ছয় ছাত্রদল নেতা বহিষ্কার, একজন প্রার্থী সরে দাঁড়ালেন; শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশা সৎ ও যোগ্য নেতৃত্ব
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনকে ঘিরে ক্যাম্পাসজুড়ে বিরাজ করছে উৎসবমুখর পরিবেশ। দীর্ঘদিন পর নিজেদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে যাচ্ছেন শিক্ষার্থীরা। ফলে হল থেকে ক্লাসরুম—সব জায়গায় এখন আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু ডাকসু নির্বাচন।
তবে নির্বাচনকে ঘিরে কিছু নাটকীয় ঘটনাও ঘটছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদল ইতোমধ্যে ছয় নেতাকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাশাপাশি একজন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন। এতে নির্বাচনী সমীকরণে পরিবর্তন আসতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার (চীফ রিটার্নিং কর্মকর্তা) জানিয়েছেন, “ডাকসু নির্বাচন একটি মডেল নির্বাচন হিসেবে অনুষ্ঠিত হবে। এখানে স্বচ্ছতা ও অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হবে।”
অন্যদিকে ভিপি প্রার্থী মোসাদ্দেকসহ কয়েকজন প্রার্থী প্রশাসনকে কঠোর হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তাদের দাবি, শৃঙ্খলা বজায় রাখা গেলে শিক্ষার্থীরা নির্ভয়ে ভোট দিতে পারবেন।
শিক্ষার্থীদের প্রত্যাশাও স্পষ্ট—তারা চান নতুন নেতৃত্ব যেন প্রকৃত অর্থেই তাদের সমস্যার সমাধান করে।
-
সমাজবিজ্ঞান বিভাগের একজন ছাত্র বলেন, “আমরা চাই ডাকসু শুধু রাজনৈতিক এজেন্ডায় সীমাবদ্ধ না থেকে ছাত্রদের অধিকার নিয়ে কাজ করুক।”
-
আইন বিভাগের একজন ছাত্রী বলেন, “আবাসন সমস্যা, পরিবহন সংকট ও লাইব্রেরি সেবার উন্নয়ন জরুরি। নতুন নেতৃত্ব এ বিষয়গুলোকে অগ্রাধিকার দেবে বলে আশা করছি।”
-
অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষার্থী আরিফ হোসেনের মতে, “ক্যাম্পাসে সহাবস্থান নিশ্চিত করা খুবই জরুরি। আমরা চাই যারা নির্বাচিত হবেন তারা যেন সবার জন্য কাজ করেন।”
আগাম আভাসে দেখা যাচ্ছে, ভিপি ও জিএস পদে বড় দুটি ছাত্র সংগঠনের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি প্রতিদ্বন্দ্বিতা হতে পারে। সহ-সভাপতি ও অনুষদ প্রতিনিধি পদে নতুন মুখের উত্থানের সম্ভাবনাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। সব মিলিয়ে ডাকসুতে নতুন-পুরনো নেতৃত্বের সমন্বয়ে একটি ভারসাম্যপূর্ণ পরিষদ গঠিত হবে বলে আশা করা হচ্ছে।
মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের আটটি কেন্দ্রে একযোগে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে।
জি.এম.ফারুক 





















