ঢাজা ১০:২৭ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬, ৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

আদিবাসী সমাজের পিছিয়ে পড়া শিশুদের শিক্ষার আলোয় আলোকিত করার জন্য

এই মানুষটি নিজের উদ্যোগে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করেছেন, শুধুমাত্র আদিবাসী সমাজের পিছিয়ে পড়া শিশুদের শিক্ষার আলোয় আলোকিত করার জন্য। কোভিড লকডাউনের কঠিন সময়ে যখন দেশের বহু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গিয়েছিল, অনেক শিশু যখন শিক্ষা থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল, তখনও তিনি থেমে যাননি। বরং সেখান থেকেই শুরু হয় তাঁর লড়াই — শিক্ষাকে আবারও শিশুদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার এক অক্লান্ত প্রয়াস।

যে যুগে শিক্ষা একটি ব্যয়বহুল ব্যবসায় পরিণত হয়েছে, যেখানে ‘বিদ্যালয়’ নামক প্রতিষ্ঠানগুলি শুধুমাত্র মুনাফার জন্য পরিচালিত হচ্ছে, সেখানে এই মানুষটি শিক্ষাকে একটি ‘উৎসব’ হিসেবে তুলে ধরেছেন — যা মুক্তির পথ, আত্মমর্যাদার উৎস এবং সমাজ পরিবর্তনের হাতিয়ার। তিনি প্রমাণ করে দিয়েছেন, একটি বিদ্যালয় শুধু ভবিষ্যৎ নির্মাণের কারখানাই নয়, বরং এটি একটি সংস্কৃতি, যেখানে ভালো মানুষ তৈরি হয়, চিন্তাশীল নাগরিক গড়ে ওঠে এবং সমাজ তার আসল মুখ দেখতে পায়।

এই ধরনের মানুষই সত্যিকারের অনুপ্রেরণা। এঁরা প্রচার চান না, এঁরা শুধু কাজ করে যান — নিঃশব্দে, নিরলসভাবে। সমাজের প্রতিটি কোণে যখন অমানবিকতা আর বৈষম্য বাড়ছে, তখন মালতী দিদিমনির মতো মানুষেরা আশার আলো জ্বালান। তাঁরা বুঝিয়ে দেন, শিক্ষা কোনো পণ‍্য নয় — এটি একটি অধিকার, একটি উপলব্ধি, একটি মুক্তি।

তাঁর মতো মানুষদের আমরা শুধু সম্মানই জানাই না, তাঁদের আদর্শকে অনুসরণ করাও আমাদের দায়িত্ব। মালতী দিদিমনি, আপনি ও আপনার মতো নিবেদিতপ্রাণ মানুষরা আমাদের দেশের আসল রত্ন — কারণ আপনারা জাতি গঠনের প্রকৃত কারিগর।

শিক্ষা হোক প্রতিটি শিশুর অধিকার, এবং প্রতিটি হৃদয়ে জাগুক সেই উৎসবের অনুভব — যে উৎসবের নাম “মুক্তি”।

জনপ্রিয় সংবাদ

আক্ষেপ নেই হংসিকা মোতওয়ানিকে

আদিবাসী সমাজের পিছিয়ে পড়া শিশুদের শিক্ষার আলোয় আলোকিত করার জন্য

সপ্রকাশিত হয়েছে: ০৮:৪০:১১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৭ জুলাই ২০২৫

এই মানুষটি নিজের উদ্যোগে একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করেছেন, শুধুমাত্র আদিবাসী সমাজের পিছিয়ে পড়া শিশুদের শিক্ষার আলোয় আলোকিত করার জন্য। কোভিড লকডাউনের কঠিন সময়ে যখন দেশের বহু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ হয়ে গিয়েছিল, অনেক শিশু যখন শিক্ষা থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছিল, তখনও তিনি থেমে যাননি। বরং সেখান থেকেই শুরু হয় তাঁর লড়াই — শিক্ষাকে আবারও শিশুদের কাছে পৌঁছে দেওয়ার এক অক্লান্ত প্রয়াস।

যে যুগে শিক্ষা একটি ব্যয়বহুল ব্যবসায় পরিণত হয়েছে, যেখানে ‘বিদ্যালয়’ নামক প্রতিষ্ঠানগুলি শুধুমাত্র মুনাফার জন্য পরিচালিত হচ্ছে, সেখানে এই মানুষটি শিক্ষাকে একটি ‘উৎসব’ হিসেবে তুলে ধরেছেন — যা মুক্তির পথ, আত্মমর্যাদার উৎস এবং সমাজ পরিবর্তনের হাতিয়ার। তিনি প্রমাণ করে দিয়েছেন, একটি বিদ্যালয় শুধু ভবিষ্যৎ নির্মাণের কারখানাই নয়, বরং এটি একটি সংস্কৃতি, যেখানে ভালো মানুষ তৈরি হয়, চিন্তাশীল নাগরিক গড়ে ওঠে এবং সমাজ তার আসল মুখ দেখতে পায়।

এই ধরনের মানুষই সত্যিকারের অনুপ্রেরণা। এঁরা প্রচার চান না, এঁরা শুধু কাজ করে যান — নিঃশব্দে, নিরলসভাবে। সমাজের প্রতিটি কোণে যখন অমানবিকতা আর বৈষম্য বাড়ছে, তখন মালতী দিদিমনির মতো মানুষেরা আশার আলো জ্বালান। তাঁরা বুঝিয়ে দেন, শিক্ষা কোনো পণ‍্য নয় — এটি একটি অধিকার, একটি উপলব্ধি, একটি মুক্তি।

তাঁর মতো মানুষদের আমরা শুধু সম্মানই জানাই না, তাঁদের আদর্শকে অনুসরণ করাও আমাদের দায়িত্ব। মালতী দিদিমনি, আপনি ও আপনার মতো নিবেদিতপ্রাণ মানুষরা আমাদের দেশের আসল রত্ন — কারণ আপনারা জাতি গঠনের প্রকৃত কারিগর।

শিক্ষা হোক প্রতিটি শিশুর অধিকার, এবং প্রতিটি হৃদয়ে জাগুক সেই উৎসবের অনুভব — যে উৎসবের নাম “মুক্তি”।