
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, রাজমিস্ত্রির ছেলে হয়েও তিনি এমপি নির্বাচনে অংশ নিচ্ছেন, এটিই তার জন্য সবচেয়ে বড় বিষয়। তিনি আরও বলেন, “বাপ মন্ত্রী হবে, আমি মন্ত্রী হব, আমার নাতি মন্ত্রী হবে—তার পরেরটাও মন্ত্রী হবে—এর জন্য বাংলাদেশ আর অপেক্ষা করবে না। যোগ্য এবং যাকে মানুষ চাইবে, মানুষ তাকেই ভোট দেবে। কেউ যদি আমাকে পাথর মারে, আমরা তাকে ফুল দিয়ে বরণ করব। কেউ গালি দিলে তাকে সালাম দেব। বাকিটা আল্লাহর হাতে।”
মঙ্গলবার (২ ডিসেম্বর) সন্ধ্যায় দেবীদ্বারের সুলতানপুর ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকায় এনসিপির পদযাত্রা ও গণসংযোগ শেষে ‘উঠানে রাজনীতি’ শীর্ষক বৈঠকে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি। কুমিল্লা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মো. আতাউল্লাহসহ দেবীদ্বার উপজেলা এনসিপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, “আমাদের মায়েরা যারা রান্নাবান্না করেন, চাকরিজীবী, কৃষক, শ্রমিক ভাইয়েরা নেতা বানায়, কিন্তু নির্বাচনের পর তাদের মানুষ মনে করে না। আমরা এনসিপি বাংলাদেশের এই কালচার পরিবর্তন করতে চাই। খেটে খাওয়া মানুষের প্রতিনিধি হতে এসেছি। আমার বড় বংশ নেই, টাকা-পয়সা নেই, বিদেশে পড়াশোনা করিনি। আপনাদের মধ্য থেকেই আমি বেড়ে উঠেছি—এটাই আমার বড় পরিচয়।”
তিনি ভোটারদের উদ্দেশ্যে বলেন, “আপনি ভোট দিতে সবাই একসঙ্গে যাবেন এবং একসঙ্গে বাড়ি আসবেন। নির্বাচনের আগে সকল প্রার্থীই ভালো কথা বলবে, আপনারা যাকে যোগ্য মনে করবেন, তাকেই ভোট দেবেন। ভোট কেন্দ্র দখল বা সহিংসতায় জড়াবেন না। পরিবারের মধ্যে সহিংসতায় জড়াবেন না। সামাজিকভাবে সবাই একে অপরের সঙ্গে মিলেমিশে থাকবেন।”
এর আগে দুপুরে ভানী ইউনিয়নের সূর্যপুর গ্রামে জুলাই আন্দোলনে শহীদ কাদির হোসেন সোহাগের বাড়িতে গিয়ে তার মা ও স্বজনদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন হাসনাত আবদুল্লাহ। পরে পদযাত্রা কর্মসূচির অংশ হিসেবে খাদঘর, সূর্যপুর, সাহারপাড়, ফুলতলি, নোয়াগাঁও, সাইতলা বাজার, বরাট, খিড়াইকান্দি, বক্রিকান্দি, কুরছাপ, আতাপুর ও সূর্যপুর এলাকায় গণসংযোগ ও পথসভা করেন তিনি।
কুমিল্লা, দেবীদ্বার: প্রতিনিধি 



















