ঢাজা ১১:১৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৬ মার্চ ২০২৬, ২২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ

সুবর্ণচরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ের হাত থেকে রক্ষা পেল অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রী

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে পুলিশের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ের হাত থেকে রক্ষা পেল অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রী। মঙ্গলবার (৩১ আগস্ট) দুপুর ৩টার দিকে উপজেলার ২নং চর জুবলী ইউনিয়নের চর ব্যাগা গ্রামে এ ঘটানা ঘটে। ওই স্কুল ছাত্রী বিবি ফাতেমা (১৫) ওই গ্রামের জামাল উদ্দিনের মেয়ে এবং স্থানীয় পাঙ্কার বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.জিয়াউল হক জানান, কনের মা লক্ষীপুর জেলার রামগতি উপজেলার চরকাজী ইউনিয়নের এক ছেলের সাথে মেয়ের বিয়ে ঠিক করেন। পূর্ব নিধারিত তারিখ অনুসারে আজ দুপুরে কনের বাড়িতে মূল বিয়ের অনুষ্ঠান চলছিল। সুবর্ণচর থানার একদল টহল পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে ওই বাল্য বিবাহ বন্ধ করে আমাকে অবহিত করে। তাৎক্ষণিক আমি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বিষয়টি অবহিত করলে তিনি কনের মাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের আওতায় এনে দশ হাজার টাকা এবং বরের বাবাকে পনের হাজার টাকা অর্থদন্ড করেন। সুবর্ণচর উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা (ইউএনও) চৈতী সর্ববিদ্যা বলেন, বাল্য বিয়ে আয়োজন করায় বাল্য বিয়ে নিরোধ আইনে কনের মাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে দশ হাজার টাকা এবং বরের বাবাকে পনের হাজার টাকা অর্থদন্ড করা হয়েছে। মেয়ের বয়স ১৮ বছর না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেবেন না বলে দুই পক্ষ থেকে মুচলেকা নেয়া হয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

হরমুজ প্রণালীতে কন্টেইনার জাহাজে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা: ইঞ্জিন রুমে ভয়াবহ আগুন

সুবর্ণচরে প্রশাসনের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ের হাত থেকে রক্ষা পেল অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রী

সপ্রকাশিত হয়েছে: ০২:০৯:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২১

নোয়াখালীর সুবর্ণচরে পুলিশের হস্তক্ষেপে বাল্য বিয়ের হাত থেকে রক্ষা পেল অষ্টম শ্রেণির এক ছাত্রী। মঙ্গলবার (৩১ আগস্ট) দুপুর ৩টার দিকে উপজেলার ২নং চর জুবলী ইউনিয়নের চর ব্যাগা গ্রামে এ ঘটানা ঘটে। ওই স্কুল ছাত্রী বিবি ফাতেমা (১৫) ওই গ্রামের জামাল উদ্দিনের মেয়ে এবং স্থানীয় পাঙ্কার বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী। চরজব্বর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো.জিয়াউল হক জানান, কনের মা লক্ষীপুর জেলার রামগতি উপজেলার চরকাজী ইউনিয়নের এক ছেলের সাথে মেয়ের বিয়ে ঠিক করেন। পূর্ব নিধারিত তারিখ অনুসারে আজ দুপুরে কনের বাড়িতে মূল বিয়ের অনুষ্ঠান চলছিল। সুবর্ণচর থানার একদল টহল পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে ওই বাল্য বিবাহ বন্ধ করে আমাকে অবহিত করে। তাৎক্ষণিক আমি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে বিষয়টি অবহিত করলে তিনি কনের মাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতের আওতায় এনে দশ হাজার টাকা এবং বরের বাবাকে পনের হাজার টাকা অর্থদন্ড করেন। সুবর্ণচর উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা (ইউএনও) চৈতী সর্ববিদ্যা বলেন, বাল্য বিয়ে আয়োজন করায় বাল্য বিয়ে নিরোধ আইনে কনের মাকে ভ্রাম্যমাণ আদালতে দশ হাজার টাকা এবং বরের বাবাকে পনের হাজার টাকা অর্থদন্ড করা হয়েছে। মেয়ের বয়স ১৮ বছর না হওয়া পর্যন্ত বিয়ে দেবেন না বলে দুই পক্ষ থেকে মুচলেকা নেয়া হয়।