• রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬, ০২:৫১ অপরাহ্ন
Headline
রায় কার্যকর হলে আমি শতভাগ সন্তুষ্ট হব: রামিসার বাবা ১৬ দিনের দীর্ঘ ছুটি শেষে ক্লাসে ফিরল শিক্ষার্থীরা, প্রাণচঞ্চল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রাষ্ট্রীয়ভাবে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬ উদযাপনে ব্যাপক প্রস্তুতি পল্লবীতে শিশু রামিসা হত্যা: স্বামী-স্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড শাহজালাল বিমানবন্দরে আগুন, দ্রুত নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস জলবায়ু সচেতনতায় চলচ্চিত্র শক্তিশালী মাধ্যম: তথ্যমন্ত্রী বাংলাদেশ-তুরস্ক সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় নিতে কৌশলগত সহযোগিতা জোরদারের অঙ্গীকার সংস্কার শেষে দ্রুত জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত হবে জিয়া স্মৃতি জাদুঘর সীমান্তে বিএসএফের নতুন পুশ-ইন চেষ্টা, শূন্যরেখায় আটকে ৮৮ জন ঝড়ের সময় ঘরের ভেতরেও নিরাপদ নন! ডিমলায় বজ্রপাতে মৃত্যুসহ আহত ৪

লক্ষ্মীপুরে কোরবানির চাহিদার তুলনায় ৬ হাজার ২৬২টি পশু বেশি রয়েছে

লক্ষ্মীপুরের খামার ডেস্ক. / ২২ Time View
Update : বুধবার, ১৩ মে, ২০২৬

 

ঈদুল আযহাকে সামনে রেখে লক্ষ্মীপুরের খামারগুলোতে পশুর পরিচর্যা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন খামারিরা। পাশাপাশি খামারিদের বিভিন্ন পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছেন পশু সম্পদ বিভাগ।

প্রাকৃতিক পরিবেশে বেশিরভাগ খামারিই লালন-পালন করছেন পশু। তবে তাদের দাবি, দেশের বাইরে থেকে যেন গরু না আসে। তাহলে ক্ষতির সম্মুখীন হতে হবে তাদের।

প্রাণিসম্পদ বিভাগ বলছে, জেলায় কোরবানির চাহিদার তুলনায় এবার অধিক পশু পালন হয়েছে।

এবার জেলায় ১ লাখ ৩৯ হাজার গরু লালন-পালন হয়। এর মধ্যে কোরবানির জন্য লক্ষ্মীপুরে পশুর চাহিদা ৮৯ হাজার ২১৫টি। কিন্তু ৯৫ হাজার ৪৭৭টি পশু প্রস্তুত রয়েছে। চাহিদার তুলনায় ৬ হাজার ২৬২টি পশু বেশি।

গতকাল মঙ্গলবার সকালে সদর উপজেলার বালাইশপুর এলাকার আর্দশ গরু খামারে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, এই খামারে রয়েছে দেশীয় জাতের প্রায় দুই শতাধিক গরু। প্রাকৃতিক পরিবেশে লালন-পালন করা হচ্ছে এসব পশু। সেখানে কথা হয় আবুল হাসান নামে এক ক্রেতার সঙ্গে।

তিনি বলেন, দেশি গরু আমার পছন্দ। এখানে এসে দেখলাম এক লাখ টাকা থেকে ৫ লাখ টাকার পশু রয়েছে। খামারি একটি গরু দুই লাখ টাকা দাম হাকিয়েছেন। দেড় লাখ টাকা দাম বলেছি, কিন্তু দেয়নি।

শুধু আদর্শ গরু খামারে নয়, একইভাবে জেলার ৫টি উপজেলায় প্রায় তিন হাজার খামারে এখন চলছে পশু বেচা-কেনা।

আর এই কারণে প্রতিটি খামারে পশুর অতিরিক্ত পরিচর্যা শুরু করেছেন খামারিরা। নিয়মিত খাবার দেয়া, গোসল করানোর পাশাপাশি চলছে নিয়মিত চিকিৎসক দিয়ে পরীক্ষা করানো। সামান্য অযত্নে পশুর যেন কোনো ক্ষতি না হয় সেই বিষয়ে সতর্ক খামারিরা।

তবে গেল বছরের তুলনায় গোখাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়া এবং চাহিদার তুলনায় কোরবানির পশু বেশি থাকায় এবার গরুর দাম নিয়ে শঙ্কায় আছেন তারা।

আর্দশ গরু খামারের মালিক ফারুকুর রহমান ফারুকসহ অনেক খামারি জানান, প্রাণিসম্পদ বিভাগের পরামর্শে গবাদি পশুকে পুষ্টিকর খাবার, খৈল, গম, ভাত, ভূষি, ছোলাসহ সবুজ খাস খাওয়ানো হচ্ছে। এতে করে সহজে পশু মোটাতাজা করা হচ্ছে। সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে লালন-পালন করা হচ্ছে এসব পশু। ক্ষতিকর স্টেরয়েড বা হরমোন ব্যবহার করা হয় না।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. একে এম ফজলুল হক বাসসকে বলেন, গরুর লালন-পালন, চিকিৎসাসহ খামারিদের নানা পরামর্শ দেয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, জেলায় চাহিদার চেয়ে অতিরিক্ত পশু রয়েছে। জেলার চাহিদা প্রায় ৮৮ হাজার পশু। তার চেয়ে অনেক বেশি পশু রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, জেলায় এবার ১ লাখ ৩৯ হাজার গরু লালন-পালন করা হচ্ছে। চাহিদা ৮৯ হাজার ২১৫টি। ৯৫ হাজার ৪৭৭টি পশু প্রস্তুত রয়েছে। চাহিদার তুলনায় ৬ হাজার ২৬২টি পশু বেশি রয়েছে। আশা করি কোনো সমস্যা হবে না।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা