ঢাজা ০৫:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৯ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

যেসব খাবারে অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকি বেশি

  • অনলাইন ডেস্ক
  • সপ্রকাশিত হয়েছে: ০৫:৪২:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২১
  • ৫৪৬ শেয়ার

খাদ্য বা খাবার মানুষের বেঁচে থাকার জন্য অপরিহার্য। তবে সেই একই খাদ্য মাঝেমধ্যে অসুস্থতার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আর যেসব খাদ্য থেকে আমরা অসুস্থ হতে পারি এমন প্রধান বা টপ ৫ ধরনের খাবারের তালিকা দিয়েছেন বিশেষজ্ঞগণ। আর তা হচ্ছে ডিম, সবজি, ফল, মাছ ও মাংস।

বাংলাদেশে প্রতি বছর কত লোক খাবার খেয়ে অসুস্থ হয় তার পরিসংখ্যান নেই। তবে আমেরিকানরা গবেষণায় খাদ্যবাহিত রোগের একটি পরিসংখ্যান দিয়েছে। সেদেশে বছরে প্রায় ১ কোটি লোক খাদ্যবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়। আর যেসব খাদ্য থেকে অসুস্থ হয় তা হচ্ছে – এক. প্রতি বছর ১ লাখ ৪০ হাজার আমেরিকান ডিম খেয়ে অসুস্থ হন। কারণ ডিম যদি যথাযথভাবে সংরক্ষণ না করা হয় তাহলে এ ধরনের ডিম খেয়ে অসুস্থ হতে পারেন। দুই. সবুজ শাকসবজি বা গ্রিন লিফি ভেজিটেবল থেকে বিশ্বের একনম্বর ফুড রিলেটেড ইলনেস তৈরি হয়। তাই এ ধরনের সবজি আহারের সময় হাইজিনিক কিনা তা দেখতে হবে। বিশেষ করে সালাদ তৈরির সময়। তিন. ফল থেকেও খাদ্যবাহিত রোগ হয়। তাই ফল আহারের সময় ফলের খোসা আহার না করা ভালো। চার. মাছ থেকেও অসুস্থতা হতে পারে। বিশেষ করে গ্রোসারি শপ থেকে কেনা মাছ। এসব মাছ বারবার এক শেলফ থেকে অন্য শেলফে পরিবর্তন করার কারণে দূষণের শিকার হয়। পাঁচ. মাংস থেকেও খাদ্যবাহিত রোগ হয়। তাই হাইজিনিকভাবে পশু জবাই না করা হলে এবং জবাই খানার পরিবেশ স্বাস্থ্যসম্মত না থাকলে মাংস থেকেও মারাত্মক ফুডপয়জনিং হতে পারে। তাই যে কোনো ধরনের ফ্রেশ খাবার হাইজিনিকভাবে তৈরি ও রন্ধন অত্যন্ত জরুরি। অন্যথায় ফুডপয়জনিংসহ খাদ্যবাহিত রোগের ঝুঁকি থেকে যাবে। লেখক: চুলপড়া, অ্যালার্জি, চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ।

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি অধ্যাদেশ, ২০২৬ জারি করা হয়েছে

যেসব খাবারে অসুস্থ হওয়ার ঝুঁকি বেশি

সপ্রকাশিত হয়েছে: ০৫:৪২:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ ডিসেম্বর ২০২১

খাদ্য বা খাবার মানুষের বেঁচে থাকার জন্য অপরিহার্য। তবে সেই একই খাদ্য মাঝেমধ্যে অসুস্থতার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আর যেসব খাদ্য থেকে আমরা অসুস্থ হতে পারি এমন প্রধান বা টপ ৫ ধরনের খাবারের তালিকা দিয়েছেন বিশেষজ্ঞগণ। আর তা হচ্ছে ডিম, সবজি, ফল, মাছ ও মাংস।

বাংলাদেশে প্রতি বছর কত লোক খাবার খেয়ে অসুস্থ হয় তার পরিসংখ্যান নেই। তবে আমেরিকানরা গবেষণায় খাদ্যবাহিত রোগের একটি পরিসংখ্যান দিয়েছে। সেদেশে বছরে প্রায় ১ কোটি লোক খাদ্যবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়। আর যেসব খাদ্য থেকে অসুস্থ হয় তা হচ্ছে – এক. প্রতি বছর ১ লাখ ৪০ হাজার আমেরিকান ডিম খেয়ে অসুস্থ হন। কারণ ডিম যদি যথাযথভাবে সংরক্ষণ না করা হয় তাহলে এ ধরনের ডিম খেয়ে অসুস্থ হতে পারেন। দুই. সবুজ শাকসবজি বা গ্রিন লিফি ভেজিটেবল থেকে বিশ্বের একনম্বর ফুড রিলেটেড ইলনেস তৈরি হয়। তাই এ ধরনের সবজি আহারের সময় হাইজিনিক কিনা তা দেখতে হবে। বিশেষ করে সালাদ তৈরির সময়। তিন. ফল থেকেও খাদ্যবাহিত রোগ হয়। তাই ফল আহারের সময় ফলের খোসা আহার না করা ভালো। চার. মাছ থেকেও অসুস্থতা হতে পারে। বিশেষ করে গ্রোসারি শপ থেকে কেনা মাছ। এসব মাছ বারবার এক শেলফ থেকে অন্য শেলফে পরিবর্তন করার কারণে দূষণের শিকার হয়। পাঁচ. মাংস থেকেও খাদ্যবাহিত রোগ হয়। তাই হাইজিনিকভাবে পশু জবাই না করা হলে এবং জবাই খানার পরিবেশ স্বাস্থ্যসম্মত না থাকলে মাংস থেকেও মারাত্মক ফুডপয়জনিং হতে পারে। তাই যে কোনো ধরনের ফ্রেশ খাবার হাইজিনিকভাবে তৈরি ও রন্ধন অত্যন্ত জরুরি। অন্যথায় ফুডপয়জনিংসহ খাদ্যবাহিত রোগের ঝুঁকি থেকে যাবে। লেখক: চুলপড়া, অ্যালার্জি, চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ।