• বৃহস্পতিবার, ০৮ অক্টোবর ২০২৬, ০৭:১০ পূর্বাহ্ন
Headline
ছাত্রদল প্রকাশ্যে রক্ত দিয়ে লড়াই করেছে তাই তাদের ‘সুপ্ত’ বা ‘গুপ্ত’ বলার সুযোগ নেই : রিজভী সার ডিলার নিয়োগে কোটি টাকার বাণিজ্যের অভিযোগ দেশের অর্থনৈতিক রূপান্তরের সবচেয়ে বড় শক্তি হবে তরুণ প্রজন্ম : ববি হাজ্জাজ রংপুর মহানগরীর উন্নয়নে ১,৮১৩ কোটি টাকার দুই প্রকল্প অনুমোদন হামাসের ৭ অক্টোবরের হামলার তিন বছর পূর্তি উদযাপন পালন করছে ইসরাইল হুতির ক্ষেপণাস্ত্র ভূপাতিত সৌদি জোটের শ্যামল মাওলা-তানজিন তিশার ‘মায়াডোর’ ফুটবলপ্রেমীর মেসির জায়গা কখনোই পূরণ হওয়ার নয় : এমেলি প্যারা অ্যাথলেটদের সফলতায় সরকার সর্বোচ্চ সম্মান সুবিধা দেবে : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ‘মায়াডোর’ শ্যামল মাওলা-তানজিন তিশার

ইরানের সঙ্গে সমঝোতা নিয়ে আশাবাদী যুক্তরাষ্ট্র, তেহরানে যাচ্ছেন আসিম মুনির

আন্তজাতিক ডেস্ক / ৫২ Time View
Update : শুক্রবার, ২২ মে, ২০২৬

 ইরানের সঙ্গে চলমান উত্তেজনা নিরসন ও যুদ্ধ-পরবর্তী স্থায়ী সমঝোতা প্রতিষ্ঠার বিষয়ে আশাবাদ প্রকাশ করেছে United States। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী Marco Rubio জানিয়েছেন, আলোচনায় অগ্রগতি হচ্ছে এবং মধ্যস্থতাকারী হিসেবে Asim Munir-এর তেহরান সফর পরিস্থিতিকে আরও এগিয়ে নিতে পারে।

তেহরান থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, পাকিস্তানের সেনাপ্রধান আসিম মুনির আজ ইরান সফরে যাচ্ছেন। সেখানে তিনি ইরান সরকারের সঙ্গে আলোচনা ও পরামর্শে অংশ নেবেন বলে জানিয়েছে Islamic Republic News Agency ও অন্যান্য ইরানি গণমাধ্যম।

এদিকে Donald Trump সতর্ক করে বলেছেন, ইরান পরিস্থিতি এখন “চুক্তি ও নতুন হামলার সীমারেখায়” অবস্থান করছে। তিনি বলেন, “আমরা সঠিক উত্তর না পেলে খুব দ্রুত পরিস্থিতি বদলে যাবে।”

মার্কো রুবিও সাংবাদিকদের বলেন, “আমি বিশ্বাস করি পাকিস্তানি প্রতিনিধি দল আজ তেহরান সফর করবে। আশা করা যায়, এটি আলোচনাকে আরও এগিয়ে নেবে।”

গত ৮ এপ্রিল যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার মাধ্যমে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের মধ্যে সরাসরি সংঘাত বন্ধ হয়। তবে এখনো কোনো স্থায়ী শান্তিচুক্তি হয়নি। যুদ্ধবিরতির পর কূটনৈতিক আলোচনা চললেও উভয় পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা অব্যাহত রয়েছে।

গত ফেব্রুয়ারিতে সংঘাত শুরুর পর পাকিস্তানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের কর্মকর্তাদের মধ্যে প্রথম সরাসরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেই বৈঠকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন আসিম মুনির। তিনি মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট JD Vance-এর সঙ্গেও যোগাযোগ রক্ষা করেন বলে জানা যায়। তবে সেই আলোচনা শেষ পর্যন্ত সফল হয়নি।

ইরানের অভিযোগ, ওয়াশিংটন আলোচনায় “অতিরিক্ত দাবি” তুলেছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র দাবি করছে, তেহরানকে “শতভাগ সন্তোষজনক উত্তর” দিতে হবে।

ইরানের প্রধান আলোচক Mohammad Bagher Ghalibaf অভিযোগ করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র আবারও যুদ্ধ শুরু করতে চায়। তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, ইরানের ওপর নতুন হামলা হলে “কঠোর জবাব” দেওয়া হবে।

ইরানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র Esmail Baghaei জানিয়েছেন, ওয়াশিংটনের পাঠানো প্রস্তাবগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে বিদেশে জব্দ থাকা ইরানের সম্পদ মুক্ত করা এবং মার্কিন নৌ অবরোধ প্রত্যাহারের দাবিও পুনর্ব্যক্ত করেছে তেহরান।

বিশ্ববাজারেও এই সংকটের প্রভাব পড়েছে। বিশেষ করে Strait of Hormuz পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়ায় জ্বালানি সরবরাহ ও তেলের বাজারে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। বিশ্বের মোট তেল ও তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এই নৌপথ দিয়ে পরিবহন হয়।

বিশ্লেষকরা বলছেন, আসিম মুনিরের তেহরান সফর আলোচনায় নতুন গতি আনতে পারে। তবে সমঝোতা হবে নাকি আবারও সংঘাত বাড়বে— তা এখনো অনিশ্চিত।


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category