ঢাজা ০২:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬, ১ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পতেঙ্গা ৪১ নম্বর ওয়ার্ডে স্ত্রী হত্যা, থানায় আত্মসমর্পণ স্বামী

চট্টগ্রামে পতেঙ্গা থানা এলাকায় ইফতারের আগে মুহূর্তে ঘটে গেল এক মর্মান্তিক ঘটনা। পারিবারিক কলহের জেরে স্বামী নিজ স্ত্রীকে হত্যা করে তাদের ছোট শিশুকে সঙ্গে নিয়ে থানায় হাজির হলেন। নিহত নারীর নাম হালিমা আক্তার ৩০ । তার পিতার আব্দুল মান্নান এবং মাতার নাম নুর নাহার। অপরদিকে অভিযুক্ত স্বামীর নাম জহিরুল ইসলাম। তার স্থায়ী ঠিকানা লক্ষীপুর জেলার রামগঞ্জ ইউনিয়নের সোনাপুর এলাকায় বলে জানা গেছে। তারা চট্টগ্রাম নগরীর ৪১ নম্বর ওয়ার্ডের পতেঙ্গা থানা এলাকার দক্ষিণ পাড়ায় বসবাস করতেন। সূত্র জানায়, আজ শনিবার ইফতারের কিছুক্ষণ আগে তাদের বাসায় পারিবারিক বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেয়। এক পর্যায়ে হালিমার স্বামী তাকে দুইটি ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা করে। ঘটনার পর অভিযুক্ত স্বামী তাদের ছোট শিশুকে সঙ্গে নিয়ে সরাসরি থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন বলে জানা গেছে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ চমেক হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে। স্থানীয়দের মতে, গত প্রায় এক মাস ধরে তাদের দাম্পত্য জীবনে কলহ চলছিল। পতেঙ্গা থানার ওসি মোস্তফা আহম্মেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

মুক্তিযুদ্ধ বাংলাদেশের হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ অর্জন: মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী

পতেঙ্গা ৪১ নম্বর ওয়ার্ডে স্ত্রী হত্যা, থানায় আত্মসমর্পণ স্বামী

সপ্রকাশিত হয়েছে: ০৩:২৯:৫০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬

চট্টগ্রামে পতেঙ্গা থানা এলাকায় ইফতারের আগে মুহূর্তে ঘটে গেল এক মর্মান্তিক ঘটনা। পারিবারিক কলহের জেরে স্বামী নিজ স্ত্রীকে হত্যা করে তাদের ছোট শিশুকে সঙ্গে নিয়ে থানায় হাজির হলেন। নিহত নারীর নাম হালিমা আক্তার ৩০ । তার পিতার আব্দুল মান্নান এবং মাতার নাম নুর নাহার। অপরদিকে অভিযুক্ত স্বামীর নাম জহিরুল ইসলাম। তার স্থায়ী ঠিকানা লক্ষীপুর জেলার রামগঞ্জ ইউনিয়নের সোনাপুর এলাকায় বলে জানা গেছে। তারা চট্টগ্রাম নগরীর ৪১ নম্বর ওয়ার্ডের পতেঙ্গা থানা এলাকার দক্ষিণ পাড়ায় বসবাস করতেন। সূত্র জানায়, আজ শনিবার ইফতারের কিছুক্ষণ আগে তাদের বাসায় পারিবারিক বিষয় নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে তীব্র বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নেয়। এক পর্যায়ে হালিমার স্বামী তাকে দুইটি ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করে হত্যা করে। ঘটনার পর অভিযুক্ত স্বামী তাদের ছোট শিশুকে সঙ্গে নিয়ে সরাসরি থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করেন বলে জানা গেছে। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ চমেক হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে। স্থানীয়দের মতে, গত প্রায় এক মাস ধরে তাদের দাম্পত্য জীবনে কলহ চলছিল। পতেঙ্গা থানার ওসি মোস্তফা আহম্মেদ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।