ঢাজা ০৭:২০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

হুঁশিয়ারি দিল ইরান-সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনায় হামলার

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে সৌদি আরবের জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এ সতর্কবার্তা দিয়েছেন বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে জানা গেছে।

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান-এর ডেপুটি ইসমাইল সাকাব ইস্ফাহানি বলেন, ইরানের লক্ষ্যবস্তু নির্ধারিত রয়েছে। যদি তাদের কোনো তেলক্ষেত্রে হামলা করা হয়, তবে পাল্টা জবাবে সৌদি আরবের তেল স্থাপনাকে লক্ষ্য করা হবে।

তিনি আরও জানান, ইরানের প্রতিক্রিয়া ধাপে ধাপে বাড়তে পারে—আনুপাতিক জবাব থেকে শুরু করে আরও কঠোর সামরিক পদক্ষেপও নেওয়া হতে পারে। পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে এই প্রতিক্রিয়ার মাত্রা নির্ধারণ করা হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

এর আগে ইসরায়েলযুক্তরাষ্ট্র-এর সঙ্গে উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ইরান মধ্যপ্রাচ্যে বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করা হয়। একই সঙ্গে সৌদি আরবের কিছু জ্বালানি ও সামরিক স্থাপনাও লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছিল।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম, যার মধ্যে দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস-ও রয়েছে, জানিয়েছে—ইরানকে ঘিরে উত্তেজনা বৃদ্ধির পেছনে আঞ্চলিক রাজনীতির জটিল সমীকরণ কাজ করছে। কিছু প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, মোহাম্মদ বিন সালমান প্রকাশ্যে যুদ্ধবিরোধী অবস্থান নিলেও নেপথ্যে কঠোর অবস্থান নিতে আন্তর্জাতিক মিত্রদের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছেন।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এ ধরনের হুঁশিয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে বিদ্যমান অস্থিরতাকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

হজকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির আহ্বান, সৌদি আরবের নিরাপত্তা জোরদারের দাবি

হুঁশিয়ারি দিল ইরান-সৌদি আরবের জ্বালানি স্থাপনায় হামলার

সপ্রকাশিত হয়েছে: ০৫:২০:৪৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে সৌদি আরবের জ্বালানি অবকাঠামো লক্ষ্য করে হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটির এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এ সতর্কবার্তা দিয়েছেন বলে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে জানা গেছে।

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান-এর ডেপুটি ইসমাইল সাকাব ইস্ফাহানি বলেন, ইরানের লক্ষ্যবস্তু নির্ধারিত রয়েছে। যদি তাদের কোনো তেলক্ষেত্রে হামলা করা হয়, তবে পাল্টা জবাবে সৌদি আরবের তেল স্থাপনাকে লক্ষ্য করা হবে।

তিনি আরও জানান, ইরানের প্রতিক্রিয়া ধাপে ধাপে বাড়তে পারে—আনুপাতিক জবাব থেকে শুরু করে আরও কঠোর সামরিক পদক্ষেপও নেওয়া হতে পারে। পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে এই প্রতিক্রিয়ার মাত্রা নির্ধারণ করা হবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

এর আগে ইসরায়েলযুক্তরাষ্ট্র-এর সঙ্গে উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে ইরান মধ্যপ্রাচ্যে বিভিন্ন মার্কিন ঘাঁটি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করা হয়। একই সঙ্গে সৌদি আরবের কিছু জ্বালানি ও সামরিক স্থাপনাও লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছিল।

আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম, যার মধ্যে দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস-ও রয়েছে, জানিয়েছে—ইরানকে ঘিরে উত্তেজনা বৃদ্ধির পেছনে আঞ্চলিক রাজনীতির জটিল সমীকরণ কাজ করছে। কিছু প্রতিবেদনে অভিযোগ করা হয়েছে, মোহাম্মদ বিন সালমান প্রকাশ্যে যুদ্ধবিরোধী অবস্থান নিলেও নেপথ্যে কঠোর অবস্থান নিতে আন্তর্জাতিক মিত্রদের ওপর চাপ সৃষ্টি করেছেন।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এ ধরনের হুঁশিয়ারি মধ্যপ্রাচ্যে বিদ্যমান অস্থিরতাকে আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে এবং বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারেও এর প্রভাব পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।