ঢাজা ০৬:৫৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৭ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

লৌহজং থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ মনিরুজ্জামানের সাংবাদিকের ক্যামেরা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা

লৌহজং থানার ওসি (তদন্ত) মোঃ মনিরুজ্জামান গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি ক্ষুব্ধ হয়ে একজন সাংবাদিকের ক্যামেরা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে অসদাচরণ করে ধাক্কা দিয়ে রুম থেকে বের করে দেন এবং দরজা বন্ধ করে দেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
একজন ভিকটিমের মারামারির ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে ওসি তদন্ত মনিরুজ্জামান সাংবাদিকদের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। তিনি জানান যে, মামলা–সংক্রান্ত বিষয়ে তিনি কোনো কথা বলতে রাজি নন এবং কেন মামলাটি গ্রহণ করা হয়নি—সেই বিষয়েও তিনি কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান।
সাংবাদিকরা তার কক্ষের সামনে দাঁড়িয়ে থাকলে তিনি আরও উত্তেজিত হয়ে তাদের সঙ্গে বাদানুবাদে জড়ান এবং ক্যামেরা ও মাইক্রোফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। উত্তেজিত হয়ে তিনি সাংবাদিকদের ধাক্কা দিয়ে বলতে থাকেন, “আপনারা যা পারেন করেন, আমাকে কিছু করা এত সহজ নয়।” এরপর তিনি কক্ষের দরজা বন্ধ করে দেন।
পরে বাইরে এসে তিনি সাংবাদিকদের নানা হুমকি–ধামকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন এবং বলেন, “সকলকে দেখে নেবো। আপনাদের মতো সাংবাদিকরা আমাকে যা করবেন করেন, আমিও আপনাদের দেখে নেবো। সাংবাদিকদের পেটানো আমার অভ্যাস আছে। কতগুলো মামলা দিতে পারেন, তা দেখবো।”

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

বক্তব্য দিতে দিতেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক আবুল হাশেম

লৌহজং থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোঃ মনিরুজ্জামানের সাংবাদিকের ক্যামেরা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা

সপ্রকাশিত হয়েছে: ০৮:৪০:১৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১৫ নভেম্বর ২০২৫

লৌহজং থানার ওসি (তদন্ত) মোঃ মনিরুজ্জামান গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি ক্ষুব্ধ হয়ে একজন সাংবাদিকের ক্যামেরা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে অসদাচরণ করে ধাক্কা দিয়ে রুম থেকে বের করে দেন এবং দরজা বন্ধ করে দেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
একজন ভিকটিমের মারামারির ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে ওসি তদন্ত মনিরুজ্জামান সাংবাদিকদের ওপর ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন। তিনি জানান যে, মামলা–সংক্রান্ত বিষয়ে তিনি কোনো কথা বলতে রাজি নন এবং কেন মামলাটি গ্রহণ করা হয়নি—সেই বিষয়েও তিনি কথা বলতে অস্বীকৃতি জানান।
সাংবাদিকরা তার কক্ষের সামনে দাঁড়িয়ে থাকলে তিনি আরও উত্তেজিত হয়ে তাদের সঙ্গে বাদানুবাদে জড়ান এবং ক্যামেরা ও মাইক্রোফোন ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। উত্তেজিত হয়ে তিনি সাংবাদিকদের ধাক্কা দিয়ে বলতে থাকেন, “আপনারা যা পারেন করেন, আমাকে কিছু করা এত সহজ নয়।” এরপর তিনি কক্ষের দরজা বন্ধ করে দেন।
পরে বাইরে এসে তিনি সাংবাদিকদের নানা হুমকি–ধামকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন এবং বলেন, “সকলকে দেখে নেবো। আপনাদের মতো সাংবাদিকরা আমাকে যা করবেন করেন, আমিও আপনাদের দেখে নেবো। সাংবাদিকদের পেটানো আমার অভ্যাস আছে। কতগুলো মামলা দিতে পারেন, তা দেখবো।”