রাজধানীর নীলক্ষেতস্থ গাউসুল আজম সুপার মার্কেটে সর্বোচ্চ আদালতের আপিল বিভাগের রায় উপেক্ষা করে এক বিএনপি নেতাকে বেআইনিভাবে পদচ্যুত করা এবং জালিয়াতির মাধ্যমে তার পদত্যাগ দেখানোর অভিযোগ উঠেছে।
ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী ও বিএনপি নেতা জালাল আহমেদ জসিম দাবি করেছেন, রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার হয়ে তিনি বর্তমানে চরম অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন।

তিনি জানান, আপিল বিভাগের রায়ের মাধ্যমে তিনি মার্কেট সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তবে সমিতির সভাপতি মোতালেব তার স্বাক্ষর জাল করে ভুয়া পদত্যাগপত্র তৈরি করে তাকে বেআইনিভাবে পদ থেকে অপসারণ করেন।
জসিমের অভিযোগ, “সর্বোচ্চ আদালতের বৈধ রায় থাকা সত্ত্বেও আমাকে ষড়যন্ত্র করে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এটি সম্পূর্ণ বেআইনি।”
এছাড়া, সকল বিল পরিশোধের পরও পরিকল্পিতভাবে তার একাধিক দোকানের বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হয় বলে তিনি দাবি করেন। এতে তার আইডি কার্ড প্রিন্টিং ব্যবসা বন্ধ হয়ে যায় এবং তিনি গুরুতর আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়েন।
তিনি বলেন, “বিদ্যুৎ না থাকায় অর্ডার সরবরাহ করতে পারছিনা, কাস্টমারদের ক্ষতিপূরণ দিতে হয়েছে। আমি কার্যত পথে বসে গেছি।”
ভুক্তভোগীর দাবি, একটি প্রভাবশালী সিন্ডিকেটের মাধ্যমে তাকে আর্থিকভাবে পঙ্গু করে মার্কেট থেকে সরানোর চেষ্টা চলছে।
তিনি আরও জানান, বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার সংবাদ সম্মেলন এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিলেও এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিকার পাননি। সমবায় অধিদপ্তরে সালিশী মামলা (নং: ১/২০২৬) চলমান রয়েছে।
জসিম অভিযোগ করেন, প্রশাসনের নীরবতা ও প্রভাবের কারণে সুষ্ঠু তদন্ত ব্যাহত হচ্ছে, ফলে তিনি বিচারবঞ্চিত অবস্থায় রয়েছেন।
তিনি দোষীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা, ক্ষতিপূরণ এবং তার ব্যবসা পুনরুদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে অভিযুক্তর বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তার কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।
পরবর্তী প্রতিবেদনে বিস্তারিত আসছে ….