ঢাজা ০৭:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬, ৫ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

‘সমতার বাংলাদেশ এইডস ও অতিমারি হবে শেষ’-বিশ্ব এইডস দিবস

  • অনলাইন ডেস্ক
  • সপ্রকাশিত হয়েছে: ০১:১৮:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ ডিসেম্বর ২০২১
  • ৫৭৫ শেয়ার

আজ ১ ডিসেম্বর, বিশ্ব এইডস দিবস। প্রতিবারের মতো এবারও স্বাস্থ্যবিধি মেনে বাংলাদেশ দিবসটি পালন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বছর দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারিত হয়েছে ‘সমতার বাংলাদেশ এইডস ও অতিমারি হবে শেষ’। ১৯৮৮ সাল থেকে এইডসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ও জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে বিশ্বে এ দিবসটি পালন করে থাকে।

দিবসটি উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক পৃথক বাণী দিয়েছেন। এছাড়া আজ সকাল সাড়ে ১০টায় বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস মিলনায়তনে আলোচনাসভার আয়োজন করা হয়েছে। সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী চলতি বছরের এইডস পরিস্থিতি তুলে ধরবেন। পাশাপাশি আসিডিডিআর,বি, ব্রাক, সেভ দ্যা চিলড্রেনসহ বেসরকারি সংস্থাগুলো সচেতনতামূলক বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।

বাংলাদেশে জাতীয় এইডস/এসটিডি কন্ট্রোল প্রোগ্রামের তথ্য মতে, বাংলাদেশে ১৯৮৯ সালে রোগটি প্রথম ধরা পড়ে। ধারণা করা হয়, বর্তমান দেশে ১৪ হাজার এইডস আক্রান্ত রোগী রয়েছে। এর মধ্যে ২০২০ সালে ৬০ হাজার ৪২৮ জন ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে পরীক্ষা আওতায় আনা হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য মতে, ২০২০ সালে বিশ্বে এইচআইভি আক্রান্ত মানুষের আনুমানিক সংখ্যা ছিল ৩ কোটি ৭৭ লাখ। গত বছর এইচআইভির কারণে ৬ লাখ ৮০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয় এবং ১৫ লাখ মানুষ নতুন করে সংক্রমিত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে ৭৩ শতাংশ অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল থেরাপি (এআরটি) পেয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রাম নগরে ৩৩০ দুষ্কৃতকারীর প্রবেশ ও অবস্থান নিষিদ্ধ ঘোষণা

‘সমতার বাংলাদেশ এইডস ও অতিমারি হবে শেষ’-বিশ্ব এইডস দিবস

সপ্রকাশিত হয়েছে: ০১:১৮:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ ডিসেম্বর ২০২১

আজ ১ ডিসেম্বর, বিশ্ব এইডস দিবস। প্রতিবারের মতো এবারও স্বাস্থ্যবিধি মেনে বাংলাদেশ দিবসটি পালন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বছর দিবসের প্রতিপাদ্য নির্ধারিত হয়েছে ‘সমতার বাংলাদেশ এইডস ও অতিমারি হবে শেষ’। ১৯৮৮ সাল থেকে এইডসের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ও জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে বিশ্বে এ দিবসটি পালন করে থাকে।

দিবসটি উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক পৃথক বাণী দিয়েছেন। এছাড়া আজ সকাল সাড়ে ১০টায় বাংলাদেশ কলেজ অব ফিজিশিয়ানস অ্যান্ড সার্জনস মিলনায়তনে আলোচনাসভার আয়োজন করা হয়েছে। সভায় স্বাস্থ্যমন্ত্রী চলতি বছরের এইডস পরিস্থিতি তুলে ধরবেন। পাশাপাশি আসিডিডিআর,বি, ব্রাক, সেভ দ্যা চিলড্রেনসহ বেসরকারি সংস্থাগুলো সচেতনতামূলক বিভিন্ন কর্মসূচি হাতে নিয়েছে।

বাংলাদেশে জাতীয় এইডস/এসটিডি কন্ট্রোল প্রোগ্রামের তথ্য মতে, বাংলাদেশে ১৯৮৯ সালে রোগটি প্রথম ধরা পড়ে। ধারণা করা হয়, বর্তমান দেশে ১৪ হাজার এইডস আক্রান্ত রোগী রয়েছে। এর মধ্যে ২০২০ সালে ৬০ হাজার ৪২৮ জন ঝুঁকিপূর্ণ জনগোষ্ঠীকে পরীক্ষা আওতায় আনা হয়েছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য মতে, ২০২০ সালে বিশ্বে এইচআইভি আক্রান্ত মানুষের আনুমানিক সংখ্যা ছিল ৩ কোটি ৭৭ লাখ। গত বছর এইচআইভির কারণে ৬ লাখ ৮০ হাজার মানুষের মৃত্যু হয় এবং ১৫ লাখ মানুষ নতুন করে সংক্রমিত হয়েছে। আক্রান্তদের মধ্যে ৭৩ শতাংশ অ্যান্টিরেট্রোভাইরাল থেরাপি (এআরটি) পেয়েছে।