ঢাজা ১২:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২৩ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

বগুড়ায় শিশু ধর্ষণ মামলার আসামি নুরুর দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

বগুড়ার বহুল আলোচিত ৬ বছরের দুই শিশুকে ধর্ষণ ও ধর্ষণের চেষ্টা মামলার আসামি মো. নূর ইসলামকে দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। সোমবার (১৭ মার্চ) দুপুরে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-৩ এর বিচারক সুমাইয়া সিদ্দিকা শুনানি শেষে রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেন।

বগুড়া কোর্ট ইন্সপেক্টর মোসাদ্দেক হোসেন জানান এসব তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, আজ দুপুরে বগুড়া ডিবি পুলিশ নুরুকে আদালতে নিয়ে আসে। এরপর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নুরুকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন জানান। আদালত শুনানির পর দুই দিনের রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেন।

এদিকে রোববার রাতে ডিবি ও কাহালু থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে কাহালুর পাইকড় এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হয় নুরু। এর আগে গেলো ১৩ মার্চ দুই শিশু বাড়ির সামনে খেলাধুলা করছিল। এই সময় মুখোরচক খাবার দেওয়ার প্রলোভনে তাদের নিজ বাড়িতে নিয়ে এক শিশুকে ধর্ষণ করে নুর ইসলাম। অন্য শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টায় ব্যার্থ হলে ঘটনাটি কাওকে বলতে নিষেধ করে এবং বললে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। পরদিন বৃহষ্পতিবার ধর্ষণের শিকার শিশু জ্বরে আক্রান্ত হলে বিষয়টি টের পায় পরিবার। পরে ঘটনাটি জানাজানি হলে অভিযুক্ত নুর ইসলাম এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়৷ শুক্রবার রাতে ধর্ষণের এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে নুর ইসলামকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

প্রবাসী ভোটারদের ৩ লাখ ৭৯ হাজারের বেশি পোস্টাল ব্যালট দেশে পৌঁছেছে

বগুড়ায় শিশু ধর্ষণ মামলার আসামি নুরুর দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর

সপ্রকাশিত হয়েছে: ০৪:৪৪:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৭ মার্চ ২০২৫

বগুড়ার বহুল আলোচিত ৬ বছরের দুই শিশুকে ধর্ষণ ও ধর্ষণের চেষ্টা মামলার আসামি মো. নূর ইসলামকে দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। সোমবার (১৭ মার্চ) দুপুরে সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট-৩ এর বিচারক সুমাইয়া সিদ্দিকা শুনানি শেষে রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেন।

বগুড়া কোর্ট ইন্সপেক্টর মোসাদ্দেক হোসেন জানান এসব তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, আজ দুপুরে বগুড়া ডিবি পুলিশ নুরুকে আদালতে নিয়ে আসে। এরপর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নুরুকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৫ দিনের রিমান্ড আবেদন জানান। আদালত শুনানির পর দুই দিনের রিমান্ড আবেদন মঞ্জুর করেন।

এদিকে রোববার রাতে ডিবি ও কাহালু থানা পুলিশের যৌথ অভিযানে কাহালুর পাইকড় এলাকা থেকে গ্রেপ্তার হয় নুরু। এর আগে গেলো ১৩ মার্চ দুই শিশু বাড়ির সামনে খেলাধুলা করছিল। এই সময় মুখোরচক খাবার দেওয়ার প্রলোভনে তাদের নিজ বাড়িতে নিয়ে এক শিশুকে ধর্ষণ করে নুর ইসলাম। অন্য শিশুকে ধর্ষণের চেষ্টায় ব্যার্থ হলে ঘটনাটি কাওকে বলতে নিষেধ করে এবং বললে প্রাণনাশের হুমকি দেয়। পরদিন বৃহষ্পতিবার ধর্ষণের শিকার শিশু জ্বরে আক্রান্ত হলে বিষয়টি টের পায় পরিবার। পরে ঘটনাটি জানাজানি হলে অভিযুক্ত নুর ইসলাম এলাকা ছেড়ে পালিয়ে যায়৷ শুক্রবার রাতে ধর্ষণের এ ঘটনায় পরিবারের পক্ষ থেকে নুর ইসলামকে আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়।