ঢাজা ০৫:২৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

বগুড়াকে ‘শিক্ষানগরী’ হিসেবে গড়ে তোলা হবে: শিক্ষামন্ত্রী

মঙ্গলবার পহেলা বৈশাখে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার উথলি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে কৃষক কার্ড বিতরণ করেন শিক্ষামন্ত্রী।

উন্নত শিক্ষা ব্যবস্থা ও কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণে নতুন উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক | বগুড়া

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, বগুড়াকে দেশের অন্যতম ‘শিক্ষানগরী’ ও ‘এডুকেশনাল হাব’ হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

তিনি বলেন, “আমরা বগুড়াকে শিক্ষাক্ষেত্রে একটি মডেল জেলায় পরিণত করব। এই অঞ্চলকে কেন্দ্র করে আধুনিক ও বিশ্বমানের শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে।”

মঙ্গলবার দুপুরে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার উথলি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে কৃষক কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মানসম্মত পাঠদান নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে শিক্ষক ও অভিভাবকদের আরও সচেতন ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির বিষয়ে আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, “শিক্ষকদের মর্যাদা রক্ষা ও প্রণোদনা বৃদ্ধিতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। শিক্ষকদের উৎসব ভাতা শতভাগ করার বিষয়টি আমাদের বিবেচনায় রয়েছে।”

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসা করে তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী কথার চেয়ে কাজে বেশি বিশ্বাসী। তিনি যা বলেন, তা বাস্তবায়ন করেন। আজ কৃষকদের হাতে ‘কৃষক কার্ড’ তুলে দেওয়ার মধ্য দিয়ে সেই প্রতিশ্রুতিরই আরও একটি বাস্তব প্রতিফলন ঘটেছে।”

তিনি আরও বলেন, “কৃষকদের এই কার্ড দেওয়ার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী উন্নয়নের এক নতুন হালখাতা খুলেছেন। এই কার্ডের মাধ্যমে সরকারের দেওয়া প্রণোদনা, ভর্তুকি ও অন্যান্য সহায়তা সরাসরি কৃষকদের কাছে পৌঁছে যাবে, যা দেশের কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

শিক্ষাব্যবস্থার আধুনিকায়নের পরিকল্পনা তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী জানান, দেশের প্রতিটি উপজেলায় মাল্টিপারপাস হল নির্মাণ করা হবে, যেখানে সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা গ্রহণের ব্যবস্থা থাকবে। এছাড়া অভিজ্ঞ অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের মেধা ও অভিজ্ঞতাকে শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে কাজে লাগানোর পরিকল্পনাও রয়েছে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আবদুল বারী এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. এ এস এম আমানুল্লাহ।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বগুড়া আরডিএর ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক কৃষিবিদ আব্দুল মজিদ এবং জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান।

উল্লেখ্য, অনুষ্ঠানে শিবগঞ্জ উপজেলায় প্রাক-পাইলটিং পর্যায়ে মোট ৩ হাজার ১৪৭ জন কৃষকের মাঝে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ করা হয়।

ট্যাগ
জনপ্রিয় সংবাদ

জামিরা মহিলা দাখিল মাদ্রাসায় দাখিল পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া অনুষ্ঠিত

বগুড়াকে ‘শিক্ষানগরী’ হিসেবে গড়ে তোলা হবে: শিক্ষামন্ত্রী

সপ্রকাশিত হয়েছে: ০৩:৩১:৫৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

উন্নত শিক্ষা ব্যবস্থা ও কৃষকদের জন্য ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণে নতুন উদ্যোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক | বগুড়া

শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন বলেছেন, বগুড়াকে দেশের অন্যতম ‘শিক্ষানগরী’ ও ‘এডুকেশনাল হাব’ হিসেবে গড়ে তোলা হবে।

তিনি বলেন, “আমরা বগুড়াকে শিক্ষাক্ষেত্রে একটি মডেল জেলায় পরিণত করব। এই অঞ্চলকে কেন্দ্র করে আধুনিক ও বিশ্বমানের শিক্ষা ব্যবস্থা গড়ে তোলা হবে।”

মঙ্গলবার দুপুরে পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার উথলি উচ্চবিদ্যালয় মাঠে কৃষক কার্ড বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে মানসম্মত পাঠদান নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করে শিক্ষক ও অভিভাবকদের আরও সচেতন ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান।

শিক্ষকদের সুযোগ-সুবিধা বৃদ্ধির বিষয়ে আশ্বস্ত করে তিনি বলেন, “শিক্ষকদের মর্যাদা রক্ষা ও প্রণোদনা বৃদ্ধিতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। শিক্ষকদের উৎসব ভাতা শতভাগ করার বিষয়টি আমাদের বিবেচনায় রয়েছে।”

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বের প্রশংসা করে তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী কথার চেয়ে কাজে বেশি বিশ্বাসী। তিনি যা বলেন, তা বাস্তবায়ন করেন। আজ কৃষকদের হাতে ‘কৃষক কার্ড’ তুলে দেওয়ার মধ্য দিয়ে সেই প্রতিশ্রুতিরই আরও একটি বাস্তব প্রতিফলন ঘটেছে।”

তিনি আরও বলেন, “কৃষকদের এই কার্ড দেওয়ার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী উন্নয়নের এক নতুন হালখাতা খুলেছেন। এই কার্ডের মাধ্যমে সরকারের দেওয়া প্রণোদনা, ভর্তুকি ও অন্যান্য সহায়তা সরাসরি কৃষকদের কাছে পৌঁছে যাবে, যা দেশের কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।”

শিক্ষাব্যবস্থার আধুনিকায়নের পরিকল্পনা তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী জানান, দেশের প্রতিটি উপজেলায় মাল্টিপারপাস হল নির্মাণ করা হবে, যেখানে সুষ্ঠুভাবে পরীক্ষা গ্রহণের ব্যবস্থা থাকবে। এছাড়া অভিজ্ঞ অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের মেধা ও অভিজ্ঞতাকে শিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে কাজে লাগানোর পরিকল্পনাও রয়েছে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম, জনপ্রশাসন ও খাদ্য প্রতিমন্ত্রী আবদুল বারী এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. এ এস এম আমানুল্লাহ।

এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বগুড়া আরডিএর ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক কৃষিবিদ আব্দুল মজিদ এবং জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান।

উল্লেখ্য, অনুষ্ঠানে শিবগঞ্জ উপজেলায় প্রাক-পাইলটিং পর্যায়ে মোট ৩ হাজার ১৪৭ জন কৃষকের মাঝে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘কৃষক কার্ড’ বিতরণ করা হয়।