
র্যাব-১২ এর অভিযানে বগুড়ায় ধর্ষণ মামলার গ্রেফতার কৃত আসামি মুন্না (১৯) বগুড়া সদর উপজেলার রাজাপুর এলাকার মোঃ আব্দুল মমিনের ছেলে।
এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন র্যাব-১২ বগুড়ার কোম্পানী কমান্ডার পুলিশ সুপার মীর মনির হোসেন।
বুধবার (২২ মে) র্যাব-১২ বগুড়ার পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে বগুড়ার শেরপুর উপজেলার শেরপুর বাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মুন্না জানায়, বিদেশে পাড়ি দেওয়ার জন্য সে গোপনে ঢাকায় গিয়ে পাসপোর্ট, মেডিকেল সম্পন্ন করেছে।
গ্রেফতারকৃত আসামির বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য বগুড়া সদর থানায় পাটানো হয়েছে।
উল্লেখ্য যে, গত ১ মে বগুড়া সদর উপজেলার রাজাপুর গ্রামে এক স্কুল পড়ুয়া ছাত্রী সন্ধ্যা সাড়ে ৭ টার দিকে তার চাচার বাড়িতে যাচ্ছিল।
ভুক্তভোগী ছাত্রী তার চাচার বাড়ির সামনে পৌঁছলে মুন্না তাকে রান্না দেখানোর ছলে নিজের বাড়িতে নিয়ে যায়। মুন্নার বাড়িতে কোন লোকজন না থাকায় ভুক্তভোগী ছাত্রী সেখান থেকে চলে আসার চেষ্টা করে। তখন মুন্না তাকে সুকৌশলে তার শয়ন ঘরে নিয়ে যায় এবং জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এরপর এ ঘটনায় স্থানীয়ভাবে কয়েকবার সালিশ বৈঠক হয়।
কিন্তু বিষয়টি স্থানীয়ভাবে সুরাহা না হওয়ায় ভুক্তভোগীর বাবা বাদী হয়ে গত ১৩ মে বগুড়া সদর থানায় একটি মামলা দায়ের করেন।সদর থানার মামলা নং-৩৮, তারিখ-১৩/০৫/২০২৪ খ্রিঃ,ধারা- ২০০০ সালের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন সংশোধনী/(২০০৩) এর ৯(১) রুজু হয়।
এ ঘটনার পর থেকেই র্যাব আসামীকে আইনের আওতায় নিয়ে আসতে গোয়েন্দা নজরদারী শুরু করে। এরই ফলশ্রুতিতে ২১ মে ২০২৪ ইং তারিখ ২২০০ ঘটিকায় র্যাব-১২, সিপিএসসি বগুড়ার নেতৃতে একটি আভিযানিক দল বগুড়া জেলার শেরপুর থানাধীন শেরপুর বাজার এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে ধর্ষক মোঃ মুন্না (১৯), পিতা- মোঃ আব্দুল মমিন, সাং- রাজাপুর, থানা ও জেলা- বগুড়া’কে গ্রেফতার করতে সমর্থ হয়।
ধৃত আসামী আইন শৃঙ্খলা বাহিনীর চোখ এড়িয়ে বিদেশে পাড়ি দেওয়ার উদ্দেশ্যে ঢাকায় গিয়ে পাসপোর্ট, মেডিকেল সম্পন্ন করে গোপনে বগুড়া ফেরত আসছিল। গ্রেফতারকৃত আসামীর বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য সদর থানা, বগুড়ায় সোপর্দ করা হয়েছে।
মোঃ ওয়াসিম রেজা, বগুড়া জেলা প্রতিনিধি 




















