কুমিল্লায় হত্যার ১৩ বছর পর মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামী মজনু মিয়া(৪০)কে আটক করেছে র্যাব-১১।
র্যাব-১১ সিপিসি-২ কুমিল্লা কোম্পানী অধিনায়ক এ কে এম মুনিরুল আলম আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানান, নিজস্ব গোয়েন্দা তৎপরতা ও তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় ১ আগস্ট সকাল আনুমানিক সাড়ে ৮ টায় আমাদের একটি আভিযানিক দল কুমিল্লার সদর দক্ষিণ মডেল থানাধীন কোটবাড়ী বিশ্বরোড এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামী মজনু মিয়া (৪০)’কে আটক করে।
র্যাব আরও জানান, ২০১০ সালের ২৮ জুলাই বিকালে কুমিল্লার হোমনা থানাধীন বাগমারা পশ্চিমপাড়া গ্রামের আব্দুল করিম (৩৫)কে আসামী মজনু মিয়া (৪০) ও কবির মিয়া তার নিজ বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে লাশ নদীতে ফেলে দেয়। উক্ত ঘটনার চারদিন পর ০২ আগস্ট দুপুরে কুমিল্লার হোমনা থানাধীন বালুর মাঠের পশ্চিমে তিতাস নদী থেকে আব্দুল করিমের মরদেহ উদ্ধার করে হয়। এঘটনায় আব্দুল করিমের ভাই মোশারফ হোসেন বাদী হয়ে হোমনা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। যার মামলা নং- ০৫, তারিখ-০৩/০৮/২০১০খ্রি., ধারা- ৩০২/২০১/৩৪ পেনাল কোড-১৮৬০। বর্ণিত মামলার রুজুর দীর্ঘ ১৩ বছর সাক্ষ্য-প্রমাণ গ্রহণ শেষে আসামীদের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সন্ধেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আসামী মজনু মিয়া ও কবির মিয়া’কে বিজ্ঞ আদালত মৃত্যুদন্ডাদেশ দেন এবং একই সাথে তাদের ২০ হাজার টাকা অর্থদন্ডের সাজা প্রদান করেন। মৃত্যুদন্ডপ্রাপ্ত আসামীরা দীর্ঘদিন যাবৎ পলাতক থাকায় তাদের গ্রেফতারের নিমিত্তে র্যাব-১১ একটি আভিযানিক দল কার্যক্রম শুরু করে। আটককৃত আসামীর বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য কুমিল্লার হোমনা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
মোঃ জুয়েল রানা মজুমদার, কুমিল্লা 






















