ঢাজা ১১:৫৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

নিয়মের ফাঁদে সাংবাদিক পর্যবেক্ষণ কার্ড: হয়রানি, বৈষম্য ও অস্পষ্টতায় ক্ষুব্ধ গণমাধ্যমকর্মীরা

 

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সাংবাদিকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ কার্ড প্রদানের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন (ইসি)-এর সংশ্লিষ্ট কিছু কর্মকর্তার বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারী আচরণ, বারবার নিয়ম পরিবর্তন, অস্পষ্ট নির্দেশনা ও বৈষম্যের অভিযোগ তুলেছেন দেশের গণমাধ্যমকর্মীরা। এসব অভিযোগের কারণে সাংবাদিক পর্যবেক্ষণ কার্ড প্রদানের পুরো প্রক্রিয়া নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

প্রতীকী ছবি

প্রথমে অনলাইনে আবেদনের নিয়ম চালু করা হলেও পরবর্তীতে নানা প্রশাসনিক জটিলতার কথা উল্লেখ করে তা বন্ধ করে দেওয়া হয়। এই অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়ার সময় প্রায় ১৪ হাজার সাংবাদিকের ব্যক্তিগত তথ্য সংবলিত ডেটা সংরক্ষণ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত লিখিত নথি তথ্যের অস্তিত্ব রয়েছে, যা পরবর্তীতে তথ্যনিরাপত্তা ঝুঁকি ও তথ্য ফাঁসের অভিযোগের জন্ম দেয়।
এ বিষয়ে দায় স্বীকার, আনুষ্ঠানিক তদন্ত বা দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে গৃহীত কোনো ব্যবস্থা সম্পর্কে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো সুস্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকরা।

পরবর্তীতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আগের নিয়ম অনুসরণ করে সাংবাদিক পর্যবেক্ষণ কার্ড প্রদান করা হবে। তবে সেখানেও নির্দেশনার অস্পষ্টতা রয়ে যায়। ইসির সংশ্লিষ্ট দপ্তরের পক্ষ থেকে বলা হয়, “অফিস কর্তৃক সাংবাদিকদের তালিকা দিতে হবে”—কিন্তু কোন ধরনের তালিকা তা লিখিতভাবে নির্দিষ্ট করা হয়নি।

পত্রিকার সারাদেশের সব সাংবাদিকের তালিকা,
নাকি সংশ্লিষ্ট জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংবাদিকদের তালিকা—
এ বিষয়ে কোনো পরিষ্কার নির্দেশনা না থাকায় বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়।

সংশ্লিষ্টরা জানান, অনেক বড় মিডিয়া হাউজে সারাদেশে একশ থেকে তিনশ জনের বেশি সাংবাদিক কর্মরত। সে ক্ষেত্রে প্রত্যেক সাংবাদিককে আবেদনের সঙ্গে একাধিক তালিকা জমা দিতে হবে কি না—এই প্রশ্নের কোনো লিখিত বা আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি

এরই মধ্যে গত ফেব্রুয়ারি থেকে বিভিন্ন মিডিয়া হাউজ নিজ নিজ উদ্যোগে সাংবাদিকদের তালিকা জমা দিতে শুরু করে। এ পর্যায়ে অভিযোগ ওঠে, ইসির সংশ্লিষ্ট কিছু কর্মকর্তা বিবেচনাধীনে কিছু মিডিয়া হাউজকে পর্যবেক্ষণ কার্ড প্রদান করছেন, আবার অনেক ক্ষেত্রে সম্পাদক কর্তৃক ৩০ জনকে দায়িত্বপ্রাপ্ত হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হলেও কার্ড দেওয়া হচ্ছে মাত্র ১২ থেকে ১৫ জনকে

অথচ বাদ পড়া সাংবাদিকদের অধিকাংশের কাছেই রয়েছে—,অফিস আদেশ,অফিস কর্তৃক ইস্যুকৃত পরিচয়পত্র,জাতীয় পরিচয়পত্র (ভোটার আইডি)

এসব বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও কার্ড না পাওয়ায় সাংবাদিকরা নিজেদের হয়রানির শিকার বলে দাবি করছেন। ভুক্তভোগী সাংবাদিকদের অভিযোগ, একাধিকবার কার্ড সংক্রান্ত বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হলে মিডিয়া হাউজের সব সাংবাদিকের কার্ড বাতিলের হুমকি দেওয়া হয়েছে

শনিবার পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করে। কিছু মিডিয়া প্রতিনিধি পর্যবেক্ষণ কার্ড সংগ্রহ করতে গেলে ইসির সংশ্লিষ্ট কিছু কর্মকর্তার পক্ষ থেকে জানানো হয়—
“আপনাদের আগে কার্ড দেওয়া হয়েছে, আর দেওয়া হবে না।”

তবে উপস্থিত সাংবাদিকরা জানান, তারা পূর্বে কোনো পর্যবেক্ষণ কার্ড পাননি। তারা আরও উল্লেখ করেন, পূর্ববর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটের আগের দিন পর্যন্ত সাংবাদিকদের পর্যবেক্ষণ কার্ড প্রদান করা হয়েছিল, যা বর্তমান অবস্থার সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে তারা মনে করছেন।

