• বৃহস্পতিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৪, ০৬:০৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম
সুশৃঙ্খল নিয়ম-নীতির নামাজ অন্যায় কাজ থেকে বিরত রাখে মানুষের কৃতকর্ম ও গুনাহের ফল হিসেবে আখ্যা দেয়- বৃষ্টি চেয়ে নামাজ পড়ার নিয়ম বাশফুল থেকে চালের উৎপাদন সম্ভব- বাশ চাল পুষ্টিগুণ অনেক সমীচীন নয় দুনিয়ার গিবত পরকালের আপদ সারাদেশে কমছেই না গরমের তীব্রতা, ফের বাড়ল ‘হিট অ্যালার্ট’–এর মেয়াদ সালমানের বাড়িতে গুলি হামলার ঘটনায় দ্বিতীয় অস্ত্র উদ্ধার গত মঙ্গলবার সাংবাদিকদের ওপর হামলার ঘটনায় শিল্পী সমিতির দুঃখ প্রকাশ শেষ লিভারপুলের শিরোপা স্বপ্ন এভারটনের মাঠে হেরে প্রায়  এবার চেন্নাইয়ের মাঠেও দুশ্চিন্তা বাড়াচ্ছেন মুস্তাফিজও আমেরিকাকে বেকায়দায় ইরানের হাতে নতুন অস্ত্র, রেহাই পাবে না আমেরিকার ‘অদৃশ্য’ যুদ্ধবিমানও!

বিশ্বের সবচেয়ে বড় সাংবাদিক নিপীড়ক চীন: রিপোর্টার্স উইথআউট বর্ডার

অনলাইন ডেস্ক / ৩০০ Time View
Update : বুধবার, ৮ ডিসেম্বর, ২০২১

চীন ‘বিশ্বের সবচেয়ে বড় সাংবাদিক নিপীড়ক’। আর করোনা মহামারীকালে বিশ্বব্যাপী সংবাদপত্রের বিধিনিষেধ পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। রিপোর্টার্স উইথআউট বর্ডার (আরএসএফ) নতুন এক প্রতিবেদনে এসব কথা বলেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চীনে বর্তমানে অন্তত ১২৭ জন সাংবাদিক কারাগারে বন্দি আছেন। চীন বিশ্বব্যাপী সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ‘নিপীড়নের ভয়ঙ্কর কর্মসূচি’ চালাচ্ছে। যদিও চীন সাংবাদিক ও নাগরিক সাংবাদিকদের এই গ্রেপ্তারের স্বপক্ষে অজুহাত দেয় এই বলে যে, গ্রেপ্তারকৃতরা বিশৃঙ্খলা তৈরি করতে উসকানি দিয়েছে।  করোনা নিয়ে প্রতিবেদন করায় উহানের অন্তত ১০ জন সাংবাদিক ও অনলাইন কমেন্টেটরকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এদের মধ্যে একজন হলেন সাবেক আইনজীবী ঝ্যাং ঝান। ২০২০ সালের ফেব্রুয়ারিতে করোনা প্রাদুর্ভাবের সময় উহানের জীবন নিয়ে স্থানীয় এক বাসিন্দার অনলাইন পোস্ট পড়ে তিনি সেখানে গিয়েছিলেন। কর্তৃপক্ষের হুমকি সত্ত্বেও সেখানে পৌঁছেই তিনি রাস্তাঘাট ও হাসপাতালে যা যা দেখেছেন তা লাইভ করতে ছিলেন এবং অনলাইনে সে সম্পর্কে লিখতে ছিলেন। তার করা ওই প্রতিবেদনগুলো সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপকভাবে শেয়ার হয়েছিল। পরে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয় তিনি ‘ঝগড়া বাধানো ও সমস্যাকে উসকানি’ দিয়েছেন। তথ্য নিয়ন্ত্রণে সরকারি প্রচেষ্টাকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখানো হিসেবে দেশটিতে অ্যাক্টিভিস্ট ও তথ্য ফাঁসকারীদের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ তোলার ঘটনা নিয়মিতই ঘটে। ৪২ পৃষ্ঠার ওই প্রতিবেদনে আরএসএফ এটাও দেখিয়েছে, চীনা কর্তৃপক্ষ কিভাবে  সন্ত্রাসবিরোধী যুদ্ধ স্লোগানকে ব্যবহার করে জিনজিয়াং নিয়ে প্রতিবেদন করা উইঘুর সাংবাদিকদের গ্রেপ্তার করেছে।  চীনের বিরুদ্ধে সংখ্যাগরিষ্ঠ উইঘুর অঞ্চলে মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ করা হয়। আর চীন বলে তারা বিচ্ছিন্নতাবাদী ও ইসলামি উগ্রপন্থীদের নির্মূল করে।  কোন কোন কৌশলে সাংবাদিকদের ওপর দেশটি নিপীড়ন চালায় তাও প্রতিবেদনে তালিকা করে দেখানো হয়েছে। যেমন- সাংবাদিকদের আক্রমণ করতে  বিদেশে থাকা কূটনৈতিক মিশনকে ব্যবহার করা, সংবাদমাধ্যমের টুঁটি চেপে ধরা, বিভিন্ন বিষয়ের উপর নজরদারি আরোপ, জোরপূর্বক স্থানীয় সাংবাদিকদের কমিউনিস্ট পার্টির আদর্শ পড়ানো, মুঠোফোনে প্রোপাগান্ডা অ্যাপ ডাউনলোড করানো এবং সাংবাদিকদের বহিষ্কার বা ভয় দেখানো। আরএসএফ ওয়ার্ল্ড প্রেস ফ্রিডম ইনডেক্স-২০২১ এ চীনকে ১৮০টি দেশের মধ্যে ১৭৭ নম্বরে রেখেছে। যা উত্তর কোরিয়া থেকে মাত্র দুই ধাপ উপরে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা