ঢাজা ০৭:১২ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাষ্ট্রপতির ভাষণ নিয়ে সংসদে তীব্র আলোচনা, উন্নয়ন ও অতীত শাসন নিয়ে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য

 জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে সরকারি দলের সংসদ সদস্যরা গত ১৭ বছরের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড নিয়ে সমালোচনা করেন। তারা অভিযোগ করেন, ওই সময়ে উন্নয়নের নামে জনগণের সঙ্গে “প্রতারণা” ও স্বৈরাচারী শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল

আলোচনায় ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য নায়াব ইউসুফ আহমেদ বলেন, অতীত শাসনামলে উন্নয়ন কার্যক্রম রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ছিল এবং জনগণ প্রকৃত উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, তারেক রহমান-এর নেতৃত্বে দেশের সমস্যাগুলোর সমাধান হবে।

চট্টগ্রাম-১৪ আসনের সংসদ সদস্য জসিম উদ্দিন আহমেদ অভিযোগ করেন, তার নির্বাচনী এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে কোনো মৌলিক উন্নয়ন হয়নি, এমনকি হাসপাতালের মতো জরুরি সেবাও নেই।

নরসিংদী-৫ আসনের সংসদ সদস্য আশরাফ উদ্দিন বলেন, তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ‘ঘৃণা প্রস্তাব’ আনার দাবি জানান।

অন্যদিকে বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্য আবু তালেব রাষ্ট্রপতিকে ধন্যবাদ জানানো নিয়ে আপত্তি তুলে বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ধন্যবাদ প্রস্তাব সমীচীন নয়।

আলোচনায় বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন দলের সংসদ সদস্যরাও অংশ নেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন এস এম ফয়সাল, ইমরান আহমেদ চৌধুরী, সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, মাহবুবুর রহমান বেলাল এবং অন্যান্য সংসদ সদস্যরা।

অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণ ঘিরে দীর্ঘ আলোচনা শেষে কার্যউপদেষ্টা কমিটি ৫০ ঘণ্টা আলোচনার সময় নির্ধারণ করে। চিফ হুইপ মো. নুরুল ইসলাম ধন্যবাদ প্রস্তাব উত্থাপন করেন এবং হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহম্মেদ অপু তা সমর্থন করেন।

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন গত ১২ মার্চ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরুর দিনে ভাষণ দেন, যার ওপর এই ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু আজ

রাষ্ট্রপতির ভাষণ নিয়ে সংসদে তীব্র আলোচনা, উন্নয়ন ও অতীত শাসন নিয়ে পাল্টাপাল্টি বক্তব্য

সপ্রকাশিত হয়েছে: ০৩:০৫:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

 জাতীয় সংসদে রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে সরকারি দলের সংসদ সদস্যরা গত ১৭ বছরের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড নিয়ে সমালোচনা করেন। তারা অভিযোগ করেন, ওই সময়ে উন্নয়নের নামে জনগণের সঙ্গে “প্রতারণা” ও স্বৈরাচারী শাসন প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।

অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল

আলোচনায় ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য নায়াব ইউসুফ আহমেদ বলেন, অতীত শাসনামলে উন্নয়ন কার্যক্রম রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ছিল এবং জনগণ প্রকৃত উন্নয়ন থেকে বঞ্চিত হয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেন, তারেক রহমান-এর নেতৃত্বে দেশের সমস্যাগুলোর সমাধান হবে।

চট্টগ্রাম-১৪ আসনের সংসদ সদস্য জসিম উদ্দিন আহমেদ অভিযোগ করেন, তার নির্বাচনী এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে কোনো মৌলিক উন্নয়ন হয়নি, এমনকি হাসপাতালের মতো জরুরি সেবাও নেই।

নরসিংদী-৫ আসনের সংসদ সদস্য আশরাফ উদ্দিন বলেন, তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে ‘ঘৃণা প্রস্তাব’ আনার দাবি জানান।

অন্যদিকে বিরোধী দলীয় সংসদ সদস্য আবু তালেব রাষ্ট্রপতিকে ধন্যবাদ জানানো নিয়ে আপত্তি তুলে বলেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে ধন্যবাদ প্রস্তাব সমীচীন নয়।

আলোচনায় বিএনপি, জামায়াতে ইসলামীসহ বিভিন্ন দলের সংসদ সদস্যরাও অংশ নেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্যরা হলেন এস এম ফয়সাল, ইমরান আহমেদ চৌধুরী, সৈয়দ জাহাঙ্গীর আলম, মাহবুবুর রহমান বেলাল এবং অন্যান্য সংসদ সদস্যরা।

অধিবেশনে রাষ্ট্রপতির ভাষণ ঘিরে দীর্ঘ আলোচনা শেষে কার্যউপদেষ্টা কমিটি ৫০ ঘণ্টা আলোচনার সময় নির্ধারণ করে। চিফ হুইপ মো. নুরুল ইসলাম ধন্যবাদ প্রস্তাব উত্থাপন করেন এবং হুইপ মিয়া নুরুদ্দিন আহম্মেদ অপু তা সমর্থন করেন।

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন গত ১২ মার্চ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশন শুরুর দিনে ভাষণ দেন, যার ওপর এই ধন্যবাদ প্রস্তাবের আলোচনা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।