ঢাজা ১২:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৩ মার্চ ২০২৬, ২৯ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

মালয়েশিয়ায় ভিসার অপব্যবহারের শীর্ষে রয়েছে : বাংলাদেশ

  • অনলাইন ডেস্ক.
  • সপ্রকাশিত হয়েছে: ০৯:৩৩:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
  • ১৪ শেয়ার

মালয়েশিয়ায় ভিসার শর্ত লঙ্ঘন ও অপব্যবহারের অভিযোগে আটক বিদেশি নাগরিকদের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে বাংলাদেশ। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৯ মার্চ পর্যন্ত দেশজুড়ে পরিচালিত অভিযানে বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের বিপুল সংখ্যক নাগরিককে আটক করেছে মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ। ভিসার শর্ত ভঙ্গ ও অপব্যবহারের অভিযোগে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৯ মার্চ পর্যন্ত দেশজুড়ে পরিচালিত ২ হাজার ৬১৮টি অভিযানে মোট ৯ হাজার ৪৯৭ জন বিদেশি নাগরিককে আটক করা হয়েছে।

দেশটির জাতীয় সংবাদ সংস্থা বারনামা এবং দি ষ্টার ও মালয় মেইল সহ বেশ কয়েকটি গণমাধ্যম জানিয়েছে, মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক জাকারিয়া শাবান বলেছেন, আটক হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ১ হাজার ১৫৮ জনকে ১৯৬৩ সালের ইমিগ্রেশন রেগুলেশনসের ৩৯(বি) ধারায় পাসের শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তিনি আরও জানিয়েছেন, আটক হওয়া অনেক বিদেশি নাগরিক টেম্পোরারি এমপ্লয়মেন্ট পাস (পিএলকেএস) এবং সোশ্যাল ভিজিট পাস (পিএলএস) ব্যবহার করে অনুমোদিত শর্তের বাইরে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। বিশেষ করে সোশ্যাল ভিজিট পাস নিয়ে পর্যটক হিসেবে দেশে প্রবেশ করলেও পরে রেস্টুরেন্ট বা কারখানায় কাজ করার মতো কর্মকাণ্ডে যুক্ত হওয়ার ঘটনা ধরা পড়েছে।

জাকারিয়া শাবান বলেছেন, পাসের শর্ত ভঙ্গের অভিযোগে আটক হওয়া বিদেশিদের মধ্যে জাতীয়তার ভিত্তিতে শীর্ষে রয়েছে বাংলাদেশ। এ তালিকায় ৫৩২ জন বাংলাদেশি আটক হয়েছেন। এরপর রয়েছে থাইল্যান্ডের ২৪৮ জন, ইন্দোনেশিয়ার ১১১ জন, চীনের ৮৬ জন এবং পাকিস্তানের ৫১ জন নাগরিক।

তিনি আরও জানান, মোট ১ হাজার ১৫৮ জন গ্রেপ্তারের মধ্যে সোশ্যাল ভিজিট পাসের অপব্যবহারের অভিযোগে ৪৮২ জনকে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৩৫ জন থাই নাগরিক, ৮৩ জন বাংলাদেশি, ৬২ জন চীনা, ৬২ জন ইন্দোনেশীয়, ১৩ জন পাকিস্তানি এবং অন্যান্য দেশের ২৭ জন নাগরিক রয়েছেন।

মালয় মেইল লিখেছে, প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, আটক হওয়া কয়েকজন বিদেশি নাগরিক বৈধ অনুমোদন ছাড়াই বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনায় জড়িত ছিলেন। মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ স্পষ্ট করে জানিয়েছে, দেশের অভিবাসন সুবিধার অপব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং এ ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ছাড় দেয়া হবে না।

জনপ্রিয় সংবাদ

লালমাইয়ে আনসার ও ভিডিপির উদ্যোগে ঈদ উপহার বিতরণ ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

মালয়েশিয়ায় ভিসার অপব্যবহারের শীর্ষে রয়েছে : বাংলাদেশ

সপ্রকাশিত হয়েছে: ০৯:৩৩:১৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

মালয়েশিয়ায় ভিসার শর্ত লঙ্ঘন ও অপব্যবহারের অভিযোগে আটক বিদেশি নাগরিকদের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে বাংলাদেশ। চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৯ মার্চ পর্যন্ত দেশজুড়ে পরিচালিত অভিযানে বাংলাদেশিসহ বিভিন্ন দেশের বিপুল সংখ্যক নাগরিককে আটক করেছে মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ। ভিসার শর্ত ভঙ্গ ও অপব্যবহারের অভিযোগে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৯ মার্চ পর্যন্ত দেশজুড়ে পরিচালিত ২ হাজার ৬১৮টি অভিযানে মোট ৯ হাজার ৪৯৭ জন বিদেশি নাগরিককে আটক করা হয়েছে।

দেশটির জাতীয় সংবাদ সংস্থা বারনামা এবং দি ষ্টার ও মালয় মেইল সহ বেশ কয়েকটি গণমাধ্যম জানিয়েছে, মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগের মহাপরিচালক জাকারিয়া শাবান বলেছেন, আটক হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে ১ হাজার ১৫৮ জনকে ১৯৬৩ সালের ইমিগ্রেশন রেগুলেশনসের ৩৯(বি) ধারায় পাসের শর্ত লঙ্ঘনের অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

তিনি আরও জানিয়েছেন, আটক হওয়া অনেক বিদেশি নাগরিক টেম্পোরারি এমপ্লয়মেন্ট পাস (পিএলকেএস) এবং সোশ্যাল ভিজিট পাস (পিএলএস) ব্যবহার করে অনুমোদিত শর্তের বাইরে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। বিশেষ করে সোশ্যাল ভিজিট পাস নিয়ে পর্যটক হিসেবে দেশে প্রবেশ করলেও পরে রেস্টুরেন্ট বা কারখানায় কাজ করার মতো কর্মকাণ্ডে যুক্ত হওয়ার ঘটনা ধরা পড়েছে।

জাকারিয়া শাবান বলেছেন, পাসের শর্ত ভঙ্গের অভিযোগে আটক হওয়া বিদেশিদের মধ্যে জাতীয়তার ভিত্তিতে শীর্ষে রয়েছে বাংলাদেশ। এ তালিকায় ৫৩২ জন বাংলাদেশি আটক হয়েছেন। এরপর রয়েছে থাইল্যান্ডের ২৪৮ জন, ইন্দোনেশিয়ার ১১১ জন, চীনের ৮৬ জন এবং পাকিস্তানের ৫১ জন নাগরিক।

তিনি আরও জানান, মোট ১ হাজার ১৫৮ জন গ্রেপ্তারের মধ্যে সোশ্যাল ভিজিট পাসের অপব্যবহারের অভিযোগে ৪৮২ জনকে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে ২৩৫ জন থাই নাগরিক, ৮৩ জন বাংলাদেশি, ৬২ জন চীনা, ৬২ জন ইন্দোনেশীয়, ১৩ জন পাকিস্তানি এবং অন্যান্য দেশের ২৭ জন নাগরিক রয়েছেন।

মালয় মেইল লিখেছে, প্রাথমিক তদন্তে দেখা গেছে, আটক হওয়া কয়েকজন বিদেশি নাগরিক বৈধ অনুমোদন ছাড়াই বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনায় জড়িত ছিলেন। মালয়েশিয়ার অভিবাসন বিভাগ স্পষ্ট করে জানিয়েছে, দেশের অভিবাসন সুবিধার অপব্যবহারকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে এবং এ ধরনের অপরাধের ক্ষেত্রে কোনো ধরনের ছাড় দেয়া হবে না।