ঢাজা ০৬:৪১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঠাকুরগাঁওয়ে নদী সংরক্ষণ ও সমন্বিত পানি নিয়ন্ত্রন কাঠামোর নির্মান কাজ চলছে

পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ঠাকুরগাঁও জেলার টাংগন ব্যারেজ, বুড়ি বাধ, ভুল্লি বাধ সেচ প্রকল্প সমুহে ৩৬টি প্যাকেজের মাধ্যমে নদী তীর সংরক্ষণ ও সমন্বিত পানি নিয়ন্ত্রন কাঠামো নির্মান কাজ ঠাকুরগাঁও পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্তাবধানে দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। দেশের ৯টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ৩৬টি প্যাকেজ আকারে প্রকল্প পুনর্বাসনের কাজ পায়। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে; হাসিবুল হাসান (রংপুর), ন্যাচারাল (কুষ্টিয়া), মেসার্স কোহিনুর এন্ড আবুল কালাম আজাদ (বরিশাল), সালেহ আহমেদ (ফেনী), মেসার্স আমিন এন্ড কোং (খুলনা), মেসার্স নাসির উদ্দিন মোল্লা (কুষ্টিয়া), ইউনুস এন্ড ব্রাদার্স (চট্রগ্রাম), শহীদ ব্রাদার্স (ঢাকা) এবং মেসার্স শাহীনুর রহমান এন্ড জামাল হোসেন (জেভি) ঠাকুরগাঁও। কাজের ধরন হচ্ছে; সম্মিলিত পানি নিয়ন্ত্রণ অবকাঠামো নির্মাণ, সেচ খাল পূনর্বাসন, নদী তীর সংরক্ষণ, সেচ খাল পুনঃনির্মাণ এবং নদী পুনঃখনন। ঠাকুরগাঁও পানি উন্নয়ন বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ রবিউল ইসলাম জানান, বাংলাদেশ ডেল্টা প্লান দুই হাজার একশ সেচ জমি প্রকল্পের পূনর্বাসন ঠাকুরগাঁও জেলার টাংগন ব্যারেজ, বুড়ির বাধ, ভুল্লী বাধের সেচ খাল পূনর্বাসন, নদী পুনঃখনন, নদী তীর সংরক্ষণ, পুনঃনির্মাণ, পুনঃসংস্করন ও সম্মিলিত পানি নিয়ন্ত্রণ অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্প ২০২১ সালের ৮ জুন জাতীয় একনেক পরিষদ কর্তৃক অনুমোদিত হয়। এই প্রকল্পের আওতায় ৩৬টি প্যাকেজের মাধ্যমে ঠাকুরগাঁও জেলার বিভিন্ন জায়গায় কাজ বাস্তবায়ন হবে। তার মধ্যে ১৫ টি প্যাকেজের কাজ চলমান । এ কাজগলোর মধ্যে ৬২ কিঃমিঃ নদী পুনঃখনন, ১৩২ কিঃমিঃ সেচ খাল পূনর্বাসন, ২.৩ কিঃমিঃ নতুন সেচ খাল নির্মাণ, ৪টি সম্মিলিত পানি নিয়ন্ত্রণ অবকাঠামো নির্মাণ ও বিভিন্ন সেচ স্থাপনা রক্ষার্থে ৩ হাজার ৩ শত মিটার নদী সংরক্ষণ কাজ বাস্তবায়ন করা হবে। এ কাজটি আগামী ডিসেম্বর ২০২৩ সালে সমাপ্তের জন্যে নির্ধারিত রয়েছে। এ কাজগুলো বাস্তবায়ন হলে ঠাকুরগাঁওয়ের পানির যে সমস্যা সেটা ধারন করা সম্ভব হবে। বর্তমান সরকার সার্ভেস ওয়াটার মেনেজমেন্ট এর উপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন। আমরা সার্ভেস ওয়াটার মেনেজমেন্ট বিষয়ের উপর গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছি। এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে ঠাকুরগাঁওয়ে যে সেচ প্রকল্প ৩ হাজার হেক্টর রয়েছে সেটা বৃদ্ধি পেয়ে ১৩ হাজার হেক্টরে উন্নিত হবে অর্থাৎ ১০ হাজার হেক্টর সেচ বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে উদ্বৃত্ত যে ফসল উৎপাদন হবে সেটা ১৫ হাজার মেঃটন যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৬০ কোটি টাকা। প্রতি বছর এই টাকা ন্যাশনাল প্রবৃদ্ধিতে যোগ হবে। এই প্রকল্পে আমাদের ৩৩ হাজার বৃক্ষ রোপন আছে। এই বৃক্ষ রোপনের মাধ্যমে আমাদের প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা পাবে। সেচ প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন হলে নদীতে পানির ধারন ক্ষমতা অনেক বৃদ্ধি পাবে এবং পাশাপাশি মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। ৩৬টি প্যাকেজে মোট বরাদ্দকৃত অর্থের পরিমান ২৯৪,৩৬,৩৯,০০০.০০ (দুইশত চুরানব্বই কোটি ছত্রিশ লক্ষ উনচল্লিশ হাজার টাকা) টাকা। এখানে উল্লেখ্য, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি, বাংলাদেশ আওয়ামিলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য জনাব রমেশ চন্দ্র সেন গত ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২২ খ্রীঃ তারিখে উক্ত প্রকল্প কাজের উদ্ভোধন করেন।

 

জনপ্রিয় সংবাদ

হজকে কেন্দ্র করে মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির আহ্বান, সৌদি আরবের নিরাপত্তা জোরদারের দাবি

