ঢাজা ১১:৫৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

নরসিংদী–কিশোরগঞ্জ নতুন রেললাইনের জোরালো দাবি

নরসিংদী ও কিশোরগঞ্জ জেলার সর্বস্তরের মানুষের পক্ষ থেকে নতুন একটি রেললাইন নির্মাণের জোর দাবি উঠেছে। প্রস্তাবিত রুটটি হবে নরসিংদীশিবপুরমনোহরদীকটিয়াদী হয়ে কিশোরগঞ্জ পর্যন্ত।

স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ী ও শিক্ষার্থীদের মতে, এই নতুন রেললাইন চালু হলে যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে। বিশেষ করে শিবপুর ও মনোহরদী উপজেলা সরাসরি রেল সংযোগের আওতায় আসবে, যা এতদিন ধরে এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নতুন এই রেলপথ বাস্তবায়িত হলে ভৈরব বাইপাস নির্মাণের প্রয়োজনীয়তাও অনেকাংশে কমে যাবে। ফলে যাতায়াতে সময় ও ব্যয় দুটোই সাশ্রয় হবে। পাশাপাশি কৃষিপণ্য, শিল্পপণ্য ও স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্য আরও গতিশীল হবে।

তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি একটি ব্যয়বহুল অবকাঠামো প্রকল্প হবে। জমি অধিগ্রহণ, রেললাইন নির্মাণ, সেতু ও স্টেশন অবকাঠামো তৈরি—সব মিলিয়ে বড় অঙ্কের অর্থ বিনিয়োগ প্রয়োজন হবে। এজন্য সম্ভাব্যতা যাচাই (ফিজিবিলিটি স্টাডি) ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এলাকাবাসীর দাবি, সরকার দ্রুত এ বিষয়ে উদ্যোগ নেবে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা যাচাই করে বাস্তবায়নের পথ সুগম করবে। তাদের বিশ্বাস, এই রেললাইন চালু হলে নরসিংদী ও কিশোরগঞ্জ অঞ্চলের অর্থনীতি, শিক্ষা ও সামাজিক যোগাযোগে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

জনপ্রিয় সংবাদ

বেইজিংয়ে বিএনপি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে চীনের শীর্ষ নেতাদের বৈঠক, দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক জোরদারে আলোচনা

নরসিংদী–কিশোরগঞ্জ নতুন রেললাইনের জোরালো দাবি

সপ্রকাশিত হয়েছে: ০৮:১৯:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

নরসিংদী ও কিশোরগঞ্জ জেলার সর্বস্তরের মানুষের পক্ষ থেকে নতুন একটি রেললাইন নির্মাণের জোর দাবি উঠেছে। প্রস্তাবিত রুটটি হবে নরসিংদীশিবপুরমনোহরদীকটিয়াদী হয়ে কিশোরগঞ্জ পর্যন্ত।

স্থানীয় বাসিন্দা, ব্যবসায়ী ও শিক্ষার্থীদের মতে, এই নতুন রেললাইন চালু হলে যোগাযোগ ব্যবস্থায় এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন আসবে। বিশেষ করে শিবপুর ও মনোহরদী উপজেলা সরাসরি রেল সংযোগের আওতায় আসবে, যা এতদিন ধরে এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের প্রত্যাশা।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নতুন এই রেলপথ বাস্তবায়িত হলে ভৈরব বাইপাস নির্মাণের প্রয়োজনীয়তাও অনেকাংশে কমে যাবে। ফলে যাতায়াতে সময় ও ব্যয় দুটোই সাশ্রয় হবে। পাশাপাশি কৃষিপণ্য, শিল্পপণ্য ও স্থানীয় ব্যবসা-বাণিজ্য আরও গতিশীল হবে।

তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি একটি ব্যয়বহুল অবকাঠামো প্রকল্প হবে। জমি অধিগ্রহণ, রেললাইন নির্মাণ, সেতু ও স্টেশন অবকাঠামো তৈরি—সব মিলিয়ে বড় অঙ্কের অর্থ বিনিয়োগ প্রয়োজন হবে। এজন্য সম্ভাব্যতা যাচাই (ফিজিবিলিটি স্টাডি) ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এলাকাবাসীর দাবি, সরকার দ্রুত এ বিষয়ে উদ্যোগ নেবে এবং সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রকল্পটির সম্ভাব্যতা যাচাই করে বাস্তবায়নের পথ সুগম করবে। তাদের বিশ্বাস, এই রেললাইন চালু হলে নরসিংদী ও কিশোরগঞ্জ অঞ্চলের অর্থনীতি, শিক্ষা ও সামাজিক যোগাযোগে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।