এদিন কার্ড নিতে আসা সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগও ওঠে। প্রত্যক্ষদর্শী সাংবাদিকদের ভাষ্যমতে, এক পর্যায়ে এক সাংবাদিককে অপমানজনক ভাষায় “ ছাগল” সম্বোধন করা হলে উপস্থিত সাংবাদিকরা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান এবং সেখানে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

পরিস্থিতি নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় সাংবাদিকরা শেষ পর্যন্ত সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ইসির সংশ্লিষ্ট কিছু কর্মকর্তার আচরণ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান এবং পরবর্তী কর্মসূচির ইঙ্গিত দিয়ে স্থান ত্যাগ করেন।

এদিকে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংবাদিকদের জন্য পর্যবেক্ষণ কার্ডের আবেদন যথাসময়ে জমা দেওয়া হলেও এখনও এসব কার্ড প্রদান করা হয়নি। এসব কার্ড কিভাবে কতজনকে দেওয়া হবে —সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের পক্ষ থেকে কোনো লিখিত সিদ্ধান্ত বা নির্দেশনা পাওয়া যায়নি। ফলে মাঠপর্যায়ের সাংবাদিকরা  অনেকে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন।

গণমাধ্যমকর্মীরা দাবি জানিয়েছেন—সাংবাদিক পর্যবেক্ষণ কার্ড প্রদানের ক্ষেত্রে স্পষ্ট, লিখিত একক নীতিমালা প্রণয়ন,সব মিডিয়া হাউজের জন্য সমান বৈষম্যহীন প্রক্রিয়া নিশ্চিত,ইসির সংশ্লিষ্ট কিছু কর্মকর্তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত জবাবদিহি,এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে পেশাদার সম্মানজনক আচরণ নিশ্চিত করা।এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। সাংবাদিক নেতারা জানান, দাবি বাস্তবায়নে অগ্রগতি না হলে আইনসম্মত শান্তিপূর্ণ আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালীতে কন্টেইনার জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: ইঞ্জিন রুমে ভয়াবহ আগুন

নিয়মের ফাঁদে সাংবাদিক পর্যবেক্ষণ কার্ড: হয়রানি, বৈষম্য ও অস্পষ্টতায় ক্ষুব্ধ গণমাধ্যমকর্মীরা

সপ্রকাশিত হয়েছে: ০৫:০৬:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

 

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সাংবাদিকদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পর্যবেক্ষণ কার্ড প্রদানের ক্ষেত্রে নির্বাচন কমিশন (ইসি)-এর সংশ্লিষ্ট কিছু কর্মকর্তার বিরুদ্ধে স্বেচ্ছাচারী আচরণ, বারবার নিয়ম পরিবর্তন, অস্পষ্ট নির্দেশনা ও বৈষম্যের অভিযোগ তুলেছেন দেশের গণমাধ্যমকর্মীরা। এসব অভিযোগের কারণে সাংবাদিক পর্যবেক্ষণ কার্ড প্রদানের পুরো প্রক্রিয়া নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।

প্রতীকী ছবি

প্রথমে অনলাইনে আবেদনের নিয়ম চালু করা হলেও পরবর্তীতে নানা প্রশাসনিক জটিলতার কথা উল্লেখ করে তা বন্ধ করে দেওয়া হয়। এই অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়ার সময় প্রায় ১৪ হাজার সাংবাদিকের ব্যক্তিগত তথ্য সংবলিত ডেটা সংরক্ষণ ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত লিখিত নথি তথ্যের অস্তিত্ব রয়েছে, যা পরবর্তীতে তথ্যনিরাপত্তা ঝুঁকি ও তথ্য ফাঁসের অভিযোগের জন্ম দেয়।
এ বিষয়ে দায় স্বীকার, আনুষ্ঠানিক তদন্ত বা দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে গৃহীত কোনো ব্যবস্থা সম্পর্কে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো সুস্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট সাংবাদিকরা।

পরবর্তীতে নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়, আগের নিয়ম অনুসরণ করে সাংবাদিক পর্যবেক্ষণ কার্ড প্রদান করা হবে। তবে সেখানেও নির্দেশনার অস্পষ্টতা রয়ে যায়। ইসির সংশ্লিষ্ট দপ্তরের পক্ষ থেকে বলা হয়, “অফিস কর্তৃক সাংবাদিকদের তালিকা দিতে হবে”—কিন্তু কোন ধরনের তালিকা তা লিখিতভাবে নির্দিষ্ট করা হয়নি।

পত্রিকার সারাদেশের সব সাংবাদিকের তালিকা,
নাকি সংশ্লিষ্ট জেলার দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংবাদিকদের তালিকা—
এ বিষয়ে কোনো পরিষ্কার নির্দেশনা না থাকায় বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়।

