রাজধানীতে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের অভিযানে ৬৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ এ তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গ্রেফতারকৃতদের মধ্যে মোহাম্মদপুর থানায় ৩১ জন, শেরেবাংলা নগর থানায় ৮ জন, আদাবর থানায় ১১ জন, তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানায় ৭ জন এবং হাতিরঝিল থানায় ১০ জন রয়েছে।
তেজগাঁও বিভাগ সূত্রে জানা যায়, শনিবার বিভিন্ন অপরাধপ্রবণ এলাকায় নিয়মিত অভিযান চালিয়ে এসব ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়।
অভিযানকালে গ্রেফতারকৃতদের কাছ থেকে ৫১ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট, ১৯৫ পুরিয়া হেরোইন উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া একটি মোটরসাইকেল ও একটি ধারালো সুইচ গিয়ার (চাকু) জব্দ করা হয়।
গ্রেফতারকৃতরা হলেন— মো. আলম (১৯), রুবেল (১৯), মো. আনাছ (১৯), মো. আরিফ (২১), আতিকুর (৩০), মো. সিহাব (২১), মো. নাজমুল (১৯), মো. ফজলে রাব্বী (২৩), মো. লিটন মোল্লা শাহিন ওরফে রিপন (৪৪), জনি নন্দী (৩০), মো. আল আমিন (২৬), মো. আকতার হোসেন (৪৫), মো. মুন্না (২৪), মো. মিরাজ ফকির (২২), মো. নয়ন ওরফে খোকন (২৪), মো. আসাদুল ইসলাম (২৫), মো. শাওন (২৭), মো. মেহেদী হাসান সজীব, রাসেল (১৮), শাকিল (৩৯), মো. শ্রাবন (২০), মো. আশিকুর রহমান আকাশ (৩০), মো. মারুফ (৪৩), মো. রুবেল (৩৫), মো. রাব্বি (২০), মোশারফ হোসেন (২৮), মো. আরমান (১৮), মো. রুকন (২৬), মো. রাকিব (২২), মো. জোবায়ের (২৫), সুমন আহম্মেদ (৩২), মো. সাব্বির (৩৫), আমিরুল ইসলাম (২৯), মো. নুর আলম (৩০), মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম (২৮), মো. রুবেল (২৭), মো. রাব্বি (২০), মো. বেল্লাল (১৯), মো. আতিক মিয়া (২৪), মো. রবিউল ইসলাম (১৯), মো. বিপ্লব (৩৭), মো. দুলাল (৪৫), মো. মাসুদ মিয়া (৩৫), মো. রুহুল আমিন (৩৭), মো. ইউসুফ হোসেন (২৪), মো. মাইদুল ইসলাম হৃদয় (২৩), রাহিনুল ইসলাম রানু (৪৮), মো. শহিদুল ইসলাম (৫২), মো. শিহাব (২২), মো. হৃদয় হোসেন (১৮), মো. সজিব ইসলাম (২২), মো. আকরাম, মেহের বানু, মো. ইদ্রিস আলী (৩৫), মো. আব্দুল্লাহ (২৮), মো. সোলাইমান (২১), আঞ্জু মিয়া (২৮), মো. হারুন (৫০), মো. আবু সাঈদ (২৬), মো. ইয়াসিন (৪০), মো. রিপন (৪০), মো. সাব্বির হোসেন পাপ্পু (৩২), মো. বিজয় (২২), মো. শাকিল হোসেন (৩০), মো. দেলোয়ার হোসেন (৩৯), মেহেদী হাসান রুবেল (৩০) ও শাওন হোসেন খান (৩০)।
গ্রেফতারকৃতদের আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে জানানো হয়।
অপরাধ দমন এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।