ঢাজা ০৩:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২২ জানুয়ারী ২০২৬, ৮ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নব্বইয়ের ঘরে চারবার আউট মুশফিক, তিনবারই চট্টগ্রামে!

  • অনলাইন ডেস্ক
  • সপ্রকাশিত হয়েছে: ০১:৪৩:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২১
  • ৫৩৮ শেয়ার

পাকিস্তানের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৯১ রান করে আউট হয়েছেন মুশফিকুর রহিম। এর মাধ্যমে টেস্ট ক্রিকেটে নার্ভাস নাইন্টিতে চারবার আউট হলেন এ উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান। তবে দুঃভাগ্যজনক সত্য যে যে চারবার তিনি নব্বইয়ের ঘরে আউট হয়েছেন এর মধ্যে তিনবার তিনি চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে আউট হয়েছেন।

২০১০ সালে জহুর আহমেদে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলতে নামে টাইগাররা। ওই ম্যাচে প্রথম ইনিংসে ৭৯ রান করার পন দ্বিতীয় ইনিংসে তিনি আউট হন ৯৫ রানে। সেবার মাত্র ৫ রানের আক্ষেপে পুড়তে হয় তাকে।  ক্যারিয়ারে দ্বিতীয়বার তিনি নব্বইয়ের ঘরে আউট হন ২০১৩ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। হারারে স্পোর্টস মাঠে সেবার তিনি ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসে ৯৩ রান করে আউট হন। প্রথম ইনিংসে করেছিলেন ৬০ রান। তৃতীয়বার তার সঙ্গে এমন ঘটনা ঘটে ২০১৮ সালে এই চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামেই। সেবার চট্টগ্রামে শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ। ওই ম্যাচের  প্রথম ইনিংসে  ৯২ রান করেন তিনি। তবে এরপর দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ২ রানে আউট হন। আর আজ চতুর্থবার এই চট্টগ্রামেই সেঞ্চুরির খুব কাছে গিয়ে আবার হতাশ হতে হলো। এখন পর্যন্ত সাতবার সেঞ্চুরি করেছেন (দুইবার ডাবল সেঞ্চুরি)। যদি এই চারটি ইনিংসও আরেকটু লম্বা করতে পারতেন তাহলে তার সেঞ্চুরির সংখ্যা হতো ১১টি। মুশফিক যদি আজকের ম্যাচটিতে আর একটি রান করতে পারতেন তাহলে তামিমকে টপকে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হয়ে যেতে পারতেন। কিন্তু সেটি হলো না।
জনপ্রিয় সংবাদ

নতুন করে নেহার ইঙ্গিতপূর্ণ পোস্ট ঘিরে আলোচনা

নব্বইয়ের ঘরে চারবার আউট মুশফিক, তিনবারই চট্টগ্রামে!

সপ্রকাশিত হয়েছে: ০১:৪৩:২৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ নভেম্বর ২০২১

পাকিস্তানের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম ইনিংসে ৯১ রান করে আউট হয়েছেন মুশফিকুর রহিম। এর মাধ্যমে টেস্ট ক্রিকেটে নার্ভাস নাইন্টিতে চারবার আউট হলেন এ উইকেটরক্ষক ব্যাটসম্যান। তবে দুঃভাগ্যজনক সত্য যে যে চারবার তিনি নব্বইয়ের ঘরে আউট হয়েছেন এর মধ্যে তিনবার তিনি চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে আউট হয়েছেন।

২০১০ সালে জহুর আহমেদে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে খেলতে নামে টাইগাররা। ওই ম্যাচে প্রথম ইনিংসে ৭৯ রান করার পন দ্বিতীয় ইনিংসে তিনি আউট হন ৯৫ রানে। সেবার মাত্র ৫ রানের আক্ষেপে পুড়তে হয় তাকে।  ক্যারিয়ারে দ্বিতীয়বার তিনি নব্বইয়ের ঘরে আউট হন ২০১৩ সালে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে। হারারে স্পোর্টস মাঠে সেবার তিনি ম্যাচের দ্বিতীয় ইনিংসে ৯৩ রান করে আউট হন। প্রথম ইনিংসে করেছিলেন ৬০ রান। তৃতীয়বার তার সঙ্গে এমন ঘটনা ঘটে ২০১৮ সালে এই চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামেই। সেবার চট্টগ্রামে শ্রীলঙ্কার মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ। ওই ম্যাচের  প্রথম ইনিংসে  ৯২ রান করেন তিনি। তবে এরপর দ্বিতীয় ইনিংসে মাত্র ২ রানে আউট হন। আর আজ চতুর্থবার এই চট্টগ্রামেই সেঞ্চুরির খুব কাছে গিয়ে আবার হতাশ হতে হলো। এখন পর্যন্ত সাতবার সেঞ্চুরি করেছেন (দুইবার ডাবল সেঞ্চুরি)। যদি এই চারটি ইনিংসও আরেকটু লম্বা করতে পারতেন তাহলে তার সেঞ্চুরির সংখ্যা হতো ১১টি। মুশফিক যদি আজকের ম্যাচটিতে আর একটি রান করতে পারতেন তাহলে তামিমকে টপকে সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক হয়ে যেতে পারতেন। কিন্তু সেটি হলো না।