
তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী অপতথ্য ও ভুল তথ্যের নেতিবাচক প্রভাব সম্পর্কে সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, অসত্য তথ্য শুধু রাষ্ট্রের জন্য নয়, ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের জন্যও বড় ধরনের ক্ষতির কারণ হতে পারে।
সোমবার বিকেলে রাজধানীর চ্যানেল আই ভবনের ছাদ বারান্দায় ‘অ্যালগরিদম যুগে সাংবাদিকতা’ শীর্ষক আলোচনা ও চ্যানেল আই অনলাইন-এর ১২ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, “বর্তমানে অনলাইনে তথ্যের প্রবাহ ব্যাপক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে এই সুযোগে যেন অপতথ্য ছড়িয়ে না পড়ে, সে বিষয়ে আমাদের সবাইকে সচেতন থাকতে হবে। বিশেষ করে অনলাইন গণমাধ্যমগুলোকে এই ক্ষেত্রে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।”
তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, চ্যানেল আই অনলাইন বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের মাধ্যমে অপতথ্য প্রতিরোধে অগ্রণী ভূমিকা অব্যাহত রাখবে।
বিবিসিতে দীর্ঘ ১৬ বছর কাজের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, “ডিজিটালাইজেশন মানে শুধু অনলাইনে উপস্থিতি নয়; এটি ব্যয়বহুল এবং প্রযুক্তিনির্ভর একটি প্রক্রিয়া। আমরা দেশের গণমাধ্যমকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে বিভিন্ন অংশীজনের সঙ্গে কাজ করছি।”
তিনি আরও বলেন, বর্তমান সরকার সংবাদপত্রের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী। গণতন্ত্রকে সুসংহত করতে সংবাদপত্র, ইলেকট্রনিক ও ডিজিটাল মিডিয়াকে স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে এবং তা অব্যাহত রাখা হবে।
অনুষ্ঠানে চ্যানেল আই অনলাইন-এর এবারের স্লোগান ছিল ‘ভয়হীন স্বাধীন সাহস’। এ সময় প্রতিষ্ঠানের সম্পাদক ও চ্যানেল আই-এর চিফ এক্সিকিউটিভ এডিটর জাহিদ নেওয়াজ খান মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।
আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন কবি ও শিক্ষক আফরোজা সোমা, সাংবাদিক শওকত হোসেন মাসুম এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়-এর শিক্ষক ড. ইমরান হোসেন।
মীর মাসরুর জামান রনি-এর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সেরা সংবাদকর্মীদের পুরস্কৃত করা হয়। শেষে প্রতিমন্ত্রী আমন্ত্রিত অতিথিদের সঙ্গে কেক কেটে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর উৎসব উদযাপন করেন।
ঢাকা প্রতিনিধি: 
























