ঘটনাটি ঘটেছে মীরসরাই পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডে। ঘটনার বিবরণে জানা যায় বিবাদী মোঃ হারুন গং মাহফুজুল হক এবং তার ভাই এবং মায়ের থেকে একদাগে ৮শতক ৭৫পয়েন্ট অন্য দাগে ৬শতক মোট ১৪শতক ৭৫ পয়েন্ট শুদ্ধভাবে ছাফ কবলায় রেজিষ্ট্রী হয়। এই জায়গা রেজিষ্ট্রী হওয়ার এক সপ্তাহ পর বিবাদী হারুন গং জানায় যে, তার রেজিষ্ট্রী শুদ্ধ হয় নাই। পুনরায় রেজীষ্ট্রী দিতে হবে। এই জায়গাগুলো বিবাদী হারুনের স্ত্রী আনোয়ারার নামে অবৈধ ভাবে নামজারী সৃজন করে। যার সৃজিত বি.এস খতিয়ান নং-৫৫২৫, সম্পত্তির পরিমাণ-১৯.৮০শতক। এই বিষয়ে পৌরসভার ৪নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর শাখের ইসলাম রাজুর কাছে জানতে চাইলে তিনি জাতীয় দৈনিক একুশে সংবাদ কে জানান তাদের এই বিষয় নিয়ে পৌর আদালতে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন বাদী ওমর ফারুক গং।তারই প্রেক্ষিতে আমরা কয়েক দফা বৈঠক করি,সেখানে কাগজপত্র পর্যালোচনা করে দেখা যায় যে বিবাদী হারুন গং লোভের বসিভূত হয়ে বাদী হারুন থেকে সত্বের অধিক জায়গা জ্বাল দলিলের মাধ্যমে নিয়ে নে, এবং দাবী করেন তার জায়গা ছেড়ে দিতে।যার দলিল নং-১৫৮৮, তারিখ-২৯/০৪/২০১০ইং বিএস খতিয়ান ৪২৫৪দাগে ২৬শতক সম্পত্তি বিবাদী হারুন তার স্ত্রী আনোয়ারা বেগমের নামে নামজারী করেন। যাহা সম্পূর্ণ অবৈধ বেআইনী, আমরা পৌর আদালতে সিদ্ধান্ত নিই যে স্বত্ত্বের অধিক যেই জায়গা গুলো হারুন গং নামজারী করেছেন সেগুলো ফেরত দেওয়ার জন্য তাকে বলি। কিন্তু উপস্থিতি দিতে স্বীকার করলেও পরে তা দিতে অপারগতা প্রকাশ করে। তারই প্রেক্ষিতে গত ১তারিখ হারুন গং তার মেয়েদের নিয়ে বাদী ওমর ফারুক গংদের ঘরে ঢুকে এলোপাথাড়ি ভাবে মেরে রক্তাক্ত করে,ঘটনার মুল সূত্রপাত এটাই, পরে ওমর ফারুক গংদের মেয়েদেরকে নিয়ে স্থানীয় হাসপাতাল মন্তান নগরে চিকিৎসা নেন। পরে সেখান থেকে মীরসরাই থানায় অভিযোগ করতে আসলে মামলা তদন্তকারী কর্মকর্তা এস.আই সৈয়দ তাদের মেডিকেল সার্টিফিকেট নিয়ে নেয়। পক্ষান্তরে প্রতিপক্ষদের মামলা আমলে নিয়ে বাদীদেরকে গ্রেফতার করে।এই বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার মুঠোফোনে জানতে চাইলে তিনি জাতীয় দৈনিক একুশে সংবাদ কে জানান বিবাদী হারুন গং তার মেয়ে দের ইনজুরি বেশি হওয়ায় মেডিকেল সার্টিফিকেট ৩২৬ ধারায় মামলা ওয়ারেন্ট হয় তাই ওমর ফারুক গং দের কয়েকজন কে গ্রেফতার করে মাননীয় আদালতে সোপর্দ করি। তবে ভূক্তভোগী ওমর ফারুক গং দের দাবী একই দিনের ঘটনা আবার একই দিনে ৩২৬ ধারার মেডিকেল রিপোর্ট কিভাবে নিয়ে আসে আমাদের প্রশ্ন । এমন মিথ্যা হয়রানি মূলক মামলা থেকে অব্যাহতি চেয়ে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনা কাছে আকুল আবেদন জানিয়েছেন ভুক্তভোগী পরিবার।