• শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ০৯:১২ অপরাহ্ন
Headline
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট: অন্তর্ভুক্তিমূলক উন্নয়ন, বাস্তবায়ন ও দুর্নীতি নিয়ন্ত্রণের চ্যালেঞ্জ জিয়াউর রহমানের আদর্শ অনুসরণের আহ্বান ড. মঈন খানের নেপালে বাংলাদেশ দূতাবাসের উদ্যোগে বিশিষ্টজনদের মাঝে বাংলাদেশের আম উপহার শিক্ষাব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী ‘এটি ব্যাংকমুখী নয়, গণমানুষের বাজেট’ — স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জ্ঞানভিত্তিক প্রজন্ম গড়তে শিক্ষা কারিকুলাম পুনর্গঠন করছে সরকার: তথ্যমন্ত্রী বাপেক্সকে শক্তিশালী করে গ্যাস অনুসন্ধান জোরদার করবে সরকার: জ্বালানি মন্ত্রী উত্তরাঞ্চলে শিল্পায়নের সম্ভাবনা খতিয়ে দেখতে আসছে চীনা প্রতিনিধিদল ‘এটি সবার বাজেট, কোনো বিশেষ গোষ্ঠীর নয়’ — অর্থমন্ত্রী বিশ্বকাপে কানাডার ইতিহাস গড়া ড্র

চীন-আমেরিকা সমীকরণে ইরান ইস্যু: নতুন ভূরাজনৈতিক কৌশলের ইঙ্গিত

আন্তজাতিক ডেস্ক / ৭৮ Time View
Update : শুক্রবার, ১৫ মে, ২০২৬

আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে ইরানকে ঘিরে নতুন করে কূটনৈতিক সমীকরণ তৈরি হচ্ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। বিশেষ করে চীন যদি প্রকাশ্যে বা পরোক্ষভাবে ইরানের পাশে অবস্থান নেয়, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য ইরানকে চাপে রাখা বা দুর্বল করা অনেক বেশি কঠিন হয়ে উঠবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

এমন বাস্তবতা বিবেচনায় রেখেই সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি চীন সফর করেছেন বলে রাজনৈতিক মহলে আলোচনা চলছে। সফরে তিনি আমেরিকার শীর্ষস্থানীয় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রধানদের সঙ্গে নিয়ে যান, যা মূলত চীনে নতুন বিনিয়োগ ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদারের কৌশল হিসেবে দেখা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, বিনিয়োগের প্রস্তাবের পাশাপাশি তাইওয়ান ইস্যুও ছিল আলোচনার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক। কূটনৈতিক ভাষায় বিষয়টি অনেকটা এমন—“চীন যদি ইরানকে সামরিক সহায়তা না দেয়, তবে যুক্তরাষ্ট্রও তাইওয়ানে অস্ত্র সরবরাহ সীমিত করতে পারে।” তবে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং স্পষ্টভাবে জানিয়ে দিয়েছেন, তাইওয়ান প্রশ্নে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ চীন-আমেরিকার মধ্যে সরাসরি সংঘাতের কারণ হতে পারে।

অন্যদিকে, হরমুজ প্রণালী খোলা রাখা, ইরান যেন পরমাণু অস্ত্রের মালিক না হতে পারে এবং ইরানের কাছে সরাসরি অস্ত্র রপ্তানি সীমিত রাখার মতো কিছু বিষয়ে চীন ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে নীতিগত সমঝোতা হয়েছে বলেও ধারণা করা হচ্ছে।

তবে পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, পুরো কূটনৈতিক নাটকের পেছনে আরও গভীর সমঝোতা থাকতে পারে। কারণ ট্রাম্পের চীন সফরের আগেই ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বেইজিং সফর করেছিলেন। সেই বৈঠকেই হয়তো ভবিষ্যৎ কৌশলের ভিত্তি তৈরি হয়েছে বলে ধারণা করছেন অনেকে।

বিশ্লেষকদের মতে, চীন হয়তো যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অর্থনৈতিক সম্পর্ক ও বিনিয়োগ বাড়ানোর স্বার্থে কিছু বিষয়ে নমনীয়তা দেখিয়েছে। তবে এর অর্থ এই নয় যে, বেইজিং পুরোপুরি তেহরান থেকে সরে এসেছে। কারণ চীনের সরাসরি অস্ত্র সরবরাহের প্রয়োজন না হলেও, রাশিয়ার মাধ্যমে সহযোগিতা অব্যাহত রাখা সম্ভব। বিশেষজ্ঞদের মতে, কাস্পিয়ান সাগর হয়ে রাশিয়ার মাধ্যমে সামরিক সরঞ্জাম ইরানে পৌঁছানো তুলনামূলক সহজ।

এছাড়া ট্রাম্পের সঙ্গে বৈঠকের পরও চীন ইরান থেকে তেল আমদানি অব্যাহত রাখবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে। ফলে ইরানের অর্থনীতি কিংবা দেশটির নিজস্ব অস্ত্র উৎপাদন সক্ষমতার ওপর বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না বলে মনে করছেন আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশ্লেষকরা।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category

ফেসবুকে আমরা