গাইবান্ধার ফুলছড়ি উপজেলার সমাজসেবা অফিসের কর্মচারী আবুল কাসেম কর্তৃক প্রতিবন্ধী কার্ড ও ভাতার তালিকা ভুক্তির আশ্বাসে প্রতিবন্ধীর নিকট থেকে উৎকোচ গ্রহণের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ সূত্তে জানা যায়,শারীরিক প্রতিবন্ধী আজাদুল দীর্ঘদিন থেকে শারীরিক বিভিন্ন অসুস্থতায় ভুগছেন। তার স্ত্রী আকলিমা বেগম প্রতিবন্ধী কার্ডের জন্য ফুলছড়ি সমাজসেবা অফিসে গেলে তার সাথে পরিচয় হয় অফিস কর্মচারী (এমএলএসএস) আবুল কাসেমের সাথে। এসময় আকলিমা বেগমের বাড়ি ঠিকানা নেয় কাসেম।কয়েকদিন পর আবুল কাসেম আকলিমার বাড়িতে গিয়ে প্রতিবন্ধী কার্ড ও ভাতার কথা বলে পাঁচ হাজার টাকার দাবি করলে কাড পাওয়ার আশায় আকলিমা পার্শ্ববর্তী এক প্রতিবেশীর কাছ থেকে ধার করে টাকা নিয়ে এসে আবুল কাসেমের হাতে দেয়। এরপর থেকে আকলিমা প্রতিবন্ধী কার্ডের জন্য কয়েকদিন ধরে সমাজসেবা অফিসে ঘুরঘুর করলেও কোন কার্ড পায়নি।কয়েকদিন পর আকলিমা আবার সমাজসেবা অফিসে গেলে আবুল কাসেম আকলিমাকে হাতে লেখা একটা ভূয়া প্রতিবন্ধী কার্ড ধরিয়ে দেন এবং তার নিকট আরও দশহাজার টাকা দাবি করেন বলে অভিযোগ করেন আকলিমা। দশ হাজার টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানায় এবং আগের ৫ হাজার টাকা ফেরত চান। এতে আবুল কাসেম তাকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি প্রদর্শন করে এবং জীবন নাশের হুমকি দেন। এ বিষয়ে আকলিমা জেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা বরাবরে একটি অভিযোগপত্র দাখিল করেন। এ বিষয়ে অভিযুক্তকারী সমাজসেবা অফিসের কর্মচারী আবুল কাশেমের যোগাযোগ করলে তিনি বলেন, আমি কাজটি করে দেওয়ার জন্য শুধু এক হাজার টাকা নিয়েছি। হাতে লেখা হলেও প্রতিবন্ধী কার্ড অনলাইনে আছে পরবর্তী সময়ে কম্পিউটার প্রিন্ট কার্ড হবে। এ প্রসঙ্গে জেলা সমাজসেবা অফিসার মো ফজলুল হকের মুঠোফোন কথা হলে তিনি বলেন, আমি একটি অভিযোগ পেয়েছি। যদি ওই ঘটনার সাথে আবুল কাশেম জড়িত থাকে তাহলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।