আগামী ডিসেম্বরে যুক্তরাষ্ট্রে অনুষ্ঠিতব্য জি২০ সম্মেলনে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন অংশ নেবেন কি না, সে বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছে ক্রেমলিন।
মস্কো থেকে বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, রুশ গণমাধ্যমে ইতোমধ্যে খবর প্রকাশিত হয়েছে যে, এই সম্মেলনে অংশ নেওয়ার জন্য মস্কোকে আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
বিশ্বের শীর্ষ অর্থনীতির জোট জি২০-এর বৈঠকে ২০১৯ সালের পর আর সরাসরি অংশ নেননি পুতিন। প্রথমে করোনাভাইরাস মহামারি এবং পরে ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে তিনি এসব বৈঠক থেকে দূরে ছিলেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেসকভ বলেন, “এ বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি।”
রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা রিয়া নভোস্তি উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী আলেক্সান্ডার পানকিন-এর বরাত দিয়ে জানিয়েছে, ১৪-১৫ ডিসেম্বর মিয়ামি-তে অনুষ্ঠিতব্য এই সম্মেলনে রাশিয়াকে ‘সর্বোচ্চ পর্যায়ে’ আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।
২০২২ সালে ইউক্রেনে সেনা পাঠানোর পর পশ্চিমা দেশগুলো রাশিয়ার ওপর ব্যাপক নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে, যার ফলে দেশটি কূটনৈতিকভাবে অনেকটা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে। ২০২৩ সালে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) ইউক্রেন যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে পুতিনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে, যা তার আন্তর্জাতিক সফরে প্রভাব ফেলেছে।
তবে যুক্তরাষ্ট্র আইসিসির সদস্য নয়। গত আগস্টে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প-এর সঙ্গে এক সম্মেলনে অংশ নিতে আলাস্কা সফর করেছিলেন পুতিন।
হোয়াইট হাউসে ফেরার পর ট্রাম্প ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের লক্ষ্যে রাশিয়ার সঙ্গে দীর্ঘদিনের স্থবির সম্পর্ক পুনরুজ্জীবিত করার চেষ্টা করছেন। যদিও শুরুতে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে যুদ্ধ শেষ করার প্রতিশ্রুতি দিলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান বড় কোনো অগ্রগতি হয়নি। তবে এরই মধ্যে মস্কো ও কিয়েভ একাধিকবার আলোচনায় বসেছে।