ঢাজা ০৫:০৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

আইসিইউতে জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম

  • অনলাইন ডেস্ক
  • সপ্রকাশিত হয়েছে: ০১:০৫:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২১
  • ৫৮৯ শেয়ার

জাতীয় অধ্যাপক ও বাংলা একাডেমির সভাপতি রফিকুল ইসলামকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের আইসিইউতে নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার রাত ১০টার দিকে তার ছেলে বর্ষণ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘বাবাকে ৩ দিন আগে নিউমোনিয়ার সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করি। সমস্যা জটিলতার দিকে যাওয়ায় চিকিৎসক তাকে আজ আইসিইউতে স্থানান্তর করেছেন। অধ্যাপক শুভাশিষের তত্ত্বাবধানে আছেন তিনি।’ তিনি আরও জানান, গত ৭ অক্টোবর অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম পেটে ব্যথা নিয়ে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার ফুসফুসে পানি ধরা পড়ে। সেখানেই কিছুদিন চিকিৎসার পর তাকে বাসায় নেওয়া হয়। অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রথম নজরুল অধ্যাপক এবং নজরুল গবেষণা কেন্দ্রের প্রথম পরিচালক ছিলেন। চলতি বছর মাতৃভাষা সংরক্ষণ, পুনরুজ্জীবন, বিকাশ, চর্চা, প্রচার-প্রসারে অবদান রাখায় তাকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা পদক’ দেওয়া হয়। সাহিত্যে গবেষণার জন্য তিনি একুশে পদক, বাংলা একাডেমিসহ অসংখ্য পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন।

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ, ২০২৬ জারি করা হয়েছে

আইসিইউতে জাতীয় অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম

সপ্রকাশিত হয়েছে: ০১:০৫:৩৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২১

জাতীয় অধ্যাপক ও বাংলা একাডেমির সভাপতি রফিকুল ইসলামকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালের আইসিইউতে নেওয়া হয়েছে। শুক্রবার রাত ১০টার দিকে তার ছেলে বর্ষণ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘বাবাকে ৩ দিন আগে নিউমোনিয়ার সমস্যা নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করি। সমস্যা জটিলতার দিকে যাওয়ায় চিকিৎসক তাকে আজ আইসিইউতে স্থানান্তর করেছেন। অধ্যাপক শুভাশিষের তত্ত্বাবধানে আছেন তিনি।’ তিনি আরও জানান, গত ৭ অক্টোবর অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম পেটে ব্যথা নিয়ে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। সেখানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর তার ফুসফুসে পানি ধরা পড়ে। সেখানেই কিছুদিন চিকিৎসার পর তাকে বাসায় নেওয়া হয়। অধ্যাপক রফিকুল ইসলাম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের প্রথম নজরুল অধ্যাপক এবং নজরুল গবেষণা কেন্দ্রের প্রথম পরিচালক ছিলেন। চলতি বছর মাতৃভাষা সংরক্ষণ, পুনরুজ্জীবন, বিকাশ, চর্চা, প্রচার-প্রসারে অবদান রাখায় তাকে ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা পদক’ দেওয়া হয়। সাহিত্যে গবেষণার জন্য তিনি একুশে পদক, বাংলা একাডেমিসহ অসংখ্য পুরস্কার ও সম্মাননা পেয়েছেন।