
ভোটের আমেজে থাকা সাধারণ মানুষের চলাচল ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিশেষ নির্দেশনা জারি করেছে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ। আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে জাতীয় নির্বাচন ও গণভোট। এই বিশাল কর্মযজ্ঞ নির্বিঘ্ন করতে আগামী মঙ্গলবার দিবাগত রাত ১২টা থেকেই শুরু হচ্ছে কড়াকড়ি।
যানবাহন চলাচলের সময়সীমা ও বিধিনিষেধ
নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা অনুযায়ী যাতায়াতের ক্ষেত্রে যে বিষয়গুলো মাথায় রাখতে হবে:
মোটরসাইকেল: ১০ ফেব্রুয়ারি (মঙ্গলবার) দিবাগত রাত ১২টা থেকে ১৩ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত টানা ৭২ ঘণ্টা সারাদেশে মোটরসাইকেল চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।
অন্যান্য যানবাহন: ১১ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা থেকে ১২ ফেব্রুয়ারি দিবাগত রাত ১২টা পর্যন্ত (২৪ ঘণ্টা) ট্যাক্সিক্যাব, পিকআপ, মাইক্রোবাস ও ট্রাক চলাচল বন্ধ থাকবে।
ভোটের সময়: ১২ ফেব্রুয়ারি সকাল ৭:৩০ মিনিট থেকে বিকেল ৪:৩০ মিনিট পর্যন্ত একটানা ভোটগ্রহণ চলবে।
কারা এই নিষেধাজ্ঞার বাইরে থাকবেন?
জরুরি পরিস্থিতি ও বিশেষ প্রয়োজনে কিছু যানবাহন চলাচলের অনুমতি দেওয়া হয়েছে:
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, সশস্ত্র বাহিনী ও প্রশাসনের গাড়ি।
অনুমোদিত নির্বাচন পর্যবেক্ষক ও সংবাদপত্রের গাড়ি।
অ্যাম্বুলেন্স, ওষুধ ও জরুরি চিকিৎসাসামগ্রী বহনকারী যানবাহন।
নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহকারী পরিবহন।
বিদেশগামী যাত্রী: পাসপোর্ট ও টিকিট প্রদর্শন সাপেক্ষে বিমানবন্দর যাতায়াতে কোনো বাধা থাকবে না।
দূরপাল্লার যাত্রীবাহী বাস এবং স্থানীয় পর্যায়ের প্রয়োজনীয় চলাচলেও শিথিলতা থাকবে।
সড়ক পরিবহন আইন, ২০১৮-এর ৩২ ধারা অনুযায়ী এই নির্দেশনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। সাধারণ যাত্রীদের অনাকাঙ্ক্ষিত বিড়ম্বনা এড়াতে আগেভাগেই ভ্রমণের পরিকল্পনা গুছিয়ে নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
অনলাইন ডেস্ক. 


















