• সোমবার, ০৪ মার্চ ২০২৪, ০৮:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম
কাহালু থেকে চুরি যাওয়া সার শাজাহান পুর হতে উদ্ধার গ্রেফতার-৩ গাইবান্ধায় ট্রাকের ধাক্কায় মোটরসাইকেলের দুই আরোহী নিহত কুমিল্লা সাংবাদিক ফোরাম, ঢাকা’র নেতৃত্বে সাজ্জাদ-মোশাররফ বেইলী রোডে অগ্নিকাণ্ডে একই পরিবারের পাঁচ জনের নিভে গেলো জীবন প্রদীপ। রাজধানীর বেইলি রোডে আগুনে নিহতদের মধ্যে ৩৯ জনের পরিচয় মিলেছে নতুন ৭ প্রতিমন্ত্রী কে কোন মন্ত্রণালয়ে দেশের প্রথম নারী অর্থ প্রতিমন্ত্রী হলেন ওয়াসিকা আয়শা খান পেকুয়ায় যুবককে ফিল্মস্টাইলে কুপিয়েছে দুর্বৃত্তরা লক্ষ্মীপুরের জকসিন বাজারে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড। সিরাজগঞ্জে সরকারী নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে কবীর হোসাইনের কোচিং বানিজ্য রমরমা

নাটক নির্মাণে ঝুঁকছেন অডিও ব্যবসায়ীরা

বিনোদন ডেস্ক / ৪১ Time View
Update : বুধবার, ১৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২২

নাজমুন মুনিরা ন্যান্‌সি- বাংলা রোমান্টিক গানের ডাহুককণ্ঠী শিল্পী। মূলত পেস্ন-ব্যাকের গায়িকা হলেও তার গানে মরমীর মর্মের কথা শোনা যায়। বর্তমান কাজসহ নানা বিষয়ে এই শিল্পীর সঙ্গে কথা বলেন মাতিয়ার রাফায়েল কেমন চলছে নতুন গান-বাজনা? আলহামদুলিলস্নাহ, ভালো। কোভিডের কারণে গত দুটি বছরে সবই তো সেস্না হয়ে গেছে। মাঝে করপোরেট লেভেলে কাজের একটা ফ্লো আসলেও আবার সেটাও স্থবির। নিজেও কোভিড থেকে মাত্রই সেরে উঠলাম। এর মধ্যেও ভালোবাসা দিবসে আমার একটি গান প্রকাশ হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু যেখান থেকে প্রকাশ হওয়ার কথা ছিল, জানি না- তারা সেটা করেছে কি না। কোভিডের মধ্যেও তো অনেকের অনেক গান প্রকাশ পাচ্ছে! আমার গানও প্রকাশিত হয়েছে। তবে সীমিত পরিসরে। বাজেটেও তো মিলতে হবে। আমাদের একটা রেট আছে। আমি তো সেই রেটের নিচে নামতে পারি না। সীমিত যন্ত্রাংশ ও তিন-চারজন মিউজিশিয়ান নিয়ে গান করতে পারি না। নিজের টাকায় বাড়তি যন্ত্রাংশ ও মিউজিশিয়ান নিতে পারি না। পেস্ন-ব্যাকও হবে কী করে? সিনেমাও কমতে কমতে প্রায় শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে। অ্যালবামের বাজারটি তো শেষই হয়ে গেল। গানও এখন অন্যদিকে মোড় নিয়েছে- তাই তো! সেটাই তো এখন হয়ে দাঁড়িয়েছে। আগে যারা গান প্রকাশের ব্যবসা করতেন তারা ঝুঁকেছেন নাটক নির্মাণে। তখন গানের সুযোগ কোথায়? নাটকেই বা কী হচ্ছে? দুই-চারটি চরিত্র দিয়ে তারা একই কিচ্ছা-কাহিনী এদিক-সেদিক ঘুরিয়ে নাটক ছাড়ছে। কারণ, স্পন্সর না থাকায় বাজেট নেই। এখন আমি লাইভে উপস্থিত হবো- নিজের টাকায়? আমার তো পরিচিতির দরকার নেই। টাকা খরচ করে গান গাওয়া কি আমার জন্য জরুরি? তখন স্বল্প বাজেটে কী হচ্ছে? ফলে এখানেও একই গান, একই কথা ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বারবার গাওয়া হচ্ছে। আমার তো শস্তার তিন অবস্থা হওয়ার ইচ্ছে নেই। তার মানে আপনি একটা উভয় সংকটে পড়েছেন? হঁ্যা, হঁ্যা- ঠিক তাই। শিল্পী হিসেবে আমার একটা কোয়ালিটি থাকায় সেটার দায়বদ্ধতা থেকেও তো আমি যা-তা গাইতে পারছি না। আবার স্বল্প বাজেটে আগের মতো কথা, যন্ত্রাংশ, মিউজিশিয়ান হয় না। গানের আবেদনও বদলে গেছে। খুব কাজ করব সেটাও হয় না- একেবারেই করব না- সেটাও হয় না। আমাদের যে বাজেট, সেটার কমেও হয় না। হাজব্যান্ডের আয়ের সঙ্গে নিজের আয় না থাকলেও হয় না। তারপরও সীমিত সুযোগেও চালিয়ে যাচ্ছি। রেকর্ডিংয়ে তো কোনো বাধা নেই। সেটাই করে যাচ্ছি। সুবর্ণ সময় পেরিয়ে বিবর্ণ হওয়ার কারণ কী? আপনারা তো জানেন, আমার নামে ভিন্ন পরিচয় আছে। ফলে একটা সিন্ডিকেট আমার সুযোগ কেড়ে নিচ্ছে। সরকারি পর্যায়ের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানগুলোতে আমাকে ডাকা হয় না। বিজয় দিবস থেকে শুরু করে যত দিবসে অনুষ্ঠান হয়- কোথাও নেওয়া হয় না। আগে বুঝিনি এমন হবে। তখন বয়স কম থাকায় বোকার মতো ভুল করেছি। কিন্তু তাতে তো আমার কণ্ঠের তারতম্য হয়নি! তখন বুঝতাম, যারা গানের শ্রোতা- তারা শিল্পীর কণ্ঠ, গায়কীই দেখেন। অন্য কিছু নয়। সাধারণ পর্যায়ে তাই হয়। ঝামেলাটা ওপরের- যারা সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করেন। এটা সব সরকারের সময়েই হয়। এখন এটা বুঝেই আমাকে স্ট্রাগল করে যেতে হবে।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা