ঢাজা ০২:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফুটপাথে বসবাস, তবু দুই শিশুর হাতে স্কুলের বই


আজিমপুর থেকে নীলক্ষেতের পথে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তোরণের নিচের ফুটপাথে দেখা গেল এক মানবিক দৃশ্য—
একজন নারী, হয়তো মা, দাদি কিংবা নানি—দুই ছোট শিক্ষার্থীকে স্কুলে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত করছেন।
চিরুনি দিয়ে চুল গুছিয়ে দিচ্ছেন, যত্ন করে বেঁধে দিচ্ছেন ফিতা। পাশে ছেঁড়া ব্যাগ, পুরনো কাপড়, আর ফুটপাতের অস্থায়ী আশ্রয়।

তাদের একবেলা ভাতও ঠিকভাবে জোটে না—তবু পড়াশোনা ছাড়েনি তারা।
দু’জনের গায়ে পরিষ্কার-গোছানো স্কুল ড্রেস, মুখে স্কুলে যাওয়ার আনন্দ।
এই দৃশ্যটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে “রসগোল্লা” নামের একটি পেজ থেকে। ছবিটি তুলেছেন বলে জানা গেছে মতিউল নামে এক ব্যক্তি। মুহূর্তেই এটি ভাইরাল হয়ে যায়, অসংখ্য মানুষ আবেগে ভেসে যায়।

সকালের সেই দৃশ্য দেখে অনেক পথচারী থেমে গেছেন।
কেউ ছবি তুলেছেন, কেউ সাহায্যের হাত বাড়াতে চেয়েছেন।
তবে বড় প্রশ্ন থেকে যায়—এভাবে আর কতদিন?
ফুটপাথে বেড়ে ওঠা এই শিশুদের ভবিষ্যৎ কী হবে?
তাদের লেখাপড়ার স্বপ্ন কি টিকে থাকবে শহরের কংক্রিটের কঠিন বাস্তবতায়?

অনেকেই ইতিমধ্যে ওদের খোঁজ নিতে শুরু করেছেন।
আশা করা যায়, মানবতার হাত এক হবে—
কেউ না কেউ এগিয়ে আসবেন ওদের শিক্ষা ও আশ্রয়ের ব্যবস্থায়।

আল্লাহ, ওদের তুমি দেইখো।
লোকেশন: আজিমপুর–পলাশী থেকে নীলক্ষেত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তোরণ সংলগ্ন ফুটপাত, ইডেন বিল্ডিংয়ের পাশ।

জনপ্রিয় সংবাদ

তরুণ প্রজন্ম গঠনে ক্রীড়ার বিকল্প নেই: তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী

ফুটপাথে বসবাস, তবু দুই শিশুর হাতে স্কুলের বই

সপ্রকাশিত হয়েছে: ০৫:১৮:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫


আজিমপুর থেকে নীলক্ষেতের পথে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তোরণের নিচের ফুটপাথে দেখা গেল এক মানবিক দৃশ্য—
একজন নারী, হয়তো মা, দাদি কিংবা নানি—দুই ছোট শিক্ষার্থীকে স্কুলে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত করছেন।
চিরুনি দিয়ে চুল গুছিয়ে দিচ্ছেন, যত্ন করে বেঁধে দিচ্ছেন ফিতা। পাশে ছেঁড়া ব্যাগ, পুরনো কাপড়, আর ফুটপাতের অস্থায়ী আশ্রয়।

তাদের একবেলা ভাতও ঠিকভাবে জোটে না—তবু পড়াশোনা ছাড়েনি তারা।
দু’জনের গায়ে পরিষ্কার-গোছানো স্কুল ড্রেস, মুখে স্কুলে যাওয়ার আনন্দ।
এই দৃশ্যটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে “রসগোল্লা” নামের একটি পেজ থেকে। ছবিটি তুলেছেন বলে জানা গেছে মতিউল নামে এক ব্যক্তি। মুহূর্তেই এটি ভাইরাল হয়ে যায়, অসংখ্য মানুষ আবেগে ভেসে যায়।

সকালের সেই দৃশ্য দেখে অনেক পথচারী থেমে গেছেন।
কেউ ছবি তুলেছেন, কেউ সাহায্যের হাত বাড়াতে চেয়েছেন।
তবে বড় প্রশ্ন থেকে যায়—এভাবে আর কতদিন?
ফুটপাথে বেড়ে ওঠা এই শিশুদের ভবিষ্যৎ কী হবে?
তাদের লেখাপড়ার স্বপ্ন কি টিকে থাকবে শহরের কংক্রিটের কঠিন বাস্তবতায়?

অনেকেই ইতিমধ্যে ওদের খোঁজ নিতে শুরু করেছেন।
আশা করা যায়, মানবতার হাত এক হবে—
কেউ না কেউ এগিয়ে আসবেন ওদের শিক্ষা ও আশ্রয়ের ব্যবস্থায়।

আল্লাহ, ওদের তুমি দেইখো।
লোকেশন: আজিমপুর–পলাশী থেকে নীলক্ষেত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তোরণ সংলগ্ন ফুটপাত, ইডেন বিল্ডিংয়ের পাশ।