ঢাজা ০৭:৩৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৪ মার্চ ২০২৬, ২০ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

পরকীয়া সন্দেহে জীবন গেল স্ত্রীর, স্বামী পলাতক

জয়পুরহাটের কালাইয়ে পরকীয়া সন্দেহে দ্বিতীয় স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত স্বামী পলাতক রয়েছেন। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক তিনটার দিকে উপজেলার এলতা উত্তরপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।নিহত খালেদা (৩৫) ওই গ্রামের আব্দুল বারী ওরফে সাইদুরের (৫৫) দ্বিতীয় স্ত্রী।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দুই যুগ আগে কালাই উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের আব্দুল বারী ওরফে সাইদুরের সঙ্গে খালেদার বিয়ে হয়। এরপর থেকে তিনি স্ত্রীর বাবার বাড়িতে ঘরজামাই হিসেবে বসবাস করতেন। তাঁদের সংসারে এক মেয়ে সন্তান রয়েছে।

শনিবার দুপুরে খালেদা মুঠোফোনে অন্য এক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলছিলেন- এমন সন্দেহে স্বামী তাঁকে মারধর করেন এবং তাঁর স্বর্ণালংকার নিয়ে নেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বিকেলে স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা হয়। স্থানীয়দের ভাষ্য মতে , রাতে সবাই ঘুমিয়ে পড়ার পর গভীর রাতে খালেদাকে গলায় ওড়না ও তার পেঁচিয়ে হত্যা করা হয়। পরে অভিযুক্ত স্বামী পালিয়ে যান।

খবর পেয়ে পুলিশ রাতেই ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতাল-এর মর্গে পাঠায়।কালাই থানার ওসি (তদন্ত) দীপেন্দ্রনাথ সিংহ বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, সন্দেহের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে জন্য জোরালো চেষ্টা চলছে।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

পরকীয়া সন্দেহে জীবন গেল স্ত্রীর, স্বামী পলাতক

সপ্রকাশিত হয়েছে: ০৩:৩৩:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬

জয়পুরহাটের কালাইয়ে পরকীয়া সন্দেহে দ্বিতীয় স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ উঠেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। ঘটনার পর থেকে অভিযুক্ত স্বামী পলাতক রয়েছেন। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে।

শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক তিনটার দিকে উপজেলার এলতা উত্তরপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।নিহত খালেদা (৩৫) ওই গ্রামের আব্দুল বারী ওরফে সাইদুরের (৫৫) দ্বিতীয় স্ত্রী।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দুই যুগ আগে কালাই উপজেলার রঘুনাথপুর গ্রামের আব্দুল বারী ওরফে সাইদুরের সঙ্গে খালেদার বিয়ে হয়। এরপর থেকে তিনি স্ত্রীর বাবার বাড়িতে ঘরজামাই হিসেবে বসবাস করতেন। তাঁদের সংসারে এক মেয়ে সন্তান রয়েছে।

শনিবার দুপুরে খালেদা মুঠোফোনে অন্য এক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলছিলেন- এমন সন্দেহে স্বামী তাঁকে মারধর করেন এবং তাঁর স্বর্ণালংকার নিয়ে নেন বলে অভিযোগ রয়েছে। বিষয়টি নিয়ে বিকেলে স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা হয়। স্থানীয়দের ভাষ্য মতে , রাতে সবাই ঘুমিয়ে পড়ার পর গভীর রাতে খালেদাকে গলায় ওড়না ও তার পেঁচিয়ে হত্যা করা হয়। পরে অভিযুক্ত স্বামী পালিয়ে যান।

খবর পেয়ে পুলিশ রাতেই ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে জয়পুরহাট জেনারেল হাসপাতাল-এর মর্গে পাঠায়।কালাই থানার ওসি (তদন্ত) দীপেন্দ্রনাথ সিংহ বলেন, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। সুরতহাল প্রতিবেদন শেষে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, সন্দেহের জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।তিনি আরও জানান, এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে মামলা হয়েছে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তারে জন্য জোরালো চেষ্টা চলছে।