ঠাকুরগাঁওয়ে নদী সংরক্ষণ ও সমন্বিত পানি নিয়ন্ত্রন কাঠামোর নির্মান কাজ চলছে

সপ্রকাশিত হয়েছে: ০৬:৪০:০০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ অগাস্ট ২০২২

পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে ঠাকুরগাঁও জেলার টাংগন ব্যারেজ, বুড়ি বাধ, ভুল্লি বাধ সেচ প্রকল্প সমুহে ৩৬টি প্যাকেজের মাধ্যমে নদী তীর সংরক্ষণ ও সমন্বিত পানি নিয়ন্ত্রন কাঠামো নির্মান কাজ ঠাকুরগাঁও পানি উন্নয়ন বোর্ডের তত্তাবধানে দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। দেশের ৯টি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান ৩৬টি প্যাকেজ আকারে প্রকল্প পুনর্বাসনের কাজ পায়। ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠানগুলো হচ্ছে; হাসিবুল হাসান (রংপুর), ন্যাচারাল (কুষ্টিয়া), মেসার্স কোহিনুর এন্ড আবুল কালাম আজাদ (বরিশাল), সালেহ আহমেদ (ফেনী), মেসার্স আমিন এন্ড কোং (খুলনা), মেসার্স নাসির উদ্দিন মোল্লা (কুষ্টিয়া), ইউনুস এন্ড ব্রাদার্স (চট্রগ্রাম), শহীদ ব্রাদার্স (ঢাকা) এবং মেসার্স শাহীনুর রহমান এন্ড জামাল হোসেন (জেভি) ঠাকুরগাঁও। কাজের ধরন হচ্ছে; সম্মিলিত পানি নিয়ন্ত্রণ অবকাঠামো নির্মাণ, সেচ খাল পূনর্বাসন, নদী তীর সংরক্ষণ, সেচ খাল পুনঃনির্মাণ এবং নদী পুনঃখনন। ঠাকুরগাঁও পানি উন্নয়ন বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ রবিউল ইসলাম জানান, বাংলাদেশ ডেল্টা প্লান দুই হাজার একশ সেচ জমি প্রকল্পের পূনর্বাসন ঠাকুরগাঁও জেলার টাংগন ব্যারেজ, বুড়ির বাধ, ভুল্লী বাধের সেচ খাল পূনর্বাসন, নদী পুনঃখনন, নদী তীর সংরক্ষণ, পুনঃনির্মাণ, পুনঃসংস্করন ও সম্মিলিত পানি নিয়ন্ত্রণ অবকাঠামো নির্মাণ প্রকল্প ২০২১ সালের ৮ জুন জাতীয় একনেক পরিষদ কর্তৃক অনুমোদিত হয়। এই প্রকল্পের আওতায় ৩৬টি প্যাকেজের মাধ্যমে ঠাকুরগাঁও জেলার বিভিন্ন জায়গায় কাজ বাস্তবায়ন হবে। তার মধ্যে ১৫ টি প্যাকেজের কাজ চলমান । এ কাজগলোর মধ্যে ৬২ কিঃমিঃ নদী পুনঃখনন, ১৩২ কিঃমিঃ সেচ খাল পূনর্বাসন, ২.৩ কিঃমিঃ নতুন সেচ খাল নির্মাণ, ৪টি সম্মিলিত পানি নিয়ন্ত্রণ অবকাঠামো নির্মাণ ও বিভিন্ন সেচ স্থাপনা রক্ষার্থে ৩ হাজার ৩ শত মিটার নদী সংরক্ষণ কাজ বাস্তবায়ন করা হবে। এ কাজটি আগামী ডিসেম্বর ২০২৩ সালে সমাপ্তের জন্যে নির্ধারিত রয়েছে। এ কাজগুলো বাস্তবায়ন হলে ঠাকুরগাঁওয়ের পানির যে সমস্যা সেটা ধারন করা সম্ভব হবে। বর্তমান সরকার সার্ভেস ওয়াটার মেনেজমেন্ট এর উপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন। আমরা সার্ভেস ওয়াটার মেনেজমেন্ট বিষয়ের উপর গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছি। এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে ঠাকুরগাঁওয়ে যে সেচ প্রকল্প ৩ হাজার হেক্টর রয়েছে সেটা বৃদ্ধি পেয়ে ১৩ হাজার হেক্টরে উন্নিত হবে অর্থাৎ ১০ হাজার হেক্টর সেচ বৃদ্ধি পাবে। এর ফলে উদ্বৃত্ত যে ফসল উৎপাদন হবে সেটা ১৫ হাজার মেঃটন যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ৬০ কোটি টাকা। প্রতি বছর এই টাকা ন্যাশনাল প্রবৃদ্ধিতে যোগ হবে। এই প্রকল্পে আমাদের ৩৩ হাজার বৃক্ষ রোপন আছে। এই বৃক্ষ রোপনের মাধ্যমে আমাদের প্রাকৃতিক ভারসাম্য রক্ষা পাবে। সেচ প্রকল্পগুলো বাস্তবায়ন হলে নদীতে পানির ধারন ক্ষমতা অনেক বৃদ্ধি পাবে এবং পাশাপাশি মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি পাবে। ৩৬টি প্যাকেজে মোট বরাদ্দকৃত অর্থের পরিমান ২৯৪,৩৬,৩৯,০০০.০০ (দুইশত চুরানব্বই কোটি ছত্রিশ লক্ষ উনচল্লিশ হাজার টাকা) টাকা। এখানে উল্লেখ্য, পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি, বাংলাদেশ আওয়ামিলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য জনাব রমেশ চন্দ্র সেন গত ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২২ খ্রীঃ তারিখে উক্ত প্রকল্প কাজের উদ্ভোধন করেন।