়ল বাজিতপুর স্কুল শিক্ষাথীরা। এর আগামি দিনে ভবিষৎ ও ওদেরকে সুযোগ দেওয়া হক। সরকার যদি বই পড়া দিবস হিসাবে পালন করতে পারে এই দাবী করছে। উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক আজিমদ্দিন বিশ্বাস, ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার মোঃ হেলালদ্দীন আহমদ, বাজিতপুর উপজেলা নির্বাহী ভাস্কর দেবনাথ বাপ্পি, বাজিতপুর পৌরসভা মেয়র জনাব মো: আনোয়ার হোসেন ও গণ্যমান্য উপস্থিত ছিলেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

নতুন করে নেহার ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট ঘিরে আলোচনা

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুরে হয়ে গেলো দেশের সবচেয়ে বড় বই পড়ার উৎসব।

সপ্রকাশিত হয়েছে: ০৩:৩৬:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৩ নভেম্বর ২০২১
আবদুর রহমান খান ইকবাল, বাজিতপুর প্রতিনিধি

এক সঙ্গে পাঁচ হাজার শিক্ষার্থী পড়লো মুক্তিযুদ্ধের প্রবন্ধ। বাজিতপুর উপজেলা প্রশাসন উদ্দেগে এক সাথে বই পড়া উদ্দেগ নিলেন প্রশাসন। আয়োজকরা বলছেন বই পড়া বাড়াতে এমন আয়োজন। মুখে হাসি আর হাতে বই শিক্ষাথীরা।

আবশেষে বই পড়া গুণজন সেটি এক সাথে সুর মিলেয়ে বই পড়া এভাবে বই পড়া উৎসাহিত হলে বই পড়া বাড়বে সরা বাংলাদেশে। উপকৃতি হবে দেশ ও জাতি এরা আগামী কালের দেশের ভবিষৎ। বাংলাদেশের সবচাইতে বই পড়া ইতিহাস গড়ল বাজিতপুর স্কুল শিক্ষাথীরা। এর আগামি দিনে ভবিষৎ ও ওদেরকে সুযোগ দেওয়া হক। সরকার যদি বই পড়া দিবস হিসাবে পালন করতে পারে এই দাবী করছে। উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক আজিমদ্দিন বিশ্বাস, ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার মোঃ হেলালদ্দীন আহমদ, বাজিতপুর উপজেলা নির্বাহী ভাস্কর দেবনাথ বাপ্পি, বাজিতপুর পৌরসভা মেয়র জনাব মো: আনোয়ার হোসেন ও গণ্যমান্য উপস্থিত ছিলেন।