সহপাঠী ও সহকারী প্রক্টরের বিরুদ্ধে অবন্তিকার মায়ের মামলা
-
অনলাইন ডেক্স
-
সপ্রকাশিত হয়েছে:
১২:২৫:০৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৭ মার্চ ২০২৪
-
১৬৪
শেয়ার
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ফাইরুজ সাদাফ অবন্তিকার গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার ঘটনায় কুমিল্লা কোতয়ালি মডেল থানায় মামলা দায়ের করেছেন তাঁর মা তাহমিনা শবনম। মামলায় অবন্তিকার ফেসবুক পোস্টে তার আত্মহত্যার জন্য দায়ী করা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহপাঠী আম্মান সিদ্দিকী ও সহকারী প্রক্টর দ্বীন ইসলামকে আসামি করা হয়েছে।শনিবার (১৬ মার্চ) রাতে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে অবন্তিকার মা মামলাটি করেছেন বলে জানান কুমিল্লা কোতয়ালি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফিরোজ হোসেন।মামলার বিবরণে বলা হয়েছে- অবন্তিকার সহপাঠী আম্মান সিদ্দিকী অফলাইনে ও অনলাইনে অবন্তিকাকে হয়রানিসহ মানসিক নির্যাতন করে আসছিল।
তার বিরুদ্ধে সহকারী প্রক্টরের কাছে অভিযোগ করলে তিনি অভিযোগের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিয়ে উল্টো অবন্তিকাকেই নানাভাবে অপমান ও হয়রানি করেন। যার কারণে বাধ্য হয়ে আত্মহত্যার পথ বেছে নেয় অবন্তিকা।আজ রাত সাড়ে ৯টার দিকে ওসি ফিরোজ হোসেন বলেন, আমরা কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে তাদের দিকনির্দেশনা মতো মামলার যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করব। সঠিক তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
প্রসঙ্গত, গতকাল শুক্রবার মার্চ রাত ১০টার দিকে কুমিল্লা নগরীর বাগিচাগাঁও ফায়ার সার্ভিস সংলগ্ন বাসায় ফ্যানের সঙ্গে ওড়না পেঁচিয়ে ফাঁস নেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের শিক্ষার্থী ফাইরুজ সাদাফ অবন্তিকা। মৃত্যুর আগে ফেসবুক পোস্টে আত্মহত্যার জন্য জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর দ্বীন ইসলাম ও আম্মান সিদ্দিকী নামের এক সহপাঠীকে দায়ী করেন তিনি। অবন্তিকার বাবা মো. জামাল উদ্দিন কুমিল্লা সরকারি মহিলা কলেজ ও কুমিল্লা সরকারি কলেজে দীর্ঘদিন অধ্যাপনা করেছেন। ২০২৩ সালের ১২ এপ্রিল রোজার সময় তিনি মারা যান।
মৃত্যুর আগে তিনি কুড়িগ্রাম সরকারি কলেজের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ছিলেন। তাদের গ্রামের বাড়ি কুমিল্লা শহরতলির শাসনগাছা মহাজন বাড়ি এলাকায়।
ট্যাগ