প্রিন্ট এর তারিখঃ এপ্রিল ২৯, ২০২৬, ৮:০৬ পি.এম || প্রকাশের তারিখঃ এপ্রিল ২৮, ২০২৬, ২:২৪ এ.এম
সাতকানিয়ায় সত্রাসী হামলায় জামায়াত কর্মী নিহত!

চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় শাহাদাত হোসেন (৩২) নামের ১জামায়াত কর্মীকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটেছে।
২৬ এপ্রিল রবিবার দিবাগত রাত ১১টার দিকে উপজেলার ঢেমশা ইউনিয়নের অন্তর্গত চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কের সাতকানিয়া রাস্তার মাথা মডেল মসজিদ এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
২৭এপ্রিল সোমবার ভোর আনুমানিক সাড়ে ৫টার দিকে চট্টগ্রাম নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে ইনটেনসিভ কেয়ার ইউনিট (আইসিইউ) এ চিকিৎসাধীন অবস্থায় শাহাদাতের মৃত্যু হয়।
নিহত শাহাদাত হোসেন উপজেলার ঢেমশা ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মাইজপাড়া এলাকার মৃত মোহাম্মদ শফিকুর রহমানের ছেলে। পেশায় তিনি একজন ব্যবসায়ী। তার তিন ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে।
ঘটনার পরপরই থানা পুলিশ অভিযান পরিচালনা করে প্রকৃত হামলাকারীদেরকে চিন্হিত করে গ্রেফতারের চেষ্টা করছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা যায়, প্রতিদিনের ন্যায় রোববার শাহাদাত সাতকানিয়া রাস্তার মাথা মডেল মসজিদ এলাকায় টং (চা-পান) দোকানে বসেছিল। রবিবার দিবাগত রাত আনুমানিক ১১ টার দিকে দুটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা এবং ৩ থেকে ৪টি মোটরসাইকেলযোগে ১০-১৫ জনের মুখোশ পরিহিত এক দল দুর্বৃত্ত টং দোকানের সামনে নামে। কিছু বুঝে ওঠার আগে মুখোশ পরিহিত কয়েকজন শাহাদাতের পিছনে গিয়ে হাতুড়ি ও লাঠি দিয়ে আঘাত করলে তিনি মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
এ সময় স্থানীয়রা এগিয়ে আসলে হামলাকারীরা তাদের আনা অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলযোগে পালিয়ে যায়। পরে শাহাদাতকে উদ্ধার করে প্রথমে উপজেলার কেরানীহাট এলাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। সেখানে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (চমেক) হাসপাতালে প্রেরণ করেন।
সেখানে আইসিইউ খালি না থাকায় নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি করানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সোমবার ভোর আনুমানিক সাড়ে ৫টার টার দিকে শাহাদাত মারা যান।
নিহত শাহাদাত হোসেনের বড়ভাই মোবারক হোসেন বলেন, আমার ভাই দোকানের সামনে একটি চেয়ারে বসেছিলেন। ওই সময় ১০-১৫ জনের সন্ত্রাসী দল অতর্কিতে সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল যোগে এসে আমার ভাইয়ের মাথায় হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করলে সে গুরুতর আহত হয়।
সাতকানিয়া থানার অফিসার ইঞ্চার্জ
Copyright © 2026 একুশে সংবাদ. All rights reserved.