ঢাজা ০২:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বাজিতপুর সরকারি কলেজের এইচএসসি পরীক্ষায় ৪২০ জন শিক্ষার্থী অকৃতকার্য


বাজিতপুর সরকারি কলেজের এবারের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে মোট ৪২০ জন শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে। ফলাফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে হতাশার ছাপ দেখা গেছে।

কলেজ সূত্রে জানা যায়, এ বছর প্রতিষ্ঠানটি থেকে মোট প্রায় এক হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ৪২০ জন শিক্ষার্থী ফেল করেছে। গত বছরের তুলনায় অকৃতকার্যের সংখ্যা এ বছর কিছুটা বেড়েছে বলে জানা গেছে।

শিক্ষার্থীরা জানায়, নিয়মিত ক্লাস না হওয়া, শিক্ষক সংকট ও পাঠ্যবই শেষ না করার কারণে অনেকেই ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে পারেনি। অভিভাবকরাও শিক্ষার মান উন্নয়নে কলেজ প্রশাসনের আরও কার্যকর ভূমিকা প্রত্যাশা করেছেন।

অন্যদিকে কলেজের একাধিক শিক্ষক জানান, ফলাফল উন্নয়নে কলেজ কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যেই কয়েকটি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। শিক্ষকদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা ও দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সহায়ক ক্লাস চালুর পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় শিক্ষাবিদদের মতে, বাজিতপুর সরকারি কলেজের মতো ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের ফলাফল উদ্বেগজনক। দ্রুত শিক্ষার মান উন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।

জনপ্রিয় সংবাদ

তরুণ প্রজন্ম গঠনে ক্রীড়ার বিকল্প নেই: তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী

বাজিতপুর সরকারি কলেজের এইচএসসি পরীক্ষায় ৪২০ জন শিক্ষার্থী অকৃতকার্য

সপ্রকাশিত হয়েছে: ০৫:১৪:৫০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৬ অক্টোবর ২০২৫


বাজিতপুর সরকারি কলেজের এবারের এইচএসসি পরীক্ষার ফলাফলে মোট ৪২০ জন শিক্ষার্থী অকৃতকার্য হয়েছে। ফলাফল প্রকাশের পর শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে হতাশার ছাপ দেখা গেছে।

কলেজ সূত্রে জানা যায়, এ বছর প্রতিষ্ঠানটি থেকে মোট প্রায় এক হাজারেরও বেশি শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ৪২০ জন শিক্ষার্থী ফেল করেছে। গত বছরের তুলনায় অকৃতকার্যের সংখ্যা এ বছর কিছুটা বেড়েছে বলে জানা গেছে।

শিক্ষার্থীরা জানায়, নিয়মিত ক্লাস না হওয়া, শিক্ষক সংকট ও পাঠ্যবই শেষ না করার কারণে অনেকেই ভালোভাবে প্রস্তুতি নিতে পারেনি। অভিভাবকরাও শিক্ষার মান উন্নয়নে কলেজ প্রশাসনের আরও কার্যকর ভূমিকা প্রত্যাশা করেছেন।

অন্যদিকে কলেজের একাধিক শিক্ষক জানান, ফলাফল উন্নয়নে কলেজ কর্তৃপক্ষ ইতোমধ্যেই কয়েকটি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। শিক্ষকদের নিয়মিত উপস্থিতি নিশ্চিত করা ও দুর্বল শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ সহায়ক ক্লাস চালুর পরিকল্পনাও নেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় শিক্ষাবিদদের মতে, বাজিতপুর সরকারি কলেজের মতো ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানে এ ধরনের ফলাফল উদ্বেগজনক। দ্রুত শিক্ষার মান উন্নয়নে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তারা।