ঢাজা ০২:০৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হাওরের পানি খেয়ে বেঁচে আছেন তারা

  • অনলাইন ডেস্ক
  • সপ্রকাশিত হয়েছে: ০৭:৫৪:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুন ২০২২
  • ১৩৯ শেয়ার

টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে গেছে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার হাওরবেষ্টিত সাতটি ইউনিয়ন। নেই বিদ্যুৎ। তলিয়ে গেছে প্রায় সব নলকুপ। ফলে বন্যাকবলিত পরিবার ও আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে মারাত্মকভাবে বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে। সাড়ে তিন লাখের বেশি মানুষ এখনও পানিবন্দি রয়েছেন। টাংগুয়ার হাওর পাড়ের জয়পুর, গোলাবাড়ি, চিলানী তাহিরপুরসহ হাওর পাড়ের প্রতিটি গ্রামের বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগ পড়েছেন। জয়পুর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রহমান জানান, বন্যায় তারা চরম দুর্ভোগের মধ্যে দিয়ে সময় পার করছেন। আছেন ব্যাপক খাদ্যসংকটে। বিশুদ্ধ পানি না পেয়ে হাওরের পানি খেতে বাধ্য হচ্ছেন তারা। জেলার তাহিরপুর উপজেলার মানিকখিলা গ্রামের বাসিন্দা সুবর্ণা বেগম জানান, বন্যায় সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় রয়েছে শিশু, নারী ও বয়স্করা। মারালা গ্রামের বাসিন্দা আয়নাল মিয়া জানান, সব টিউবওয়েল পানির নিচে চলে গেছে। বোতলজাত পানি কেনারও সামর্থ্য নেই তাদের।দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলী আহমদ মোরাদ জানান, ইউনিয়নগুলো হাওরবেষ্টিত হওয়ায় খাবার পানির সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রায়হান কবির জানান, বন্যাকবলিত প্রত্যেক বাড়িতে বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করা খুবই কঠিন হয়ে পড়েছে। বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট ও শুকনো খাবার বিতরণ করা হচ্ছে।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

চীন সফরে গেছেন মির্জা ফখরুল

হাওরের পানি খেয়ে বেঁচে আছেন তারা

সপ্রকাশিত হয়েছে: ০৭:৫৪:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ জুন ২০২২

টানা বৃষ্টি ও পাহাড়ি ঢলে তলিয়ে গেছে সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার হাওরবেষ্টিত সাতটি ইউনিয়ন। নেই বিদ্যুৎ। তলিয়ে গেছে প্রায় সব নলকুপ। ফলে বন্যাকবলিত পরিবার ও আশ্রয় কেন্দ্রগুলোতে মারাত্মকভাবে বিশুদ্ধ পানির সংকট দেখা দিয়েছে। সাড়ে তিন লাখের বেশি মানুষ এখনও পানিবন্দি রয়েছেন। টাংগুয়ার হাওর পাড়ের জয়পুর, গোলাবাড়ি, চিলানী তাহিরপুরসহ হাওর পাড়ের প্রতিটি গ্রামের বাসিন্দারা চরম দুর্ভোগ পড়েছেন। জয়পুর গ্রামের বাসিন্দা আব্দুর রহমান জানান, বন্যায় তারা চরম দুর্ভোগের মধ্যে দিয়ে সময় পার করছেন। আছেন ব্যাপক খাদ্যসংকটে। বিশুদ্ধ পানি না পেয়ে হাওরের পানি খেতে বাধ্য হচ্ছেন তারা। জেলার তাহিরপুর উপজেলার মানিকখিলা গ্রামের বাসিন্দা সুবর্ণা বেগম জানান, বন্যায় সবচেয়ে খারাপ অবস্থায় রয়েছে শিশু, নারী ও বয়স্করা। মারালা গ্রামের বাসিন্দা আয়নাল মিয়া জানান, সব টিউবওয়েল পানির নিচে চলে গেছে। বোতলজাত পানি কেনারও সামর্থ্য নেই তাদের।দক্ষিণ শ্রীপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলী আহমদ মোরাদ জানান, ইউনিয়নগুলো হাওরবেষ্টিত হওয়ায় খাবার পানির সংকট তীব্র আকার ধারণ করেছে। তাহিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ রায়হান কবির জানান, বন্যাকবলিত প্রত্যেক বাড়িতে বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করা খুবই কঠিন হয়ে পড়েছে। বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট ও শুকনো খাবার বিতরণ করা হচ্ছে।