ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনালে দুর্দান্ত জয় তুলে নিল পাকিস্তান। শ্রীলংকাকে ৬ উইকেটে হারিয়ে শিরোপা নিশ্চিত করে বাবর আজমরা। পাকিস্তান ১১৫ রানের লক্ষ্য ছুঁয়ে ফেলে ১৯তম ওভারে, এর আগে তাদের বোলাররা শ্রীলংকার শেষ ৯ উইকেট মাত্র ৩০ রানে শেষ করে।
ম্যাচের প্রথমার্ধে ভালো শুরু করেছিল শ্রীলংকা। ১১তম ওভারে তারা ছিল ৮৪-১। কিন্তু মোহাম্মদ নওয়াজের বলে কুসাল মেন্ডিসকে বাবরের অবিশ্বাস্য ক্যাচে আউট হওয়ার পরই হুড়মুড় করে ভেঙে পড়ে শ্রীলংকার ইনিংস। স্পিনে বিপর্যয় আরও বাড়ান আবরার আহমেদ-এক ওভারে কুসাল পেরেরা ও পবন রথনায়েকেকে আউট করেন। এরপর সাইম আইয়ুবের হাতে ধরা পড়েন দলের সর্বোচ্চ রান করা কামিল মিশারা। নওয়াজ ফিরে এসে বোল্ড করেন জানিথ লিয়ানাগে ও হসারাঙ্গাকে।
লংকানদের পতনের ভয়াবহ চিত্র-টানা সাতটি জুটি ছয় রান বা তারও কমে গুটিয়ে গেছে। শেষ পর্যন্ত ১৯.১ ওভারে তাদের সংগ্রহ থামে মাত্র ১১৪ রানে। মিশারা ৪৭ বলে ৫৯ রান করেও দলের বিপর্যয় ঠেকাতে পারেননি।
পাকিস্তানের জয়ে ব্যাট হাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন অধিনায়ক বাবর আজম। যদিও তার ৩৪ বলে অপরাজিত ৩৭ রান টি–টোয়েন্টির দিক থেকে ঝলমলে নয়, তবুও চাপহীন রান তাড়ায় ছিল দারুণ উপযোগী। ওপেনার সাহিবজাদা ফারহান ও সাইম আইয়ুব শুরুতে ৪৬ রানের জুটি গড়েন। আইয়ুব করেন ৩৬ রান। এরপর বাবর ঠাণ্ডা মাথায় দলকে বিজয়ের বন্দরে পৌঁছে দেন।
ফিল্ডিংয়েও ছিলেন অনবদ্য বাবর-মেন্ডিসকে বাউন্ডারি লাইনে দারুণ ক্যাচ, মিশারাকে দৌড়ে এসে ডাইভ দিয়ে ধরা, আর রথনায়েকেকে আউট করতে বৃত্তের ভেতরে লাফিয়ে অসাধারণ ক্যাচ।
সব মিলিয়ে পাকিস্তানের নিয়ন্ত্রিত বোলিং আর শান্ত ব্যাটিংয়ে ফাইনালটা একতরফা হয়ে যায়।
সংক্ষিপ্ত স্কোর:
পাকিস্তান ১১৮/৪ (বাবর ৩৭*, আয়ুব ৩৬, রথনায়েকে ২–১১)
শ্রীলংকা ১১৪ অলআউট (মিশারা ৫৯, নবাজ ৩–১৭, শাহীন ৩–১৮, আবরার ২–১৮)
পাকিস্তান জিতেছে ৬ উইকেটে।