
কুলিয়ারচর স্টেশনে নতুন স্টেশন মাস্টার হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর মাত্র এক মাসেই মোহাম্মদ মানিক ভাই স্টেশনটিকে চোখে পড়ার মতোভাবে বদলে ফেলেছেন। তিনি সত্যিকারের একজন দায়িত্বশীল ও ভালো মানুষ—এটা স্টেশনের প্রতিটি পরিবর্তনই প্রমাণ করে।
আগে যে জায়গাগুলো ময়লা-আবর্জনায় ভরা থাকতো, সেখানে এখন সবজি ও ফলের ছোট ছোট বাগান তৈরি করা হয়েছে। যাত্রীদের বসার স্থান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা হচ্ছে, যা আগে খুবই অবহেলিত ছিল। স্টেশন প্রাঙ্গণের প্লাটপ্লাটফর্ম থেকে প্রতিদিন ময়লা পরিষ্কার করা হয়। বিশ্রামাগারের ভিতরের পরিবেশও আগের তুলনায় এখন অনেক উন্নত—নতুন ফ্যান লাগানো হয়েছে, টয়লেট প্রতিদিন নিয়মিত পরিষ্কার রাখা হয়।
এক সময় সন্ধ্যার পর স্টেশন এলাকায় মাদকসেবীদের আনাগোনা ছিল নিয়মিত ঘটনা। মানিক ভাই দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকেই এগুলো কঠোরভাবে বন্ধ করে দিয়েছেন। টিকিট কালোবাজারির দৌরাত্ম্যও অনেকটাই কমে গেছে। ঠিক এ কারণেই অসাধু কিছু ব্যক্তি তাঁর বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর চেষ্টা করছে। কিন্তু সত্য হলো—মানিক ভাই একজন সৎ, পরিশ্রমী এবং যাত্রীবান্ধব স্টেশন মাস্টার।
যাত্রীদের কোনো সমস্যা থাকলে সবাই একসঙ্গে একাত্ম হয়ে মাস্টার সাহেবের সঙ্গে কথা বললেই তিনি নিঃসন্দেহে সমাধান করে দেন। স্টেশনের উন্নয়ন তাঁর প্রথম অগ্রাধিকার—এটাই তিনি কাজে প্রমাণ করছেন।
কুলিয়ারচর স্টেশন আজ যে পরিবর্তনের পথে, তার মূল কারিগর হলেন আমাদের স্টেশন মাস্টার মোহাম্মদ মানিক ভাই। আমরা আশা করি তিনি আরও অনেক উন্নয়ন করে স্টেশনটিকে একটি মডেল স্টেশন হিসেবে গড়ে তুলবেন।
ইকবাল খান, স্টাফ রিপোটার, কিশোরগঞ্জ 





















