
৩ এপ্রিল নগরীর দক্ষিণ হালিশহরস্থ রওশন মালুম বাড়ির পশ্চিমে মরহুম আব্দুল আজিজের পৈত্রিক সম্পত্তির অংশ নামা ও দখল সত্ত্ব নিয়ে ভাই বোনের মধ্যে চরম হামলা ভাংচুর ও নির্যাতনের শিকার হন বড় বোন মমতাজ বেগম (৩৫) এক অসহায় নারী। তিনি ঐ রওশন মালুম বাড়ির মরহুম আব্দুল আজিজের কন্যা সন্তান হন। গত কিছুদিন আগে মমতাজ কে তার ছোট ভাই সাহাবুদ্দিন ও তার স্ত্রী খালেদা বেগম সহ ৮/৯ জন লোকজন নিয়ে পৈত্রিক সম্পত্তিতে বহু বছর ধরে ঘর দুয়ার বেধে অবস্থান করা বড় বোন মমতাজকে মারধর করে সন্ত্রাসী কায়দায় ঘর ও আসবাবপত্র ভেঙে দখল করে বাড়ি থেকে বের করে দেয় বলে জানান ভুক্তভোগী মমতাজ বেগম।একুশে সংবাদের তদন্তে রিপোর্টে সত্যতার প্রমান পাওয়া যায় নির্যাতিত মমতাজ বেগম প্রথমে ইপিজেড থানা এবং পরে কোট আদালতে ৩৯১/২৬ নং মূলে মিছ মামলা দায়ের করেন বলে জানান। এ ঘঠনার বিষয়ে ঘঠনার প্রথম দিন সন্ত্রাসীদের হামলা থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য মমতাজ বেগম ৯৯৯ জাতীয় কলে ফোন করলে বিশেষ পুলিশ টিম এসআই আরিফ এসে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে জোরালো নির্দেশ দেন এবং হামলা ভাংচুর না করতে বলেন। কিন্তু ভাই সাহাবুদ্দিন ও তার স্ত্রী খালেদা প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে বড় বোন মমতাজ এর বসত ঘর ভাঙ্গার পর তালা ভেঙে বাসার মালামাল লুট করে নিয়ে গেছে বলে জানিয়েছেন। এছাড়াও বাঁধা দিলে মমতাজ কে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে। হামলার শিকার হয়ে তিনি দীর্ঘদিন ধরে তিনি চমেক হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ছিলেন বলে তার মেয়ে আদিবা আক্তার প্রতিবেদক কে জানিয়েছেন। দীর্ঘ দিন ধরে ভাই দেশের বাইরে ও শ্বশুরবাড়িতে থাকায় পৈত্রিক সম্পত্তি একাই দেখ ভাল করে যান মমতাজ বেগম। এসময় তাদের ৩ অংশ ঘর সহ বসত ভিটায় ভাড়া দিয়ে পরিবার নিয়ে বসবাস করতে থাকেন মমতাজ বেগম। বেশ কিছুদিন পরে কুচক্রী মহলের ইন্ধনে ভাই সাহাবুদ্দিন, স্ত্রী খালেদা বেগম সহ আরো ৭/৮ জন টাউট প্রকৃতির লোক এবং এক অবৈধ আইনজীবীর সহায়তায় মমতাজের পৈত্রিক সম্পত্তি দখল করতে চায় বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়েছে। এব্যাপারে ভাই সাহাবুদ্দিন এর সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও তার পরিবারের সদস্যদের বাড়িতে কিংবা ফোনে পাওয়া যায় নি। ভুক্তভোগী মমতাজ বেগম এই বিষয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থা ও অত্র এলাকার সংসদীয় আসনের মাননীয় এমপি ও মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সার্বিক সহযোগিতা কামনা করেছেন এবং পৈত্রিক সম্পত্তিতে তার ন্যায্য অধিকার ও পাওনা ফিরে পেতে প্রশাসনের সহায়তা কামনা করেন।
এম এ ছবুর: 




