সংশ্লিষ্টরা জানান, অনেক বড় মিডিয়া হাউজে সারাদেশে একশ থেকে তিনশ জনের বেশি সাংবাদিক কর্মরত। সে ক্ষেত্রে প্রত্যেক সাংবাদিককে আবেদনের সঙ্গে একাধিক তালিকা জমা দিতে হবে কি না—এই প্রশ্নের কোনো লিখিত বা আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা পাওয়া যায়নি

এরই মধ্যে গত ফেব্রুয়ারি থেকে বিভিন্ন মিডিয়া হাউজ নিজ নিজ উদ্যোগে সাংবাদিকদের তালিকা জমা দিতে শুরু করে। এ পর্যায়ে অভিযোগ ওঠে, ইসির সংশ্লিষ্ট কিছু কর্মকর্তা বিবেচনাধীনে কিছু মিডিয়া হাউজকে পর্যবেক্ষণ কার্ড প্রদান করছেন, আবার অনেক ক্ষেত্রে সম্পাদক কর্তৃক ৩০ জনকে দায়িত্বপ্রাপ্ত হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হলেও কার্ড দেওয়া হচ্ছে মাত্র ১২ থেকে ১৫ জনকে

অথচ বাদ পড়া সাংবাদিকদের অধিকাংশের কাছেই রয়েছে—,অফিস আদেশ,অফিস কর্তৃক ইস্যুকৃত পরিচয়পত্র,জাতীয় পরিচয়পত্র (ভোটার আইডি)

এসব বৈধ কাগজপত্র থাকা সত্ত্বেও কার্ড না পাওয়ায় সাংবাদিকরা নিজেদের হয়রানির শিকার বলে দাবি করছেন। ভুক্তভোগী সাংবাদিকদের অভিযোগ, একাধিকবার কার্ড সংক্রান্ত বিষয়ে খোঁজ নেওয়া হলে মিডিয়া হাউজের সব সাংবাদিকের কার্ড বাতিলের হুমকি দেওয়া হয়েছে

শনিবার পরিস্থিতি আরও জটিল আকার ধারণ করে। কিছু মিডিয়া প্রতিনিধি পর্যবেক্ষণ কার্ড সংগ্রহ করতে গেলে ইসির সংশ্লিষ্ট কিছু কর্মকর্তার পক্ষ থেকে জানানো হয়—
“আপনাদের আগে কার্ড দেওয়া হয়েছে, আর দেওয়া হবে না।”

তবে উপস্থিত সাংবাদিকরা জানান, তারা পূর্বে কোনো পর্যবেক্ষণ কার্ড পাননি। তারা আরও উল্লেখ করেন, পূর্ববর্তী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটের আগের দিন পর্যন্ত সাংবাদিকদের পর্যবেক্ষণ কার্ড প্রদান করা হয়েছিল, যা বর্তমান অবস্থার সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে তারা মনে করছেন।

এদিন কার্ড নিতে আসা সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণের অভিযোগও ওঠে। প্রত্যক্ষদর্শী সাংবাদিকদের ভাষ্যমতে, এক পর্যায়ে এক সাংবাদিককে অপমানজনক ভাষায় “ ছাগল” সম্বোধন করা হলে উপস্থিত সাংবাদিকরা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানান এবং সেখানে উত্তেজনাকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

পরিস্থিতি নিরসনে কার্যকর উদ্যোগ না থাকায় সাংবাদিকরা শেষ পর্যন্ত সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে ইসির সংশ্লিষ্ট কিছু কর্মকর্তার আচরণ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানান এবং পরবর্তী কর্মসূচির ইঙ্গিত দিয়ে স্থান ত্যাগ করেন।

এদিকে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে দায়িত্বপ্রাপ্ত সাংবাদিকদের জন্য পর্যবেক্ষণ কার্ডের আবেদন যথাসময়ে জমা দেওয়া হলেও এখনও এসব কার্ড প্রদান করা হয়নি। এসব কার্ড কিভাবে কতজনকে দেওয়া হবে —সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের পক্ষ থেকে কোনো লিখিত সিদ্ধান্ত বা নির্দেশনা পাওয়া যায়নি। ফলে মাঠপর্যায়ের সাংবাদিকরা  অনেকে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন।

গণমাধ্যমকর্মীরা দাবি জানিয়েছেন—সাংবাদিক পর্যবেক্ষণ কার্ড প্রদানের ক্ষেত্রে স্পষ্ট, লিখিত একক নীতিমালা প্রণয়ন,সব মিডিয়া হাউজের জন্য সমান বৈষম্যহীন প্রক্রিয়া নিশ্চিত,ইসির সংশ্লিষ্ট কিছু কর্মকর্তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত জবাবদিহি,এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে পেশাদার সম্মানজনক আচরণ নিশ্চিত করা।এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের বক্তব্য জানার চেষ্টা করা হলে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। সাংবাদিক নেতারা জানান, দাবি বাস্তবায়নে অগ্রগতি না হলে আইনসম্মত শান্তিপূর্ণ আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণার বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে।