ঢাজা ০৫:৫৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২০ জানুয়ারী ২০২৬, ৬ মাঘ ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নিরাপত্তা নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই : তারেক রহমান

  • অনলাইন ডেস্ক
  • সপ্রকাশিত হয়েছে: ০২:৪২:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৫
  • ৭০ শেয়ার

দেশে ফেরার সাথে সাথেই টপ লেভেল নিরাপত্তা পাবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বাংলাদেশে প্রবেশের পর বিমানবন্দর থেকে স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) সাথে পুলিশ, র‌্যাব ও গোয়েন্দা পুলিশের সমন্বয়ে বিশেষ নিরাপত্তা টিম সার্বক্ষণিক তারেক রহমানের নিরাপত্তায় পর্যায়ক্রমে দায়িত্ব পালন করবে। এরই মধ্যে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের নির্দেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তারা তারেক রহমানের সার্বিক নিরাপত্তা নিয়ে একাধিক বৈঠক করেছেন। বাংলাদেশের ভেতরে তার নিরাপত্তার কোনো ঝুঁকি বা হুমকি নেই বলে জানিয়েছেন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। সরকারের একাধিক সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। গোয়েন্দা সূত্র জানিয়েছে, তারেক রহমানের দেশে ফেরা নিয়ে নিরাপত্তা শঙ্কা নেই, তার ব্যক্তিগত কোনো নিরাপত্তা শঙ্কাও নেই। তিনি সর্বোচ্চ নিরাপত্তা পাবেন।

 

নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, দেশের জন্য এই মুহূর্তে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জন্যও বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশে এলে তার জন্য বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থার পদক্ষেপ নিতে হবে। এটি কোনো ব্যক্তি তারেক রহমানের নিরাপত্তার বিষয় নয়। কোনো দলের নেতা হিসেবেও নয়, জাতীর অপরিহার্য নেতা হিসেবে তার নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রয়োজন। এ মুহূর্তে দেশে নেতৃত্বশূন্যতা বিরাজ করছে। নেতৃত্ব দেয়ার মতো নেতার অভাব রয়েছে। একমাত্র তারেক রহমানই নেতৃত্বশূন্য দেশের নেতৃত্ব দেয়ার উপযুক্ত। ফলে দেশের প্রয়োজনে ও স্বার্থে সরকারের উচিত হবে, জাতীয় নেতা হিসেবে তারেক রহমানের বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা। নিরাপত্তা বিশ্লেষক সাবেক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মোস্তফা কামাল বলেন, দেশের জন্য এই মুহূর্তে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জন্যও বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশে এলে তার জন্য টপ লেভেল নিরাপত্তা ব্যবস্থার পদক্ষেপ নিতে হবে। তারেক রহমান কোনো দলের নেতা হিসেবে নয়, জাতীর অপরিহার্য নেতা হিসেবে তার নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রয়োজন। যদিও দেশের ভেতরে তার নিরাপত্তার কোনো হুমকি নেই। তবুও দেশের প্রয়োজনে এবং স্বার্থে সরকারের উচিত হবে, জাতীয় নেতা হিসেবে তারেক রহমানের টপ লেভেল নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা।

পুলিশ সদর দফতরের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, তারেক রহমানের নিরাপত্তা নিয়ে কোনো ঝুঁকি নেই। এ বিষয়ে আমরা বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তাদের সাথে একাধিক বৈঠক করে এবং তদন্তের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করেছি। বাংলাদেশের কোটি কোটি দেশপ্রেমিক নাগরিক তারেক রহমানের জন্য কাজ করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা বাহিনীর পাশাপাশি দেশের প্রতিটি নাগরিক তারেক রহমানের নিরাপত্তায় প্রস্তুত রয়েছে এমন তথ্য রয়েছে আমাদের কাছে।

একাধিক দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে, বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। খালেদা জিয়ার অসুস্থতার মধ্যে তার ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যেকোনো সময় দেশে ফিরতে পারেন। যদিও সম্প্রতি এক পোস্টে তারেক রহমান দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত তার ‘একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়’ বলে দাবি করেছেন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সূত্র জানিয়েছে, তারেক রহমানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। বাংলাদেশে প্রবেশের পর বিমানবন্দর থেকে তিনি স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ)-এর নিরাপত্তা পাবেন। এ ব্যাপারে সরকারি সিদ্ধান্ত সময়মতো নেওয়া হবে। বাংলাদেশে প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী বা সমমর্যাদার ব্যক্তিরা এই নিরাপত্তা পেয়ে থাকেন। সম্প্রতি বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে রাষ্ট্রের ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ ঘোষণা করে তাকে এসএসএফের নিরাপত্তা দিয়েছে সরকার। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে বিদেশে নেওয়ার মতো শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেবেন উল্লেখ করে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, পরিস্থিতি অপরিবর্তিত থাকলে শিগগিরই তারেক রহমান দেশে ফিরবেন বলে আশা করি।

দেশে ফিরতে তাকে বাংলাদেশের পাসপোর্ট ব্যবহার করতে হবে। অথবা ট্রাভেল পাস নিতে হবে। সরকার আগেই জানিয়েছিল, তারেক রহমান চাইলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে। মঙ্গলবার পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন সাংবাদিকদের প্রশ্নে বলেছেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ট্রাভেল পাস চাননি। তিনি চাইলেই ইস্যু হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়. তারেক রহমান দেশে ফিরলে ট্রাভেল পাস নয়. পাসপোর্ট নিয়ে ফিরতে চান। অন্যদিকে, মঙ্গলবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী সাংবাদিকদের জানান, বাংলাদেশে কারো কোনো নিরাপত্তার শঙ্কা নেই। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নিরাপত্তাঝুঁকি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দেশে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কার কোনো কারণ নেই।

জনপ্রিয় সংবাদ

বক্তব্য দিতে দিতেই মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন কুষ্টিয়া জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক আবুল হাশেম

নিরাপত্তা নিয়ে কোনো শঙ্কা নেই : তারেক রহমান

সপ্রকাশিত হয়েছে: ০২:৪২:২৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ ডিসেম্বর ২০২৫

দেশে ফেরার সাথে সাথেই টপ লেভেল নিরাপত্তা পাবেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বাংলাদেশে প্রবেশের পর বিমানবন্দর থেকে স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্সের (এসএসএফ) সাথে পুলিশ, র‌্যাব ও গোয়েন্দা পুলিশের সমন্বয়ে বিশেষ নিরাপত্তা টিম সার্বক্ষণিক তারেক রহমানের নিরাপত্তায় পর্যায়ক্রমে দায়িত্ব পালন করবে। এরই মধ্যে সরকারের উচ্চ পর্যায়ের নির্দেশে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থার শীর্ষ কর্মকর্তারা তারেক রহমানের সার্বিক নিরাপত্তা নিয়ে একাধিক বৈঠক করেছেন। বাংলাদেশের ভেতরে তার নিরাপত্তার কোনো ঝুঁকি বা হুমকি নেই বলে জানিয়েছেন গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। সরকারের একাধিক সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে। গোয়েন্দা সূত্র জানিয়েছে, তারেক রহমানের দেশে ফেরা নিয়ে নিরাপত্তা শঙ্কা নেই, তার ব্যক্তিগত কোনো নিরাপত্তা শঙ্কাও নেই। তিনি সর্বোচ্চ নিরাপত্তা পাবেন।

 

নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা বলছেন, দেশের জন্য এই মুহূর্তে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জন্যও বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশে এলে তার জন্য বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থার পদক্ষেপ নিতে হবে। এটি কোনো ব্যক্তি তারেক রহমানের নিরাপত্তার বিষয় নয়। কোনো দলের নেতা হিসেবেও নয়, জাতীর অপরিহার্য নেতা হিসেবে তার নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রয়োজন। এ মুহূর্তে দেশে নেতৃত্বশূন্যতা বিরাজ করছে। নেতৃত্ব দেয়ার মতো নেতার অভাব রয়েছে। একমাত্র তারেক রহমানই নেতৃত্বশূন্য দেশের নেতৃত্ব দেয়ার উপযুক্ত। ফলে দেশের প্রয়োজনে ও স্বার্থে সরকারের উচিত হবে, জাতীয় নেতা হিসেবে তারেক রহমানের বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা। নিরাপত্তা বিশ্লেষক সাবেক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মোস্তফা কামাল বলেন, দেশের জন্য এই মুহূর্তে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের জন্যও বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দেশে এলে তার জন্য টপ লেভেল নিরাপত্তা ব্যবস্থার পদক্ষেপ নিতে হবে। তারেক রহমান কোনো দলের নেতা হিসেবে নয়, জাতীর অপরিহার্য নেতা হিসেবে তার নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রয়োজন। যদিও দেশের ভেতরে তার নিরাপত্তার কোনো হুমকি নেই। তবুও দেশের প্রয়োজনে এবং স্বার্থে সরকারের উচিত হবে, জাতীয় নেতা হিসেবে তারেক রহমানের টপ লেভেল নিরাপত্তা ব্যবস্থা করা।

পুলিশ সদর দফতরের একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, তারেক রহমানের নিরাপত্তা নিয়ে কোনো ঝুঁকি নেই। এ বিষয়ে আমরা বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তাদের সাথে একাধিক বৈঠক করে এবং তদন্তের মাধ্যমে তথ্য সংগ্রহ করেছি। বাংলাদেশের কোটি কোটি দেশপ্রেমিক নাগরিক তারেক রহমানের জন্য কাজ করছেন। সার্বিক নিরাপত্তা বাহিনীর পাশাপাশি দেশের প্রতিটি নাগরিক তারেক রহমানের নিরাপত্তায় প্রস্তুত রয়েছে এমন তথ্য রয়েছে আমাদের কাছে।

একাধিক দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে, বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। খালেদা জিয়ার অসুস্থতার মধ্যে তার ছেলে ও বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যেকোনো সময় দেশে ফিরতে পারেন। যদিও সম্প্রতি এক পোস্টে তারেক রহমান দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত তার ‘একক নিয়ন্ত্রণাধীন নয়’ বলে দাবি করেছেন।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সূত্র জানিয়েছে, তারেক রহমানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে। বাংলাদেশে প্রবেশের পর বিমানবন্দর থেকে তিনি স্পেশাল সিকিউরিটি ফোর্স (এসএসএফ)-এর নিরাপত্তা পাবেন। এ ব্যাপারে সরকারি সিদ্ধান্ত সময়মতো নেওয়া হবে। বাংলাদেশে প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রী বা সমমর্যাদার ব্যক্তিরা এই নিরাপত্তা পেয়ে থাকেন। সম্প্রতি বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে রাষ্ট্রের ‘অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি’ ঘোষণা করে তাকে এসএসএফের নিরাপত্তা দিয়েছে সরকার। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে বিদেশে নেওয়ার মতো শারীরিক অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নেবেন উল্লেখ করে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, পরিস্থিতি অপরিবর্তিত থাকলে শিগগিরই তারেক রহমান দেশে ফিরবেন বলে আশা করি।

দেশে ফিরতে তাকে বাংলাদেশের পাসপোর্ট ব্যবহার করতে হবে। অথবা ট্রাভেল পাস নিতে হবে। সরকার আগেই জানিয়েছিল, তারেক রহমান চাইলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে। মঙ্গলবার পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন সাংবাদিকদের প্রশ্নে বলেছেন, বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ট্রাভেল পাস চাননি। তিনি চাইলেই ইস্যু হবে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়. তারেক রহমান দেশে ফিরলে ট্রাভেল পাস নয়. পাসপোর্ট নিয়ে ফিরতে চান। অন্যদিকে, মঙ্গলবার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী সাংবাদিকদের জানান, বাংলাদেশে কারো কোনো নিরাপত্তার শঙ্কা নেই। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নিরাপত্তাঝুঁকি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, দেশে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কার কোনো কারণ নেই।