• বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪, ০১:১৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম
দেশের ক্ষুদ্র–মাঝারি উদ্যোক্তারা পাবেন ৫০ লাখ টাকা পর্যন্ত ঋণ, যেসব যোগ্যতা লাগবে ৭ দিনেও নৌ যোগাযোগ নেই, সেন্টমার্টিনে ফুরিয়ে আসছে চালের মজুদ প্রতিবারের মতো ঈদে চ্যানেল আইতে নতুন ৭ চলচ্চিত্র জঙ্গি হামলার ঘৃণার বিরুদ্ধে অবস্থান পাকিস্তানি অভিনেত্রীকে খুশবু খানকে গুলি করে হত্যা মহিলাদের নামাযের পোশাক কেমন হবে! ঈদকে সামনে রেখে সোনাগাজীতে নিত্যপণ্যের বাজার অস্থির আগামী শুক্রবার মক্কায় তাপমাত্রা ৪৪ ডিগ্রি, হজযাত্রীদের মানতে হবে যে নির্দেশনা শীর্ষ কমান্ডার নিহতের জেরে ইসরায়েলে শতাধিক রকেট ছুড়ল হিজবুল্লাহ যুক্তরাষ্ট্রের আহ্বানে গাজায় যুদ্ধবিরতির প্রস্তাবের প্রতিক্রিয়া জানাল হামাস ও পিআইজে

ঘূর্ণিঝড় রিমালে ক্ষতিগ্রস্ত ৩৬ লাখ শিশু: সেভ দ্য চিলড্রেন

অনলাইন ডেস্ক / ১১ Time View
Update : মঙ্গলবার, ২৮ মে, ২০২৪

ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে প্রবল বৃষ্টি ও জলোচ্ছ্বাস বাংলাদেশের উপকূলীয় এলাকায় ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছে। যেখানে প্রায় ৮৪ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর মধ্যে ৩৬ লাখই শিশু। তাদের জরুরি সাহায্য প্রয়োজন বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থা সেভ দ্য চিলড্রেন।

আজ মঙ্গলবার রাতে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানিয়েছে সংস্থাটি।

সেভ দ্য চিলড্রেন বলছে, বাংলাদেশের দক্ষিণের উপকূলীয় নিম্নাঞ্চলে ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে গত রবিবার ভারী বৃষ্টিপাত হয় এবং গতকাল সোমবার পর্যন্ত বাতাসের গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় প্রায় ১৩৫ কিলোমিটার পর্যন্ত। স্থানীয় কর্তৃপক্ষের মতে এই ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে প্রায় ৮৪ লাখ মানুষ, যার মধ্যে প্রায় ৩৬ লাখই শিশু। ঝড়ের পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে প্রায় ৮ লাখ মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে এবং ৭৮ হাজার স্বেচ্ছাসেবককে ত্রাণ তৎপরতায় সহায়তা করার জন্য নিযুক্ত করা হয়েছে। ঝড়ের প্রভাবে ব্যাপক জলোচ্ছ্বাসের কারণে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙে যাওয়ায় এই অঞ্চলের মানুষ আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে আটকা পড়েছে।

সংকট কাটিয়ে উঠতে সেভ দ্য চিলড্রেন, বাংলাদেশ-এর একটি জরুরি স্বাস্থ্যসেবা দলসহ মোট চারটি দল পটুয়াখালী, বরগুনা ও সাতক্ষীরায় ঘূর্ণিঝড় রেমাল আক্রান্ত মানুষের সহায়তায় কাজ করছে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়।

সেভ দ্য চিলড্রেন, বাংলাদেশ-এর কান্ট্রি ডিরেক্টর সুমন সেনগুপ্ত বলেছেন, ‘এই ঘুর্ণিঝড়ের ক্ষয়ক্ষতি আবারও প্রমাণ করে আবহাওয়ার দিক দিয়ে বাংলাদেশ কতটা ঝুঁকির মধ্যে আছে। গত মাসে শিশুরা যেখানে অত্যধিক গরমে কষ্ট পেয়েছে তেমনি এখন তাদের মোকাবিলা করতে হচ্ছে জলাবদ্ধতা এবং ঘুর্ণিঝড়ের অন্যান্য ধ্বংসযজ্ঞকে। তাপপ্রবাহের কারণে কিছুদিন আগে তাদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো বন্ধ করা হয়েছিল, এখন সেগুলো আবারও বন্ধ হয়ে গেল জরুরি আশ্রয়কেন্দ্রের কারণে।’

তিনি বলেন, ‘হাজার হাজার স্থানীয় স্বেচ্ছাসেবক দিনরাত অক্লান্ত পরিশ্রম করে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ মানুষটিকেও ঘুর্ণিঝড় আশ্রয়কেন্দ্রে নিয়ে যেতে পেরেছে। ফলে অনেক মূল্যবান জীবন রক্ষা করা গেছে। কিন্তু জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে এ ধরনের দুর্যোগের সংখ্যা এবং তীব্রতা যেভাবে দিনদিন বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে বিপন্ন হচ্ছে শিশুর জীবন ও অধিকার।’

বিশ্বনেতাদেরকে অবশ্যই জলবায়ু পরিবর্তনজনিত এই ধরনের বিপর্যয়ের মূল কারণ খুঁজে বের করে তা মোকাবিলার পদক্ষেপ নিতে হবে বলেও উল্লেখ করেন সুমন সেনগুপ্ত।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা