স্টাফ রিপোর্টার:
রংপুর সদর উপজেলার আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন গুলশান, ঢাকার বিশিষ্ট ব্যবসায়ী ও শিক্ষাবান্ধব উদ্যোক্তা রবিউল আলম। তিনি আর টি এল গ্রুপ-এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষা ও ব্যবসা খাতে সফলতার সঙ্গে কাজ করে আসছেন।
অস্ট্রেলিয়া থেকে উচ্চশিক্ষা অর্জন শেষে দেশে ফিরে রবিউল আলম আন্তর্জাতিক মানের শিক্ষা ব্যবস্থাকে বাংলাদেশে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে কাজ শুরু করেন। তাঁর প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে প্রতি বছর অসংখ্য শিক্ষার্থীকে বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য পাঠানো হচ্ছে, যা দেশের মানবসম্পদ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে।
শুধু শিক্ষাক্ষেত্রেই নয়, বিভিন্ন ব্যবসা-বাণিজ্যের মাধ্যমে তিনি দেশের বেকার যুবসমাজের জন্য কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করে চলেছেন। তাঁর উদ্যোগে গড়ে ওঠা কর্মসংস্থান তরুণদের আত্মনির্ভরশীল হতে সহায়তা করছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।
রংপুর সদর উপজেলা উত্তরাঞ্চলের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক কেন্দ্র। রংপুর শহরকে ঘিরে গড়ে ওঠা এ উপজেলায় কৃষি, ক্ষুদ্র ব্যবসা ও শিক্ষাখাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।
তবে এখনো এই অঞ্চলে বেকারত্ব, দক্ষ জনশক্তির অভাব এবং আধুনিক কর্মসংস্থানের সীমাবদ্ধতা বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে রয়েছে। বিশেষ করে তরুণ ভোটারদের মধ্যে কর্মসংস্থান ও দক্ষতা উন্নয়নের দাবি দিন দিন বাড়ছে।
চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী রবিউল আলম জানিয়েছেন, তিনি নির্বাচিত হলে রংপুর সদরের উন্নয়নে বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা গ্রহণ করবেন। তাঁর পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে—
• আধুনিক দক্ষতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন
• বিদেশে উচ্চশিক্ষা ও স্কলারশিপ প্রাপ্তির সুযোগ বৃদ্ধি
• ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য সহায়তা বৃদ্ধি
• প্রযুক্তিনির্ভর কর্মসংস্থান সৃষ্টি
তিনি বলেন, “রংপুর সদরের তরুণদের দক্ষ জনশক্তিতে পরিণত করতে পারলেই এই অঞ্চলের অর্থনীতি বদলে যাবে।”
রাজনীতির বাইরে থেকে উঠে আসা একজন উদ্যোক্তা হিসেবে রবিউল আলম নিজেকে ‘সেবামুখী প্রার্থী’ হিসেবে তুলে ধরছেন। তিনি স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।
স্থানীয় সচেতন মহলের মতে, আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা ও ব্যবসায়িক দক্ষতা কাজে লাগাতে পারলে তিনি রংপুর সদরের উন্নয়নে নতুন দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে পারেন।

আসন্ন নির্বাচনে রংপুর সদর উপজেলার ভোটাররা উন্নয়ন, কর্মসংস্থান ও শিক্ষার বিষয়গুলোকে কতটা গুরুত্ব দেন, সেটিই এখন দেখার বিষয়। নতুন প্রজন্মের প্রত্যাশা পূরণে রবিউল আলম কতটা আস্থা অর্জন করতে পারেন, সেটিই নির্ধারণ করবে নির্বাচনের ফলাফল।